ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

কাঠামোগত সংস্কারে জোর, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়ার আহ্বান আলী রীয়াজের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • / 208

ছবি: সংগৃহীত

 

জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কাঠামোগত পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি উল্লেখ করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, “আমরা যদি কাঠামোগত সংস্কারের মধ্য দিয়ে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়তে পারি, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বাংলাদেশকে একটি আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করবে।”

বৃহস্পতিবার (৮ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ভাসানী জনশক্তি পার্টির সঙ্গে সংস্কার আলোচনার সূচনা বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। আলোচনায় অংশ নেয়া ভাসানী জনশক্তি পার্টির ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রে স্বচ্ছতা আনতে সব প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহির তাগিদ আলী রীয়াজের

অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, “লাখো মানুষের আত্মত্যাগে অর্জিত গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ যেন আর কখনও প্রাণ দিয়ে অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে না হয়। সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।” তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলে দেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের ধারা সূচিত হবে।”

ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, ভবিষ্যৎ স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ রুখতে হলে কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। সেই সংস্কারের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তর সম্ভব।” তিনি জানান, কমিশনের প্রস্তাবিত ১৬৬টি সংস্কার সুপারিশের মধ্যে ১২৯টির প্রতি ইতিবাচক মত দিয়েছে তার দল।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, প্রশাসনিক কাঠামো ও বিচার ব্যবস্থার পুনর্গঠন ছাড়া প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যে ঐকমত্য সৃষ্টি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণের বিকল্প নেই।

এদিনের বৈঠকটি সংস্কার আলোচনার অংশ হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও এ ধরনের সংলাপ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কাঠামোগত সংস্কারে জোর, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়ার আহ্বান আলী রীয়াজের

আপডেট সময় ০৩:৫১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

 

জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কাঠামোগত পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি উল্লেখ করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, “আমরা যদি কাঠামোগত সংস্কারের মধ্য দিয়ে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়তে পারি, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বাংলাদেশকে একটি আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করবে।”

বৃহস্পতিবার (৮ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ভাসানী জনশক্তি পার্টির সঙ্গে সংস্কার আলোচনার সূচনা বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। আলোচনায় অংশ নেয়া ভাসানী জনশক্তি পার্টির ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল।

আরও পড়ুন  নারীদের সমমর্যাদা প্রতিষ্ঠা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: ড. আলী রীয়াজ

অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, “লাখো মানুষের আত্মত্যাগে অর্জিত গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ যেন আর কখনও প্রাণ দিয়ে অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে না হয়। সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।” তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলে দেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের ধারা সূচিত হবে।”

ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, ভবিষ্যৎ স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ রুখতে হলে কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। সেই সংস্কারের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তর সম্ভব।” তিনি জানান, কমিশনের প্রস্তাবিত ১৬৬টি সংস্কার সুপারিশের মধ্যে ১২৯টির প্রতি ইতিবাচক মত দিয়েছে তার দল।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, প্রশাসনিক কাঠামো ও বিচার ব্যবস্থার পুনর্গঠন ছাড়া প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যে ঐকমত্য সৃষ্টি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণের বিকল্প নেই।

এদিনের বৈঠকটি সংস্কার আলোচনার অংশ হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও এ ধরনের সংলাপ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।