ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / 74

ছবি সংগৃহীত

 

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. এম এ মোমেন ও অপর দুই কমিশনারের পদত্যাগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে তারা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়াতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দিনের শুরুতে তারা যথারীতি কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিতে স্বাক্ষর সম্পন্ন করেন।

পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে ড. এম এ মোমেন গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে তারা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যাচ্ছেন। সেখানে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হলে কমিশনে ফিরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

আরও পড়ুন  পূর্বাচল শহর প্রকল্পে শেখ পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অভিযোগ: ৬টি মামলায় চার্জশিট অনুমোদন

দুদক চেয়ারম্যান জানান, প্রচলিত বিধান অনুযায়ী পদত্যাগ করতে হলে রাষ্ট্রপতিকে সম্বোধন করে এক মাস আগে অবহিত করতে হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত হবে, তা আলোচনার পরই স্পষ্ট হবে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ১২ ডিসেম্বর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব ড. এম এ মোমেনকে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেয়। এর আগে ১০ ডিসেম্বর কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী (তদন্ত) এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ (অনুসন্ধান)। তারা যথাক্রমে ১১ ও ১৫ ডিসেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার দুর্নীতি দমন ব্যুরো বিলুপ্ত করে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করে। পরবর্তী সময়ে ২০০৭ সালে জরুরি সরকারের সময় কমিশনে নেতৃত্ব পরিবর্তন হয়। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে জরুরি সরকারের নিয়োগ দেওয়া কমিশন পুনর্গঠন করে। তখনকার চেয়ারম্যান লে. জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরী পদত্যাগের জন্য তিন মাস সময় পান।

২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে ধারাবাহিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।

নিউজটি শেয়ার করুন

দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ

আপডেট সময় ০৪:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

 

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. এম এ মোমেন ও অপর দুই কমিশনারের পদত্যাগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে তারা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়াতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দিনের শুরুতে তারা যথারীতি কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিতে স্বাক্ষর সম্পন্ন করেন।

পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে ড. এম এ মোমেন গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে তারা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যাচ্ছেন। সেখানে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হলে কমিশনে ফিরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

আরও পড়ুন  প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করছেন না, দায়িত্বে থাকছেন: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

দুদক চেয়ারম্যান জানান, প্রচলিত বিধান অনুযায়ী পদত্যাগ করতে হলে রাষ্ট্রপতিকে সম্বোধন করে এক মাস আগে অবহিত করতে হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত হবে, তা আলোচনার পরই স্পষ্ট হবে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ১২ ডিসেম্বর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব ড. এম এ মোমেনকে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেয়। এর আগে ১০ ডিসেম্বর কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী (তদন্ত) এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ (অনুসন্ধান)। তারা যথাক্রমে ১১ ও ১৫ ডিসেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার দুর্নীতি দমন ব্যুরো বিলুপ্ত করে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করে। পরবর্তী সময়ে ২০০৭ সালে জরুরি সরকারের সময় কমিশনে নেতৃত্ব পরিবর্তন হয়। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে জরুরি সরকারের নিয়োগ দেওয়া কমিশন পুনর্গঠন করে। তখনকার চেয়ারম্যান লে. জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরী পদত্যাগের জন্য তিন মাস সময় পান।

২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে ধারাবাহিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।