ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • / 16

ছবি: সংগৃহীত

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়েই সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এই কথা বলেন। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সামগ্রিক পরিবেশের উন্নয়নে সরকারের এই অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে সমাজের সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে, যেখানে সরকার মূলত সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরও জানান, এবারই প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে একমঞ্চে আনা সম্ভব হয়েছে, যা দেশের গণমাধ্যম খাতের জন্য একটি সুদূরপ্রসারী ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এটিকে লক্ষ্য অর্জনের একটি বড় সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরির আশাবাদ ব্যক্ত করেন। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি এই খাতের যেকোনো সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

আরও পড়ুন  জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী ক্ষমতাচ্যুত সরকার: তথ্যমন্ত্রী

একই কর্মশালায় উপস্থিত থেকে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, মানুষ মাত্রই ভুলের ঊর্ধ্বে নয় এবং এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন। সাংবাদিকরা জনস্বার্থে সঠিক ভূমিকা রাখলে সরকারের জন্য সেগুলো সংশোধনের সুযোগ তৈরি হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, গণমাধ্যমের সমালোচনা হতে হবে সম্পূর্ণ তথ্যভিত্তিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। গঠনমূলক সমালোচনার এই চর্চা সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। দিনব্যাপী আয়োজিত এই কর্মশালায় আমন্ত্রিত অংশগ্রহণকারীরা গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা রক্ষা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো কেমন হতে পারে—তা নিয়ে নিজ নিজ মূল্যবান মতামত ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০১:৪৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়েই সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এই কথা বলেন। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সামগ্রিক পরিবেশের উন্নয়নে সরকারের এই অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে সমাজের সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে, যেখানে সরকার মূলত সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরও জানান, এবারই প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে একমঞ্চে আনা সম্ভব হয়েছে, যা দেশের গণমাধ্যম খাতের জন্য একটি সুদূরপ্রসারী ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এটিকে লক্ষ্য অর্জনের একটি বড় সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরির আশাবাদ ব্যক্ত করেন। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি এই খাতের যেকোনো সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

আরও পড়ুন  স্বাস্থ্যসেবায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

একই কর্মশালায় উপস্থিত থেকে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, মানুষ মাত্রই ভুলের ঊর্ধ্বে নয় এবং এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন। সাংবাদিকরা জনস্বার্থে সঠিক ভূমিকা রাখলে সরকারের জন্য সেগুলো সংশোধনের সুযোগ তৈরি হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, গণমাধ্যমের সমালোচনা হতে হবে সম্পূর্ণ তথ্যভিত্তিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। গঠনমূলক সমালোচনার এই চর্চা সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। দিনব্যাপী আয়োজিত এই কর্মশালায় আমন্ত্রিত অংশগ্রহণকারীরা গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা রক্ষা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো কেমন হতে পারে—তা নিয়ে নিজ নিজ মূল্যবান মতামত ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।