ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

কাঠামোগত সংস্কারে জোর, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়ার আহ্বান আলী রীয়াজের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • / 481

ছবি: সংগৃহীত

 

জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কাঠামোগত পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি উল্লেখ করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, “আমরা যদি কাঠামোগত সংস্কারের মধ্য দিয়ে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়তে পারি, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বাংলাদেশকে একটি আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করবে।”

বৃহস্পতিবার (৮ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ভাসানী জনশক্তি পার্টির সঙ্গে সংস্কার আলোচনার সূচনা বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। আলোচনায় অংশ নেয়া ভাসানী জনশক্তি পার্টির ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল।

আরও পড়ুন  চলতি সপ্তাহের আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি আনতে চায় কমিশন: আলী রীয়াজ

অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, “লাখো মানুষের আত্মত্যাগে অর্জিত গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ যেন আর কখনও প্রাণ দিয়ে অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে না হয়। সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।” তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলে দেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের ধারা সূচিত হবে।”

ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, ভবিষ্যৎ স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ রুখতে হলে কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। সেই সংস্কারের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তর সম্ভব।” তিনি জানান, কমিশনের প্রস্তাবিত ১৬৬টি সংস্কার সুপারিশের মধ্যে ১২৯টির প্রতি ইতিবাচক মত দিয়েছে তার দল।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, প্রশাসনিক কাঠামো ও বিচার ব্যবস্থার পুনর্গঠন ছাড়া প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যে ঐকমত্য সৃষ্টি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণের বিকল্প নেই।

এদিনের বৈঠকটি সংস্কার আলোচনার অংশ হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও এ ধরনের সংলাপ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কাঠামোগত সংস্কারে জোর, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়ার আহ্বান আলী রীয়াজের

আপডেট সময় ০৩:৫১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

 

জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কাঠামোগত পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি উল্লেখ করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, “আমরা যদি কাঠামোগত সংস্কারের মধ্য দিয়ে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়তে পারি, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বাংলাদেশকে একটি আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করবে।”

বৃহস্পতিবার (৮ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ভাসানী জনশক্তি পার্টির সঙ্গে সংস্কার আলোচনার সূচনা বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। আলোচনায় অংশ নেয়া ভাসানী জনশক্তি পার্টির ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল।

আরও পড়ুন  রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে সংশোধনী প্রস্তাব আনছে ঐকমত্য কমিশন: আলী রীয়াজ

অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, “লাখো মানুষের আত্মত্যাগে অর্জিত গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ যেন আর কখনও প্রাণ দিয়ে অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে না হয়। সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।” তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলে দেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের ধারা সূচিত হবে।”

ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, ভবিষ্যৎ স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ রুখতে হলে কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। সেই সংস্কারের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তর সম্ভব।” তিনি জানান, কমিশনের প্রস্তাবিত ১৬৬টি সংস্কার সুপারিশের মধ্যে ১২৯টির প্রতি ইতিবাচক মত দিয়েছে তার দল।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, প্রশাসনিক কাঠামো ও বিচার ব্যবস্থার পুনর্গঠন ছাড়া প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যে ঐকমত্য সৃষ্টি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণের বিকল্প নেই।

এদিনের বৈঠকটি সংস্কার আলোচনার অংশ হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও এ ধরনের সংলাপ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।