ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

হামের টিকার আওতায় ৮১% শিশু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 112

ছবি সংগৃহীত

 

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগের মাঝে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাত্রার ৮১ শতাংশ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা হয়েছে। টিকার কোনো ঘাটতি বা মজুত সংকট নেই উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এবং মৃত্যুর হারও নিম্নমুখী। রোববার (৩ মে) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব তথ্য প্রদান করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, হামের টিকা প্রদানের বিশেষ অভিযান বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। টিকা নেওয়ার পর অ্যান্টিবডি তৈরি হতে কিছুটা সময় প্রয়োজন হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, টিকার মজুত নিয়ে কোনো ধরনের দুর্বলতা বা ঘাটতি নেই। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা এখনও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মোট ২৯৪ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে, যার মধ্যে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে টিকা কমিটির সব সদস্যকে বরখাস্ত করলেন মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জেলা প্রশাসক সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডিসিদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। বিশেষ করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা, মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করতে কাউন্সেলিং এবং ব্রেস্ট ফিডিং বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া অ্যান্টি-র‍্যাবিস ভ্যাকসিন ও অ্যান্টি-স্নেক ভেনমের মজুত সার্বক্ষণিক তদারকি করার নির্দেশ দেন তিনি, যাতে কোনো জলাতঙ্ক বা সর্পদংশনের রোগী চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে না যায়।

চিকিৎসা সেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে অপরিকল্পিত, অবৈধ এবং নিয়ম অমান্য করে পরিচালিত ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান মন্ত্রী। তিনি জেলা প্রশাসকদের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। একইসঙ্গে ডিসপেনসারিগুলোতে ভেজাল ওষুধ বিক্রি রোধে নিয়মিত নজরদারি চালানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসকদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

নিউজটি শেয়ার করুন

হামের টিকার আওতায় ৮১% শিশু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

 

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগের মাঝে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাত্রার ৮১ শতাংশ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা হয়েছে। টিকার কোনো ঘাটতি বা মজুত সংকট নেই উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এবং মৃত্যুর হারও নিম্নমুখী। রোববার (৩ মে) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব তথ্য প্রদান করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, হামের টিকা প্রদানের বিশেষ অভিযান বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। টিকা নেওয়ার পর অ্যান্টিবডি তৈরি হতে কিছুটা সময় প্রয়োজন হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, টিকার মজুত নিয়ে কোনো ধরনের দুর্বলতা বা ঘাটতি নেই। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা এখনও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মোট ২৯৪ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে, যার মধ্যে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।

আরও পড়ুন  হাম দমনে বিশেষ টিকাদান শুরু: অতীতের অবহেলাকে দায়ী করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জেলা প্রশাসক সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডিসিদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। বিশেষ করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা, মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করতে কাউন্সেলিং এবং ব্রেস্ট ফিডিং বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া অ্যান্টি-র‍্যাবিস ভ্যাকসিন ও অ্যান্টি-স্নেক ভেনমের মজুত সার্বক্ষণিক তদারকি করার নির্দেশ দেন তিনি, যাতে কোনো জলাতঙ্ক বা সর্পদংশনের রোগী চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে না যায়।

চিকিৎসা সেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে অপরিকল্পিত, অবৈধ এবং নিয়ম অমান্য করে পরিচালিত ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান মন্ত্রী। তিনি জেলা প্রশাসকদের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। একইসঙ্গে ডিসপেনসারিগুলোতে ভেজাল ওষুধ বিক্রি রোধে নিয়মিত নজরদারি চালানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসকদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।