০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় বক্তব্যরত অবস্থায় জামায়াতের জেলা আমীরের মৃত্যু বাংলাদেশিদের জন্য ভিসায় বন্ড বাধ্যতামূলক করল যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনী নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য, ডগ স্কোয়াড ও ড্রোন নজরদারি ঘুমের ঘোরে কথা বলা; মনের কথা নাকি মস্তিষ্কের বিশেষ আচরণ? খুলনায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিপক্ষে মার্কিন জনগণ স্পেনে দুই হাইস্পিড ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ২১ আলিফ হত্যা মামলার শুনানিতে চিন্ময় কৃষ্ণসহ ২৩ আসামি আদালতে জনসম্মুখে প্রথমবার বক্তব্য রাখলেন জাইমা রহমান হৃদয় ম্যাজিকে রংপুরের জয়, এক ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরি

গুম প্রতিরোধে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠন করা হবে: আইন উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
  • / 75

ছবি: সংগৃৃহীত

 

গুম প্রতিরোধে একটি শক্তিশালী ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

শনিবার (১০ মে) রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ (দ্বিতীয় খসড়া) বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।

[bsa_pro_ad_space id=2]

মতবিনিময় সভায় আইন উপদেষ্টা বলেন, “ফরহাদ ভাই (ফরহাদ মজহার) বারবার ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। আমি তার সঙ্গে একমত। এই ধরনের একটি কমিশন আমাদের দেশে অনেক আগেই থাকা উচিত ছিল। যদি ১৯৭২ সাল থেকেই এমন কমিশন গঠিত হতো, তাহলে অনেক সমস্যার পেশাদার সমাধান সম্ভব হতো।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠন করতে চাই, যাতে অতীতের গুম সংক্রান্ত অভিযোগগুলো যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায় এবং ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পান।”

পরবর্তী সরকার এই আইন ও কমিশনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে কি না—এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে আসিফ নজরুল বলেন, “আমরা জানি না আগামীতে যারা সরকারে আসবে তারা এই বিষয়ে কতটা আন্তরিক থাকবে। এমনকি তারা যদি গুম সংক্রান্ত কোনো আইন করেও, সেটি কতটা শক্তিশালী হবে, তাও নিশ্চিত নয়। তাই আমরা এখন থেকেই এটিকে যথেষ্ট শক্তিশালীভাবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।”

তিনি জানান, বর্তমান খসড়ায় একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যা গুম সংক্রান্ত প্রতিটি অভিযোগ স্বাধীনভাবে তদন্ত করবে এবং সুপারিশমালা প্রদান করবে। এছাড়া আইনি প্রক্রিয়া সহজ, নিরপেক্ষ এবং মানবাধিকারের মানদণ্ডে উন্নীত করার লক্ষ্যও রয়েছে এই আইনে।

সভায় বিভিন্ন মানবাধিকার কর্মী, আইনজীবী, গবেষক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। তারা গুম প্রতিরোধে আইন ও কমিশন গঠনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং আরো কিছু পরামর্শ তুলে ধরেন।

এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের মানবাধিকার রক্ষায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

গুম প্রতিরোধে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠন করা হবে: আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৭:০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

 

গুম প্রতিরোধে একটি শক্তিশালী ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

শনিবার (১০ মে) রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ (দ্বিতীয় খসড়া) বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।

[bsa_pro_ad_space id=2]

মতবিনিময় সভায় আইন উপদেষ্টা বলেন, “ফরহাদ ভাই (ফরহাদ মজহার) বারবার ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। আমি তার সঙ্গে একমত। এই ধরনের একটি কমিশন আমাদের দেশে অনেক আগেই থাকা উচিত ছিল। যদি ১৯৭২ সাল থেকেই এমন কমিশন গঠিত হতো, তাহলে অনেক সমস্যার পেশাদার সমাধান সম্ভব হতো।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠন করতে চাই, যাতে অতীতের গুম সংক্রান্ত অভিযোগগুলো যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায় এবং ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পান।”

পরবর্তী সরকার এই আইন ও কমিশনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে কি না—এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে আসিফ নজরুল বলেন, “আমরা জানি না আগামীতে যারা সরকারে আসবে তারা এই বিষয়ে কতটা আন্তরিক থাকবে। এমনকি তারা যদি গুম সংক্রান্ত কোনো আইন করেও, সেটি কতটা শক্তিশালী হবে, তাও নিশ্চিত নয়। তাই আমরা এখন থেকেই এটিকে যথেষ্ট শক্তিশালীভাবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।”

তিনি জানান, বর্তমান খসড়ায় একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যা গুম সংক্রান্ত প্রতিটি অভিযোগ স্বাধীনভাবে তদন্ত করবে এবং সুপারিশমালা প্রদান করবে। এছাড়া আইনি প্রক্রিয়া সহজ, নিরপেক্ষ এবং মানবাধিকারের মানদণ্ডে উন্নীত করার লক্ষ্যও রয়েছে এই আইনে।

সভায় বিভিন্ন মানবাধিকার কর্মী, আইনজীবী, গবেষক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। তারা গুম প্রতিরোধে আইন ও কমিশন গঠনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং আরো কিছু পরামর্শ তুলে ধরেন।

এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের মানবাধিকার রক্ষায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।