ঢাকা ০২:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গ্যাস লিকের বিস্ফোরণ, বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূর মৃত্যু হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল ভারতে আদালতে ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল তরুণ ব্যবসায়ীর সৌদি আরবে ইরানি মিসাইল হামলায় বাংলাদেশিসহ নিহত ২, আহত ১২ গোয়েন্দা তথ্যে ভারতে ফয়সাল গ্রেপ্তার, দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু নতুন জাহাজে জ্বালানি এলেও সীমিত বিক্রি অব্যাহত থাকবে ইরানের ইউরেনিয়াম নিতে স্পেশাল ফোর্স অভিযানের চিন্তা যুক্তরাষ্ট্রের প্যারাগুয়ে দক্ষিণ আমেরিকার শান্ত কিন্তু বৈচিত্র্যময় এক দেশ গভীর রাতে মার্কিন দূতাবাসে বিস্ফোরণ, তদন্তে নরওয়ে পুলিশ মরণোত্তর অদম্য নারী পুরস্কার খালেদা জিয়ার, দাদীর পক্ষে পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

শাহজালাল বিমানবন্দরের অগ্নিকাণ্ডে প্রধান বাধা ছিল বাতাস: ফায়ার ডিজি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 424

ছবি সংগৃহীত

 

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল প্রবল বাতাস—এমন মন্তব্য করেছেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আগুন নেভাতে এসে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়েছিল বাতাসের প্রবাহ। জায়গাটা খোলা থাকায় সেখানে প্রচুর অক্সিজেন ছিল, যা আগুনকে আরও জ্বালিয়ে তুলেছিল। সেই কারণেই আকাশে উঁচু পর্যন্ত ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।”

আরও পড়ুন  হাজারীবাগে আগুনে পুড়ল বহুতল বাণিজ্যিক ভবন

তিনি জানান, দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম শুরু করে। “আমরা যখন পৌঁছাই, তখন এভিয়েশনের নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং গাড়িগুলোও আগুন নেভানোর চেষ্টা করছিল,” বলেন তিনি।

রাত ৯টা ১৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের ডিজি। “এখন আমরা নির্বাপণের কাজ করছি। আগুন আর ছড়ানোর আশঙ্কা নেই,” যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, “এ পর্যন্ত আমাদের দুইজন ফায়ার ফাইটার আহত হয়েছেন। এছাড়া আনসারের কিছু সদস্যও প্রাথমিকভাবে আহত হয়েছেন বলে খবর পেয়েছি, তবে সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত নয়।”

আগুনের উৎস সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে ডিজি বলেন, “আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। তদন্ত শেষে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।”

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়েও তিনি বলেন, “আমরা একদিকে আগুন নেভানোর কাজ করেছি, অন্যদিকে মালামাল সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। কিছু জিনিসপত্র উদ্ধার করা গেছে, তবে ক্ষতির মোট পরিমাণ এখনই নির্ধারণ করা যাচ্ছে না।”

ফায়ার সার্ভিসের তথ্যানুযায়ী, আগুনে প্রায় ৪০০ গজ এলাকার বিভিন্ন খোলা ও বদ্ধ স্টোরে রাখা আমদানি কার্গো পুড়ে গেছে।

অগ্নিকাণ্ডের কারণে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল প্রায় ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল। রাত ৯টা ৬ মিনিটে দুবাই থেকে আগত একটি ফ্লাইট অবতরণের মাধ্যমে বিমানবন্দরের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহজালাল বিমানবন্দরের অগ্নিকাণ্ডে প্রধান বাধা ছিল বাতাস: ফায়ার ডিজি

আপডেট সময় ০১:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

 

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল প্রবল বাতাস—এমন মন্তব্য করেছেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আগুন নেভাতে এসে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়েছিল বাতাসের প্রবাহ। জায়গাটা খোলা থাকায় সেখানে প্রচুর অক্সিজেন ছিল, যা আগুনকে আরও জ্বালিয়ে তুলেছিল। সেই কারণেই আকাশে উঁচু পর্যন্ত ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।”

আরও পড়ুন  খাগড়াছড়িতে কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক্টরের সংঘর্ষে অগ্নিকাণ্ড, আহত ৪

তিনি জানান, দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম শুরু করে। “আমরা যখন পৌঁছাই, তখন এভিয়েশনের নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং গাড়িগুলোও আগুন নেভানোর চেষ্টা করছিল,” বলেন তিনি।

রাত ৯টা ১৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের ডিজি। “এখন আমরা নির্বাপণের কাজ করছি। আগুন আর ছড়ানোর আশঙ্কা নেই,” যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, “এ পর্যন্ত আমাদের দুইজন ফায়ার ফাইটার আহত হয়েছেন। এছাড়া আনসারের কিছু সদস্যও প্রাথমিকভাবে আহত হয়েছেন বলে খবর পেয়েছি, তবে সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত নয়।”

আগুনের উৎস সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে ডিজি বলেন, “আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। তদন্ত শেষে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।”

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়েও তিনি বলেন, “আমরা একদিকে আগুন নেভানোর কাজ করেছি, অন্যদিকে মালামাল সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। কিছু জিনিসপত্র উদ্ধার করা গেছে, তবে ক্ষতির মোট পরিমাণ এখনই নির্ধারণ করা যাচ্ছে না।”

ফায়ার সার্ভিসের তথ্যানুযায়ী, আগুনে প্রায় ৪০০ গজ এলাকার বিভিন্ন খোলা ও বদ্ধ স্টোরে রাখা আমদানি কার্গো পুড়ে গেছে।

অগ্নিকাণ্ডের কারণে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল প্রায় ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল। রাত ৯টা ৬ মিনিটে দুবাই থেকে আগত একটি ফ্লাইট অবতরণের মাধ্যমে বিমানবন্দরের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়।