ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

ইউনূস-তারেক বৈঠকে আপত্তি একটি দলের, মন্তব্য মির্জা ফখরুলের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:২১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 217

ছবি সংগৃহীত

 

লন্ডনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঐতিহাসিক বৈঠক নিয়ে একটি দলের আপত্তি থাকায় তারা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (১৮ জুন) রাজধানীর উত্তরায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যপদ নবায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন  আজ বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক, প্রথম দলে এলডিপি

ফখরুল বলেন, “নির্বাচনের তারিখ নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হলে, ড. ইউনূসের আমন্ত্রণে তারেক রহমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। এই বৈঠক একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। সেখানে দুই নেতা সংঘর্ষের পথ না নিয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির বিষয়ে একমত হন। এটি রাষ্ট্রনায়কোচিত সিদ্ধান্ত। দেশের মানুষও এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।”

তবে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “একটি দল এই বৈঠককে পছন্দ করেনি বলেই জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে অংশ নেয়নি। তারা এখন গুরুত্বপূর্ণ মনে করলেও, যখন নির্বাচন হবে এবং নতুন সরকার গঠিত হবে, তখন তাদের গুরুত্ব আর থাকবে না। এই আশঙ্কা থেকেই তারা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।”

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করতে চাই না। মানুষকে ভয় দেখিয়ে, জোর করে অধিকার হরণ করে রাজনীতি করতে চাই না। যারা এমন করে, তারা আসলে আওয়ামী লীগের চরিত্র ধারণ করছে এটা আমাদের দলে চলবে না। মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে হবে, সেটাই বিএনপির নির্দেশ।”

দলীয় সদস্য সংগ্রহ নিয়েও কঠোর বার্তা দেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, “আমরা আওয়ামী লীগ থেকে কাউকে নেব না, তবে যারা ভালো মানুষ, তারা যদি আগ্রহ দেখায় তাদের বাদও দেওয়া যাবে না। আওয়ামী লীগের প্রমাণিত মাফিয়া, দখলদার, দুর্নীতিবাজদের দলে নেওয়া যাবে না। তবে যারা রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না, কিন্তু ভালো মানুষ তাদের বেছে নিয়ে দলে সংযুক্ত করতে হবে।”
\
এই সদস্যপদ নবায়নের মাধ্যমে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন দলের মহাসচিব।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউনূস-তারেক বৈঠকে আপত্তি একটি দলের, মন্তব্য মির্জা ফখরুলের

আপডেট সময় ০৫:২১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

 

লন্ডনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঐতিহাসিক বৈঠক নিয়ে একটি দলের আপত্তি থাকায় তারা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (১৮ জুন) রাজধানীর উত্তরায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যপদ নবায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন  নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছে জামায়াত

ফখরুল বলেন, “নির্বাচনের তারিখ নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হলে, ড. ইউনূসের আমন্ত্রণে তারেক রহমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। এই বৈঠক একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। সেখানে দুই নেতা সংঘর্ষের পথ না নিয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির বিষয়ে একমত হন। এটি রাষ্ট্রনায়কোচিত সিদ্ধান্ত। দেশের মানুষও এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।”

তবে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “একটি দল এই বৈঠককে পছন্দ করেনি বলেই জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে অংশ নেয়নি। তারা এখন গুরুত্বপূর্ণ মনে করলেও, যখন নির্বাচন হবে এবং নতুন সরকার গঠিত হবে, তখন তাদের গুরুত্ব আর থাকবে না। এই আশঙ্কা থেকেই তারা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।”

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করতে চাই না। মানুষকে ভয় দেখিয়ে, জোর করে অধিকার হরণ করে রাজনীতি করতে চাই না। যারা এমন করে, তারা আসলে আওয়ামী লীগের চরিত্র ধারণ করছে এটা আমাদের দলে চলবে না। মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে হবে, সেটাই বিএনপির নির্দেশ।”

দলীয় সদস্য সংগ্রহ নিয়েও কঠোর বার্তা দেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, “আমরা আওয়ামী লীগ থেকে কাউকে নেব না, তবে যারা ভালো মানুষ, তারা যদি আগ্রহ দেখায় তাদের বাদও দেওয়া যাবে না। আওয়ামী লীগের প্রমাণিত মাফিয়া, দখলদার, দুর্নীতিবাজদের দলে নেওয়া যাবে না। তবে যারা রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না, কিন্তু ভালো মানুষ তাদের বেছে নিয়ে দলে সংযুক্ত করতে হবে।”
\
এই সদস্যপদ নবায়নের মাধ্যমে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন দলের মহাসচিব।