ঢাকা ১২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

অবৈধ ৬২ কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ মিলেছে তারিক সিদ্দিকের: দুদক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • / 611

ছবি সংগৃহীত

 

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ৬২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের নামেও ১২২ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “তদন্তে দেশে ও বিদেশে আরও অনেক সম্পদের ইঙ্গিত মিলেছে। যাচাই-বাছাই ও দালিলিক প্রমাণ মিললেই সেগুলোও মামলার আওতায় আনা হবে।”

আরও পড়ুন  অধ্যাপক ইউনূসসহ ৭ জনের আপিল মঞ্জুর, দুদকের মামলা খারিজ

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরের বাঙ্গালগাছ এলাকায় তারিক সিদ্দিক নির্মাণ করেছেন ‘বাগানবিলাস’ নামে একটি বিলাসবহুল বাগানবাড়ি। একই জেলার ফাওকাল এলাকাতেও রয়েছে তার ডুপ্লেক্স ভবনসহ বিশাল সম্পত্তি।

শুধু গাজীপুরেই নয়, রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতেও তার নামে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে জমি ও বাড়ির মালিকানা রয়েছে। বারিধারা আবাসিক এলাকার পার্ক ভ্যালিতে রয়েছে একটি ফ্ল্যাট, আর বারিধারা ডিওএইচএসে রয়েছে সাততলা বিশিষ্ট একটি বাড়ি।

দুদক জানায়, তারিক সিদ্দিকের পরিবারের নামে প্রচুর সম্পদের তথ্য থাকলেও এখন পর্যন্ত দালিলিক প্রমাণে ৬২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি ১২২ কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি নজরে এসেছে।

এছাড়া বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের নামে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এরইমধ্যে তারিক সিদ্দিকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলাও করা হয়েছে।

দুদকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, “সম্পদের উৎস ও বৈধতা যাচাইয়ের পর প্রতিটি মামলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কমিশনের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর।”

এদিকে, উচ্চ পর্যায়ের এই সাবেক কর্মকর্তার এমন দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী মামলার পরিধি আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অবৈধ ৬২ কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ মিলেছে তারিক সিদ্দিকের: দুদক

আপডেট সময় ০৭:২১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

 

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ৬২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের নামেও ১২২ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “তদন্তে দেশে ও বিদেশে আরও অনেক সম্পদের ইঙ্গিত মিলেছে। যাচাই-বাছাই ও দালিলিক প্রমাণ মিললেই সেগুলোও মামলার আওতায় আনা হবে।”

আরও পড়ুন  দুর্নীতির মামলায় বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান ও স্ত্রী খালাস

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরের বাঙ্গালগাছ এলাকায় তারিক সিদ্দিক নির্মাণ করেছেন ‘বাগানবিলাস’ নামে একটি বিলাসবহুল বাগানবাড়ি। একই জেলার ফাওকাল এলাকাতেও রয়েছে তার ডুপ্লেক্স ভবনসহ বিশাল সম্পত্তি।

শুধু গাজীপুরেই নয়, রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতেও তার নামে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে জমি ও বাড়ির মালিকানা রয়েছে। বারিধারা আবাসিক এলাকার পার্ক ভ্যালিতে রয়েছে একটি ফ্ল্যাট, আর বারিধারা ডিওএইচএসে রয়েছে সাততলা বিশিষ্ট একটি বাড়ি।

দুদক জানায়, তারিক সিদ্দিকের পরিবারের নামে প্রচুর সম্পদের তথ্য থাকলেও এখন পর্যন্ত দালিলিক প্রমাণে ৬২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি ১২২ কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি নজরে এসেছে।

এছাড়া বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের নামে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এরইমধ্যে তারিক সিদ্দিকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলাও করা হয়েছে।

দুদকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, “সম্পদের উৎস ও বৈধতা যাচাইয়ের পর প্রতিটি মামলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কমিশনের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর।”

এদিকে, উচ্চ পর্যায়ের এই সাবেক কর্মকর্তার এমন দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী মামলার পরিধি আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।