ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক’ গঠনের প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৮:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫
  • / 423

ছবি: সংগৃহীত

 

ক্ষুদ্রঋণের সাফল্য তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তরুণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এজন্য তিনি ‘মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি’ আইন করার প্রস্তাব দেন।

শনিবার (১৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) নতুন ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এই ব্যাংক প্রচলিত ব্যাংকগুলোর মতো হবে না; এটি বিশ্বাস ও আস্থার ভিত্তিতে পরিচালিত হবে এবং এখানে ঋণের জন্য জামানত লাগবে না। ব্যাংকের প্রধান উদ্দেশ্য হবে সামাজিক ব্যবসাকে সম্প্রসারিত করা।

আরও পড়ুন  ভবিষ্যতে যারা আসবেন, অতীত থেকে শিক্ষা নেবেন : উপদেষ্টা সাখাওয়াত

তিনি আরও বলেন, “মানুষ মাত্রই উদ্যোক্তা। আমরা ব্যাংকের মাধ্যমে উদ্যোক্তা হওয়ার সরঞ্জাম তাদের হাতে তুলে দেব। বিনিয়োগের টাকা পেলে বিশেষ করে তরুণরা নিজের বুদ্ধি দিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারবে।”

ক্ষুদ্রঋণের সাফল্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণকারীরা কেউ টাকা নিয়ে পালায়নি, অথচ প্রচলিত ব্যাংকগুলোর অনেকেই হাওয়া হয়ে গেছে। তাই আমাদের প্রকৃত ব্যাংকের দিকে নজর দিতে হবে—যার ওপর মানুষ বিশ্বাস ও আস্থা রাখে, যেমন ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক’।

অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশে মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি গঠনের ইতিহাসও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এমআরএ কেবল বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণের জন্য নয় বরং বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্যও ইতিবাচক কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. এম আনিসুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক’ গঠনের প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার

আপডেট সময় ০৩:২৮:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

 

ক্ষুদ্রঋণের সাফল্য তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তরুণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এজন্য তিনি ‘মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি’ আইন করার প্রস্তাব দেন।

শনিবার (১৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) নতুন ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এই ব্যাংক প্রচলিত ব্যাংকগুলোর মতো হবে না; এটি বিশ্বাস ও আস্থার ভিত্তিতে পরিচালিত হবে এবং এখানে ঋণের জন্য জামানত লাগবে না। ব্যাংকের প্রধান উদ্দেশ্য হবে সামাজিক ব্যবসাকে সম্প্রসারিত করা।

আরও পড়ুন  শ্রমিক-মালিকের ঐক্যই নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবিকাঠি: প্রধান উপদেষ্টা

তিনি আরও বলেন, “মানুষ মাত্রই উদ্যোক্তা। আমরা ব্যাংকের মাধ্যমে উদ্যোক্তা হওয়ার সরঞ্জাম তাদের হাতে তুলে দেব। বিনিয়োগের টাকা পেলে বিশেষ করে তরুণরা নিজের বুদ্ধি দিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারবে।”

ক্ষুদ্রঋণের সাফল্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণকারীরা কেউ টাকা নিয়ে পালায়নি, অথচ প্রচলিত ব্যাংকগুলোর অনেকেই হাওয়া হয়ে গেছে। তাই আমাদের প্রকৃত ব্যাংকের দিকে নজর দিতে হবে—যার ওপর মানুষ বিশ্বাস ও আস্থা রাখে, যেমন ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক’।

অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশে মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি গঠনের ইতিহাসও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এমআরএ কেবল বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণের জন্য নয় বরং বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্যও ইতিবাচক কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. এম আনিসুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।