ঢাকা ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

বাংলাদেশে উৎপাদন কেন্দ্র তৈরিতে চীনা উদ্যোক্তাদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / 209

ছবি সংগৃহীত

 

 

বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আরও পড়ুন  শিগগিরই ভোটের তারিখ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন: নিরাপত্তা উপদেষ্টা

রোববার (১ জুন) রাজধানীর মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত চীন-বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। দিনব্যাপী এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা।

চীনা বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, জ্বালানি, কৃষি, পাট ও তথ্যপ্রযুক্তি। এসব খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনারা বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে রূপান্তরিত করতে পারেন।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মোট জনশক্তির অর্ধেকের বয়স ৩০ বছরের নিচে। এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী কাজের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তাদের কর্মে লাগানোর জন্য এখনই সময়। চীনা বিনিয়োগকারীরা এখানে এসে এই মানবসম্পদকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারবেন।”

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ধন্যবাদ জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশের ডাকে সাড়া দিয়ে উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল পাঠানোয় আমরা চীনের প্রেসিডেন্টের প্রতি কৃতজ্ঞ। এটি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নেবে।”

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় অংশীদার হতে চীনা ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানানো হচ্ছে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার যাত্রায় চীনা বিনিয়োগ হবে এক গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি।

ড. ইউনূস তার বক্তব্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের দিকগুলোকেও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বর্তমান সরকারের নেওয়া নীতিমালা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করেছে।”

সম্মেলনের আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে চীনা উদ্যোক্তাদের কাছে বাংলাদেশের শিল্প, কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে। সম্মেলনে অংশ নেওয়া চীনা প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে উৎপাদন কেন্দ্র তৈরিতে চীনা উদ্যোক্তাদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

আপডেট সময় ০২:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

 

 

বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আরও পড়ুন  প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি, কার্যক্রম শুরু ১৫ ফেব্রুয়ারি

রোববার (১ জুন) রাজধানীর মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত চীন-বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। দিনব্যাপী এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা।

চীনা বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, জ্বালানি, কৃষি, পাট ও তথ্যপ্রযুক্তি। এসব খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনারা বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে রূপান্তরিত করতে পারেন।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মোট জনশক্তির অর্ধেকের বয়স ৩০ বছরের নিচে। এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী কাজের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তাদের কর্মে লাগানোর জন্য এখনই সময়। চীনা বিনিয়োগকারীরা এখানে এসে এই মানবসম্পদকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারবেন।”

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ধন্যবাদ জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশের ডাকে সাড়া দিয়ে উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল পাঠানোয় আমরা চীনের প্রেসিডেন্টের প্রতি কৃতজ্ঞ। এটি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নেবে।”

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় অংশীদার হতে চীনা ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানানো হচ্ছে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার যাত্রায় চীনা বিনিয়োগ হবে এক গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি।

ড. ইউনূস তার বক্তব্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের দিকগুলোকেও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বর্তমান সরকারের নেওয়া নীতিমালা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করেছে।”

সম্মেলনের আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে চীনা উদ্যোক্তাদের কাছে বাংলাদেশের শিল্প, কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে। সম্মেলনে অংশ নেওয়া চীনা প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।