ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোরিয়ান বিনিয়োগকারী কিহাক সাংকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রদান করলেন প্রধান উপদেষ্টা 

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 309

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পথপ্রদর্শক হিসেবে দীর্ঘদিন অবদান রাখা কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান করপোরেশনের চেয়ারম্যান কিহাক সাং পেয়েছেন ‘সম্মানসূচক নাগরিকত্ব’।

আজ বুধবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলন-২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই স্বীকৃতি প্রদান করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

আরও পড়ুন  রাশিয়ার "মেগা-অফেনসিভ" পরিকল্পনা, সঙ্গে থাকছে ৩০,০০০ উত্তর কোরিয়ান সেনা

সাং দীর্ঘ চার দশক ধরে বাংলাদেশে শিল্প খাতে বিনিয়োগ করে আসছেন। ১৯৮০ সালের মে মাসে তার প্রতিষ্ঠিত ইয়াংওয়ান করপোরেশন দেশের পোশাক ও টেক্সটাইল রপ্তানি খাতে প্রথম বৈদেশিক বিনিয়োগকারী হিসেবে যাত্রা শুরু করে। নারী কর্মসংস্থানে অগ্রণী ভূমিকা রাখা এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের শিল্পখাতের বিকাশে এক ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখে চলেছে।

সম্মানসূচক নাগরিকত্ব গ্রহণের পর কিহাক সাং বলেন, “বাংলাদেশের এমন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেয়ে আমি গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। এই দেশ আমার দ্বিতীয় বাড়ি। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশে আরও উন্নয়ন সম্ভব এবং আমি সেই অভিযাত্রায় অংশ হতে চাই।”

তিনি উল্লেখ করেন, আশির দশকে যখন অনেকেই বাংলাদেশের পোশাক খাতে বিনিয়োগ করতে দ্বিধান্বিত ছিলেন, তখনই তিনি ঝুঁকি নিয়ে বিনিয়োগ করেছিলেন। তার সেই উদ্যোগ আজ বাংলাদেশের অন্যতম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতে পরিণত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং প্রেস সচিব শফিকুল আলম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী।

বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে কিহাক সাংয়ের এই অবদান দেশের শিল্প খাতকে যেমন অনুপ্রাণিত করেছে, তেমনি ভবিষ্যতের বৈদেশিক বিনিয়োগের দ্বারও উন্মুক্ত করেছে।

এ সম্মাননা শুধু কিহাক সাংয়ের ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি বাংলাদেশের প্রতি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতীকও।

নিউজটি শেয়ার করুন

কোরিয়ান বিনিয়োগকারী কিহাক সাংকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রদান করলেন প্রধান উপদেষ্টা 

আপডেট সময় ০৬:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

 

বাংলাদেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পথপ্রদর্শক হিসেবে দীর্ঘদিন অবদান রাখা কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান করপোরেশনের চেয়ারম্যান কিহাক সাং পেয়েছেন ‘সম্মানসূচক নাগরিকত্ব’।

আজ বুধবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলন-২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই স্বীকৃতি প্রদান করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

আরও পড়ুন  রবিবার শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থান, বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক সংকেত

সাং দীর্ঘ চার দশক ধরে বাংলাদেশে শিল্প খাতে বিনিয়োগ করে আসছেন। ১৯৮০ সালের মে মাসে তার প্রতিষ্ঠিত ইয়াংওয়ান করপোরেশন দেশের পোশাক ও টেক্সটাইল রপ্তানি খাতে প্রথম বৈদেশিক বিনিয়োগকারী হিসেবে যাত্রা শুরু করে। নারী কর্মসংস্থানে অগ্রণী ভূমিকা রাখা এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের শিল্পখাতের বিকাশে এক ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখে চলেছে।

সম্মানসূচক নাগরিকত্ব গ্রহণের পর কিহাক সাং বলেন, “বাংলাদেশের এমন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেয়ে আমি গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। এই দেশ আমার দ্বিতীয় বাড়ি। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশে আরও উন্নয়ন সম্ভব এবং আমি সেই অভিযাত্রায় অংশ হতে চাই।”

তিনি উল্লেখ করেন, আশির দশকে যখন অনেকেই বাংলাদেশের পোশাক খাতে বিনিয়োগ করতে দ্বিধান্বিত ছিলেন, তখনই তিনি ঝুঁকি নিয়ে বিনিয়োগ করেছিলেন। তার সেই উদ্যোগ আজ বাংলাদেশের অন্যতম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতে পরিণত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং প্রেস সচিব শফিকুল আলম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী।

বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে কিহাক সাংয়ের এই অবদান দেশের শিল্প খাতকে যেমন অনুপ্রাণিত করেছে, তেমনি ভবিষ্যতের বৈদেশিক বিনিয়োগের দ্বারও উন্মুক্ত করেছে।

এ সম্মাননা শুধু কিহাক সাংয়ের ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি বাংলাদেশের প্রতি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতীকও।