ঢাকা ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

বাংলাদেশে উৎপাদন কেন্দ্র তৈরিতে চীনা উদ্যোক্তাদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / 515

ছবি সংগৃহীত

 

 

বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আরও পড়ুন  ভারত নদীর পাড়ে,জঙ্গলে মানুষ ফেলে যাচ্ছে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

রোববার (১ জুন) রাজধানীর মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত চীন-বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। দিনব্যাপী এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা।

চীনা বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, জ্বালানি, কৃষি, পাট ও তথ্যপ্রযুক্তি। এসব খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনারা বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে রূপান্তরিত করতে পারেন।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মোট জনশক্তির অর্ধেকের বয়স ৩০ বছরের নিচে। এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী কাজের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তাদের কর্মে লাগানোর জন্য এখনই সময়। চীনা বিনিয়োগকারীরা এখানে এসে এই মানবসম্পদকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারবেন।”

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ধন্যবাদ জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশের ডাকে সাড়া দিয়ে উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল পাঠানোয় আমরা চীনের প্রেসিডেন্টের প্রতি কৃতজ্ঞ। এটি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নেবে।”

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় অংশীদার হতে চীনা ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানানো হচ্ছে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার যাত্রায় চীনা বিনিয়োগ হবে এক গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি।

ড. ইউনূস তার বক্তব্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের দিকগুলোকেও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বর্তমান সরকারের নেওয়া নীতিমালা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করেছে।”

সম্মেলনের আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে চীনা উদ্যোক্তাদের কাছে বাংলাদেশের শিল্প, কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে। সম্মেলনে অংশ নেওয়া চীনা প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে উৎপাদন কেন্দ্র তৈরিতে চীনা উদ্যোক্তাদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

আপডেট সময় ০২:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

 

 

বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আরও পড়ুন  শিক্ষকদের জন্য বড় ঘোষণা, বাড়ছে ভাতা: বিদায়ী উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদের গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য

রোববার (১ জুন) রাজধানীর মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত চীন-বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। দিনব্যাপী এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা।

চীনা বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, জ্বালানি, কৃষি, পাট ও তথ্যপ্রযুক্তি। এসব খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনারা বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে রূপান্তরিত করতে পারেন।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মোট জনশক্তির অর্ধেকের বয়স ৩০ বছরের নিচে। এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী কাজের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তাদের কর্মে লাগানোর জন্য এখনই সময়। চীনা বিনিয়োগকারীরা এখানে এসে এই মানবসম্পদকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারবেন।”

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ধন্যবাদ জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশের ডাকে সাড়া দিয়ে উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল পাঠানোয় আমরা চীনের প্রেসিডেন্টের প্রতি কৃতজ্ঞ। এটি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নেবে।”

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় অংশীদার হতে চীনা ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানানো হচ্ছে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার যাত্রায় চীনা বিনিয়োগ হবে এক গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি।

ড. ইউনূস তার বক্তব্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের দিকগুলোকেও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বর্তমান সরকারের নেওয়া নীতিমালা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করেছে।”

সম্মেলনের আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে চীনা উদ্যোক্তাদের কাছে বাংলাদেশের শিল্প, কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে। সম্মেলনে অংশ নেওয়া চীনা প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।