ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

তুরস্কের নির্বাচনী লড়াইয়ে ধাক্কা, এরদোয়ানের পথ সুগম!

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
  • / 503

ছবি: সংগৃহীত

 

তুরস্কের আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী একরেম ইমামওগলু বড় ধাক্কা খেলেন। ইস্তানবুল বিশ্ববিদ্যালয় তাঁর স্নাতক সার্টিফিকেট বাতিল করেছে। অভিযোগ, তিনি নাকি বেআইনিভাবে ভর্তি হয়েছিলেন। এর ফলে তাঁর রাজনীতিতে থাকার পথ অনেকটাই সংকুচিত হয়ে গেল।

ইস্তানবুলের বর্তমান মেয়র একরেম ইমামওগলু ছিলেন তুরস্কের বিরোধী শিবিরের প্রধান মুখ। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই তাঁর নাম সামনে আসছিল। কিন্তু স্নাতক সার্টিফিকেট বাতিলের সিদ্ধান্ত তাঁকে নির্বাচনী লড়াই থেকে ছিটকে দিতে পারে। আইন অনুযায়ী, সার্টিফিকেট বাতিল হলে তিনি আর রাজনীতিতে থাকতে পারবেন না।

আরও পড়ুন  নতুন রাষ্ট্রপতি কে, আলোচনায় একাধিক নাম

তবে তুরস্কের রাজনীতি যে অপ্রত্যাশিত মোড় নিতে পারে, তা ইতিহাসই বলে। একরেম ইমামওগলু ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। স্থানীয় আদালতে আবেদন করা হলেও সেটি খারিজ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এরপর উচ্চ আদালতে যাবেন, কিন্তু সেখানেও আইনি লড়াই কতদূর এগোবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

তবে এই পরিস্থিতি তাঁকে রাজনৈতিকভাবে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে পারে। তাঁর সমর্থকরা এটিকে একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলেই মনে করছেন। এরদোয়ানের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো যে সহজ নয়, একরেমের ঘটনাই তার প্রমাণ।

তুরস্কের রাজনীতি বরাবরই চমকপ্রদ। এক সময়ের শক্তিশালী বিরোধী নেতা মুহাররেম ইনজেও একইভাবে রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়েছিলেন। এবার একরেম ইমামওগলুর ভাগ্যও কি সেই একই পথে এগোচ্ছে? নাকি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তিনি পরিস্থিতি ঘুরিয়ে দেবেন?

তবে আপাতত, এরদোয়ানের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পথ আরও মসৃণ হয়ে গেল।

নিউজটি শেয়ার করুন

তুরস্কের নির্বাচনী লড়াইয়ে ধাক্কা, এরদোয়ানের পথ সুগম!

আপডেট সময় ০৩:৩২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

 

তুরস্কের আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী একরেম ইমামওগলু বড় ধাক্কা খেলেন। ইস্তানবুল বিশ্ববিদ্যালয় তাঁর স্নাতক সার্টিফিকেট বাতিল করেছে। অভিযোগ, তিনি নাকি বেআইনিভাবে ভর্তি হয়েছিলেন। এর ফলে তাঁর রাজনীতিতে থাকার পথ অনেকটাই সংকুচিত হয়ে গেল।

ইস্তানবুলের বর্তমান মেয়র একরেম ইমামওগলু ছিলেন তুরস্কের বিরোধী শিবিরের প্রধান মুখ। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই তাঁর নাম সামনে আসছিল। কিন্তু স্নাতক সার্টিফিকেট বাতিলের সিদ্ধান্ত তাঁকে নির্বাচনী লড়াই থেকে ছিটকে দিতে পারে। আইন অনুযায়ী, সার্টিফিকেট বাতিল হলে তিনি আর রাজনীতিতে থাকতে পারবেন না।

আরও পড়ুন  তুরস্কের মধ্য দিয়ে বিকল্প পথে তেল রপ্তানির সিদ্ধান্ত ইরাকের।

তবে তুরস্কের রাজনীতি যে অপ্রত্যাশিত মোড় নিতে পারে, তা ইতিহাসই বলে। একরেম ইমামওগলু ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। স্থানীয় আদালতে আবেদন করা হলেও সেটি খারিজ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এরপর উচ্চ আদালতে যাবেন, কিন্তু সেখানেও আইনি লড়াই কতদূর এগোবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

তবে এই পরিস্থিতি তাঁকে রাজনৈতিকভাবে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে পারে। তাঁর সমর্থকরা এটিকে একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলেই মনে করছেন। এরদোয়ানের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো যে সহজ নয়, একরেমের ঘটনাই তার প্রমাণ।

তুরস্কের রাজনীতি বরাবরই চমকপ্রদ। এক সময়ের শক্তিশালী বিরোধী নেতা মুহাররেম ইনজেও একইভাবে রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়েছিলেন। এবার একরেম ইমামওগলুর ভাগ্যও কি সেই একই পথে এগোচ্ছে? নাকি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তিনি পরিস্থিতি ঘুরিয়ে দেবেন?

তবে আপাতত, এরদোয়ানের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পথ আরও মসৃণ হয়ে গেল।