ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / 173

ছবি সংগৃহীত

 

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. এম এ মোমেন ও অপর দুই কমিশনারের পদত্যাগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে তারা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়াতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দিনের শুরুতে তারা যথারীতি কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিতে স্বাক্ষর সম্পন্ন করেন।

পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে ড. এম এ মোমেন গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে তারা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যাচ্ছেন। সেখানে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হলে কমিশনে ফিরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

আরও পড়ুন  ৩৬ জেলা ও উপজেলায় এলজিইডির কার্যালয়ে দুদকের একযোগে অভিযান

দুদক চেয়ারম্যান জানান, প্রচলিত বিধান অনুযায়ী পদত্যাগ করতে হলে রাষ্ট্রপতিকে সম্বোধন করে এক মাস আগে অবহিত করতে হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত হবে, তা আলোচনার পরই স্পষ্ট হবে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ১২ ডিসেম্বর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব ড. এম এ মোমেনকে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেয়। এর আগে ১০ ডিসেম্বর কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী (তদন্ত) এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ (অনুসন্ধান)। তারা যথাক্রমে ১১ ও ১৫ ডিসেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার দুর্নীতি দমন ব্যুরো বিলুপ্ত করে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করে। পরবর্তী সময়ে ২০০৭ সালে জরুরি সরকারের সময় কমিশনে নেতৃত্ব পরিবর্তন হয়। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে জরুরি সরকারের নিয়োগ দেওয়া কমিশন পুনর্গঠন করে। তখনকার চেয়ারম্যান লে. জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরী পদত্যাগের জন্য তিন মাস সময় পান।

২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে ধারাবাহিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।

নিউজটি শেয়ার করুন

দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ

আপডেট সময় ০৪:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

 

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. এম এ মোমেন ও অপর দুই কমিশনারের পদত্যাগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে তারা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়াতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দিনের শুরুতে তারা যথারীতি কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিতে স্বাক্ষর সম্পন্ন করেন।

পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে ড. এম এ মোমেন গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে তারা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যাচ্ছেন। সেখানে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হলে কমিশনে ফিরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

আরও পড়ুন  জাভেদ জারিফের পদত্যাগ: ইরান সরকারের নতুন অধ্যায়ের সূচনা

দুদক চেয়ারম্যান জানান, প্রচলিত বিধান অনুযায়ী পদত্যাগ করতে হলে রাষ্ট্রপতিকে সম্বোধন করে এক মাস আগে অবহিত করতে হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত হবে, তা আলোচনার পরই স্পষ্ট হবে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ১২ ডিসেম্বর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব ড. এম এ মোমেনকে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেয়। এর আগে ১০ ডিসেম্বর কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী (তদন্ত) এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ (অনুসন্ধান)। তারা যথাক্রমে ১১ ও ১৫ ডিসেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার দুর্নীতি দমন ব্যুরো বিলুপ্ত করে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করে। পরবর্তী সময়ে ২০০৭ সালে জরুরি সরকারের সময় কমিশনে নেতৃত্ব পরিবর্তন হয়। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে জরুরি সরকারের নিয়োগ দেওয়া কমিশন পুনর্গঠন করে। তখনকার চেয়ারম্যান লে. জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরী পদত্যাগের জন্য তিন মাস সময় পান।

২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে ধারাবাহিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।