ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দ্রুত আসছে ভ্যাকসিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • / 129

ছবি সংগৃহীত

 

দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) খাতে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আমরা দ্রুত ভ্যাকসিন সংগ্রহের ওপর জোর দিচ্ছি। ইতোমধ্যে ভ্যাকসিন কেনার জন্য পারচেজ কমিটি এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ফাইন্যান্স কমিটি থেকে ৬০৪ কোটি টাকার অনুমোদন পাওয়া গেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে ভ্যাকসিন পৌঁছাবে এবং আসার সঙ্গে সঙ্গেই দেশজুড়ে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।” তিনি জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন  হামের টিকার আওতায় ৮১% শিশু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, ২০১৮ সালের পর দেশে বড় ধরনের কোনো বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন না হওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি চার বছর পরপর বাদ পড়া ও নতুন জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্য বিশেষ ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও গত এক দশকে সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকেনি। ফলে টিকার বাইরে থেকে যাওয়া শিশুদের মধ্যেই এখন হাম মারাত্মক আকার ধারণ করছে।

বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা দ্রুততম সময়ে ভেন্টিলেটর, আইসিইউ ইউনিট এবং বিশেষ ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করেছি। বিশেষ করে ডিএনসিসি হাসপাতালের বিশাল স্পেস পরিষ্কার করে হাম রোগীদের জন্য পুনরায় সচল করা হয়েছে।

এছাড়া মানিকগঞ্জে ৮ শয্যার আইসিইউ এবং রাজশাহীতে পাঁচটি ভেন্টিলেটর পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশন ও বিশেষ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে যা অতীতে কখনো হয়নি।”

সাক্ষাৎকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে এবং চলমান স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পরিদর্শন ও তদারকি কার্যক্রম জোরদার করে দ্রুত এই সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

নিউজটি শেয়ার করুন

হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দ্রুত আসছে ভ্যাকসিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:৪১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

 

দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) খাতে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আমরা দ্রুত ভ্যাকসিন সংগ্রহের ওপর জোর দিচ্ছি। ইতোমধ্যে ভ্যাকসিন কেনার জন্য পারচেজ কমিটি এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ফাইন্যান্স কমিটি থেকে ৬০৪ কোটি টাকার অনুমোদন পাওয়া গেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে ভ্যাকসিন পৌঁছাবে এবং আসার সঙ্গে সঙ্গেই দেশজুড়ে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।” তিনি জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন  ৫৮ জেলায় হাম, আক্রান্তদের ৭৯ শতাংশেরই বয়স পাঁচের নিচে

সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, ২০১৮ সালের পর দেশে বড় ধরনের কোনো বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন না হওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি চার বছর পরপর বাদ পড়া ও নতুন জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্য বিশেষ ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও গত এক দশকে সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকেনি। ফলে টিকার বাইরে থেকে যাওয়া শিশুদের মধ্যেই এখন হাম মারাত্মক আকার ধারণ করছে।

বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা দ্রুততম সময়ে ভেন্টিলেটর, আইসিইউ ইউনিট এবং বিশেষ ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করেছি। বিশেষ করে ডিএনসিসি হাসপাতালের বিশাল স্পেস পরিষ্কার করে হাম রোগীদের জন্য পুনরায় সচল করা হয়েছে।

এছাড়া মানিকগঞ্জে ৮ শয্যার আইসিইউ এবং রাজশাহীতে পাঁচটি ভেন্টিলেটর পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশন ও বিশেষ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে যা অতীতে কখনো হয়নি।”

সাক্ষাৎকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে এবং চলমান স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পরিদর্শন ও তদারকি কার্যক্রম জোরদার করে দ্রুত এই সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।