ঢাকা ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

বিশেষ বিসিএস এর মাধ্যমে দুই হাজার নতুন চিকিৎসক নিয়োগের ঘোষণা স্বাস্থ্য উপদেষ্টার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • / 408

ছবি সংগৃহীত

 

দেশে চিকিৎসক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে প্রায় আট হাজার চিকিৎসকের ঘাটতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। তিনি জানান, এই সংকট দূর করতে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে।

আজ সোমবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য দেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রেলওয়ের ১০টি হাসপাতাল সাধারণ জনগণের জন্য খুলে দিতে রেলপথ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

আরও পড়ুন  ৪৮তম বিশেষ বিসিএস: ৫২০৬ জন উত্তীর্ণ

চুক্তি অনুযায়ী, রেলওয়ের এসব হাসপাতাল যৌথ ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হবে এবং ধাপে ধাপে সেগুলো সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। বর্তমানে রেলওয়ের অধীনে থাকা ১০টি হাসপাতালের মোট শয্যাসংখ্যা ৪৩১টি। এতদিন এসব হাসপাতাল কেবল রেলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্যই সংরক্ষিত ছিল। তবে এবার সেবার পরিধি বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল আগামী সপ্তাহেই রেলের হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করবে। তারা দেখে আসবে কোথায় কোথায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন, এবং সেই অনুযায়ী রিপোর্ট প্রদান করবে। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, “স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্টের ভিত্তিতেই অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু হবে।”

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, “এখনই রেল হাসপাতালগুলোকে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব নয়। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে জনসাধারণ যেন চিকিৎসাসেবা পায়, সে লক্ষ্যেই কাজ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি নীতিমালা তৈরির কাজ করছে, যার ভিত্তিতে এই হাসপাতালগুলো পরিচালনা করা হবে।”

তিনি আরও জানান, স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে রেল হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত ও জনগণের জন্য সহজলভ্য করে তোলা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশেষ বিসিএস এর মাধ্যমে দুই হাজার নতুন চিকিৎসক নিয়োগের ঘোষণা স্বাস্থ্য উপদেষ্টার

আপডেট সময় ০৬:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

 

দেশে চিকিৎসক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে প্রায় আট হাজার চিকিৎসকের ঘাটতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। তিনি জানান, এই সংকট দূর করতে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে।

আজ সোমবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য দেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রেলওয়ের ১০টি হাসপাতাল সাধারণ জনগণের জন্য খুলে দিতে রেলপথ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

আরও পড়ুন  বিসিএস পরীক্ষা: বিক্ষোভের সময় পরিবর্তন করলো জামায়াত

চুক্তি অনুযায়ী, রেলওয়ের এসব হাসপাতাল যৌথ ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হবে এবং ধাপে ধাপে সেগুলো সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। বর্তমানে রেলওয়ের অধীনে থাকা ১০টি হাসপাতালের মোট শয্যাসংখ্যা ৪৩১টি। এতদিন এসব হাসপাতাল কেবল রেলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্যই সংরক্ষিত ছিল। তবে এবার সেবার পরিধি বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল আগামী সপ্তাহেই রেলের হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করবে। তারা দেখে আসবে কোথায় কোথায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন, এবং সেই অনুযায়ী রিপোর্ট প্রদান করবে। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, “স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্টের ভিত্তিতেই অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু হবে।”

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, “এখনই রেল হাসপাতালগুলোকে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব নয়। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে জনসাধারণ যেন চিকিৎসাসেবা পায়, সে লক্ষ্যেই কাজ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি নীতিমালা তৈরির কাজ করছে, যার ভিত্তিতে এই হাসপাতালগুলো পরিচালনা করা হবে।”

তিনি আরও জানান, স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে রেল হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত ও জনগণের জন্য সহজলভ্য করে তোলা হবে।