ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানের নেতাদের হত্যা করা ‘বড় সম্মানের’: ট্রাম্প ছাগল বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল মালিকের মোজতবা খামেনির মৃত্যুর খবরে কী বললেন ট্রাম্প মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত, নেওয়া হলো ওটিতে মালদ্বীপের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, ৫ বাংলাদেশির মৃত্যু ওমানের সোহার প্রদেশে ড্রোন বিধ্বস্ত, ২ প্রবাসীর মৃত্যু একসঙ্গে ৯ কবর খুঁড়লাম, হাত কাঁপছিল এবং খুব কষ্ট লাগছিল মির্জা আব্বাসকে দ্রুত সিঙ্গাপুরে নেওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর ইরানের হামলায় ঘাঁটি ছেড়ে আত্মগোপনে হাজার মার্কিন সেনা মার্কিন রণতরির কাছে ইরানি জাহাজ, হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবি

ভোট উপলক্ষে যান চলাচলে বিধিনিষেধ: ২৪ ঘণ্টা যা বন্ধ থাকবে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 723

ছবি; সংগৃহীত

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যানবাহন চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

১২ ফেব্রুয়ারি ২৪ ঘণ্টা যা বন্ধ থাকবে:
সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী, ভোটের দিন অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত নিম্নোক্ত

আরও পড়ুন  কেউ চিরদিন বাঁচে না’—হাসিনা যুগ নিয়ে জয়ের বক্তব্য

যানবাহনগুলো চলাচল করতে পারবে না:
>>ট্যাক্সি ক্যাব
>>পিকআপ
>>মাইক্রোবাস
>>ট্রাক

মোটরসাইকেলের ওপর ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা:
নির্বাচন উপলক্ষে সবচেয়ে দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা থাকছে মোটরসাইকেলের ওপর। ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত (টানা ৩ দিন বা ৭২ ঘণ্টা) সারা দেশে মোটরবাইক চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

যেসব ক্ষেত্রে শিথিলতা থাকবে:
জরুরি পরিষেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু যানবাহন এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে:
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসনের গাড়ি।

অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি।
অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস এবং চিকিৎসা ও ওষুধ সংশ্লিষ্ট যানবাহন।

বিমানবন্দরগামী যাত্রী (পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।

দূরপাল্লার বাস ও বিটিআরসির লাইসেন্সপ্রাপ্ত টেলিকম সেবার গাড়ি।

নির্বাচন কমিশনের স্টিকারযুক্ত সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের যানবাহন।

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টরা একটি করে ছোট গাড়ি (কার, জিপ বা মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা এই নিয়ম শিথিল বা আরও কঠোর করার ক্ষমতা রাখবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোট উপলক্ষে যান চলাচলে বিধিনিষেধ: ২৪ ঘণ্টা যা বন্ধ থাকবে

আপডেট সময় ১২:১৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যানবাহন চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

১২ ফেব্রুয়ারি ২৪ ঘণ্টা যা বন্ধ থাকবে:
সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী, ভোটের দিন অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত নিম্নোক্ত

আরও পড়ুন  মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেছে এফবিআই

যানবাহনগুলো চলাচল করতে পারবে না:
>>ট্যাক্সি ক্যাব
>>পিকআপ
>>মাইক্রোবাস
>>ট্রাক

মোটরসাইকেলের ওপর ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা:
নির্বাচন উপলক্ষে সবচেয়ে দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা থাকছে মোটরসাইকেলের ওপর। ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত (টানা ৩ দিন বা ৭২ ঘণ্টা) সারা দেশে মোটরবাইক চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

যেসব ক্ষেত্রে শিথিলতা থাকবে:
জরুরি পরিষেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু যানবাহন এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে:
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসনের গাড়ি।

অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি।
অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস এবং চিকিৎসা ও ওষুধ সংশ্লিষ্ট যানবাহন।

বিমানবন্দরগামী যাত্রী (পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।

দূরপাল্লার বাস ও বিটিআরসির লাইসেন্সপ্রাপ্ত টেলিকম সেবার গাড়ি।

নির্বাচন কমিশনের স্টিকারযুক্ত সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের যানবাহন।

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টরা একটি করে ছোট গাড়ি (কার, জিপ বা মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা এই নিয়ম শিথিল বা আরও কঠোর করার ক্ষমতা রাখবেন।