ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
সিলেটে পাওনা টাকা চাওয়ায় ক্রেতার ঘুষিতে প্রাণ গেল বিক্রেতার বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সংসদ সদস্যদের কার্যকর ভূমিকার আহ্বান স্পিকারের মুজিববর্ষ উদযাপনে ব্যয় ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ টাকা, সংসদে অর্থমন্ত্রীর তথ্য রাজধানীতে জলাবদ্ধতা ও যানজট, অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে পুলিশের পরামর্শ সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশিত হলো প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল ইরানে নতুন মার্কিন অভিযান, ১৪০ সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি নরওয়ে ম্যাচের বিতর্কিত গোল নিয়ে মুখ খুলল ফিফা ৭২ বছরের বিশ্বকাপ রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়ল আর্জেন্টিনা হরমুজ উত্তেজনার মধ্যেই ইরানে তৃতীয় দফায় মার্কিন হামলা

মুজিববর্ষ উদযাপনে ব্যয় ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ টাকা, সংসদে অর্থমন্ত্রীর তথ্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৩:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • / 21

ছবি সংগৃহীত

 

‘মুজিববর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি, বেদী ও ভাস্কর্য নির্মাণ এবং জাতীয় পর্যায়ে সময় গণনার ডিজিটাল বোর্ড স্থাপনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে সরকারের ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল)-এর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য উপস্থাপন করেন।

আরও পড়ুন  দীর্ঘদিন জ্বালানির আর্থিক চাপ বহন করা সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী

লিখিত জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, মুজিববর্ষ উপলক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ও বেদী নির্মাণ, সরকারি দপ্তরে ব্রোঞ্জ, তামা ও মার্বেল পাথরের ভাস্কর্য স্থাপন এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সময় গণনার ডিজিটাল বোর্ড নির্মাণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাধ্যমে এই অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রস্তুত করা ‘মুজিববর্ষ উদযাপন বাবদ ব্যয় বিবরণী’র একটি কপিও সংসদে উপস্থাপন করা হয়।

অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে ৪৩টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ মুজিববর্ষ-সংক্রান্ত কার্যক্রমে ব্যয় করেছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৮৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয় করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

এ ছাড়া রেলপথ মন্ত্রণালয় ২০৬ কোটি ৭৩ লাখ ৭১ হাজার টাকা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১৪০ কোটি ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ১৩৩ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৪৭ কোটি ৬৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ২৬ কোটি ২৬ লাখ ৪১ হাজার টাকা, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ২৪ কোটি ৩০ লাখ ৪৩ হাজার টাকা, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ২৩ কোটি ২০ হাজার টাকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ২০ কোটি ৪৯ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয় করেছে।

সম্পূরক প্রশ্নে সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান জানতে চান, এই ব্যয়ের বিষয়ে কোনো নিরীক্ষা বা তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না এবং অনিয়মের প্রমাণ মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষের ব্যয় নিয়ে নিরীক্ষা বা তদন্তের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি জানান, মুজিববর্ষ ছাড়াও আগের সরকারের আমলে বিভিন্ন খাতে হওয়া ব্যয়ের হিসাব পর্যায়ক্রমে যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিষয়টি শুধু মুজিববর্ষের ব্যয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি উল্লেখ করেন, আগের প্রধানমন্ত্রীর এক বছরের খাবার বাবদ ব্যয়ও ৩৫ কোটি টাকা হয়েছে। আগের সরকারের বিভিন্ন খাতে হওয়া ব্যয় সরকার পর্যায়ক্রমে পর্যালোচনা করছে এবং যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মুজিববর্ষ উদযাপনে ব্যয় ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ টাকা, সংসদে অর্থমন্ত্রীর তথ্য

আপডেট সময় ০৭:১৩:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

 

‘মুজিববর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি, বেদী ও ভাস্কর্য নির্মাণ এবং জাতীয় পর্যায়ে সময় গণনার ডিজিটাল বোর্ড স্থাপনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে সরকারের ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল)-এর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য উপস্থাপন করেন।

আরও পড়ুন  তারেক রহমান সরকারের প্রথম বাজেট, মূল্যস্ফীতি ও কর্মসংস্থানে বিশেষ জোর

লিখিত জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, মুজিববর্ষ উপলক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ও বেদী নির্মাণ, সরকারি দপ্তরে ব্রোঞ্জ, তামা ও মার্বেল পাথরের ভাস্কর্য স্থাপন এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সময় গণনার ডিজিটাল বোর্ড নির্মাণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাধ্যমে এই অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রস্তুত করা ‘মুজিববর্ষ উদযাপন বাবদ ব্যয় বিবরণী’র একটি কপিও সংসদে উপস্থাপন করা হয়।

অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে ৪৩টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ মুজিববর্ষ-সংক্রান্ত কার্যক্রমে ব্যয় করেছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৮৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয় করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

এ ছাড়া রেলপথ মন্ত্রণালয় ২০৬ কোটি ৭৩ লাখ ৭১ হাজার টাকা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১৪০ কোটি ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ১৩৩ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৪৭ কোটি ৬৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ২৬ কোটি ২৬ লাখ ৪১ হাজার টাকা, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ২৪ কোটি ৩০ লাখ ৪৩ হাজার টাকা, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ২৩ কোটি ২০ হাজার টাকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ২০ কোটি ৪৯ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয় করেছে।

সম্পূরক প্রশ্নে সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান জানতে চান, এই ব্যয়ের বিষয়ে কোনো নিরীক্ষা বা তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না এবং অনিয়মের প্রমাণ মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষের ব্যয় নিয়ে নিরীক্ষা বা তদন্তের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি জানান, মুজিববর্ষ ছাড়াও আগের সরকারের আমলে বিভিন্ন খাতে হওয়া ব্যয়ের হিসাব পর্যায়ক্রমে যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিষয়টি শুধু মুজিববর্ষের ব্যয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি উল্লেখ করেন, আগের প্রধানমন্ত্রীর এক বছরের খাবার বাবদ ব্যয়ও ৩৫ কোটি টাকা হয়েছে। আগের সরকারের বিভিন্ন খাতে হওয়া ব্যয় সরকার পর্যায়ক্রমে পর্যালোচনা করছে এবং যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত জানানো হবে।