ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

সপ্তমবারের মতো বেলারুশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন লুকাশেঙ্কো

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
  • / 412

ছবি সংগৃহীত

 

বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো নতুন মেয়াদে শপথ নিয়েছেন, যা তার জন্য সপ্তমবারের মতো প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার ঘটনা। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি প্রায় ৮৭ শতাংশ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হন।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) মিনস্কের প্যালেস অব ইন্ডিপেন্ডেন্সের সেরিমোনিয়াল হলে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ১১০০ জনের বেশি অতিথি উপস্থিত ছিলেন। লুকাশেঙ্কো শপথ নেওয়ার আগে বেলারুশের জাতীয় পতাকা এবং প্রেসিডেন্টের পতাকা হলের ভেতরে আনা হয়। পরে, তিনি সংবিধানের ওপর ডান হাত রেখে শপথ গ্রহণ করেন এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান তাকে আনুষ্ঠানিক সনদ প্রদান করেন।

আরও পড়ুন  ‘'আমি পশ্চিমাদের পাত্তা দেই না’’, সপ্তম দফায় বেলারুশের প্রেসিডেন্ট হলেন লুকাশেঙ্কো

লুকাশেঙ্কো ২৬ জানুয়ারির নির্বাচনে ৫১ লাখেরও বেশি ভোট পেয়ে আবারও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। কমিশন ৩ ফেব্রুয়ারি এক সভায় নির্বাচনের ফলাফল অনুমোদন করে। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর বেলারুশ স্বাধীনতা লাভ করে এবং প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ১৯৯৪ সালে জয়ী হন লুকাশেঙ্কো। এরপর থেকে তিনি প্রতি নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসছেন।
বেলারুশের সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের মেয়াদ ৫ বছর। ফলে, স্বাধীনতা লাভের পর গত ৩৩ বছরের মধ্যে ৩০ বছর তিনি রাষ্ট্রপ্রধানের পদে রয়েছেন। সদ্যসম্পন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে তার মেয়াদ আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাড়ল।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়ায় লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক ভালো নয়। ২০২০ সালের নির্বাচনে বিরোধী নেত্রী এসভেতলানা তিখানোভস্কায়া কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নও সমর্থন করেছিল, কিন্তু লুকাশেঙ্কো এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন।

১৯৯৯ সাল থেকে বেলারুশ রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদার। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে, এবং গত বছর মস্কো ও মিনস্ক একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে, যার আওতায় বেলারুশের ভূখণ্ডে সামরিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের অনুমতি দেয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

সপ্তমবারের মতো বেলারুশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন লুকাশেঙ্কো

আপডেট সময় ১২:৪২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫

 

বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো নতুন মেয়াদে শপথ নিয়েছেন, যা তার জন্য সপ্তমবারের মতো প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার ঘটনা। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি প্রায় ৮৭ শতাংশ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হন।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) মিনস্কের প্যালেস অব ইন্ডিপেন্ডেন্সের সেরিমোনিয়াল হলে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ১১০০ জনের বেশি অতিথি উপস্থিত ছিলেন। লুকাশেঙ্কো শপথ নেওয়ার আগে বেলারুশের জাতীয় পতাকা এবং প্রেসিডেন্টের পতাকা হলের ভেতরে আনা হয়। পরে, তিনি সংবিধানের ওপর ডান হাত রেখে শপথ গ্রহণ করেন এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান তাকে আনুষ্ঠানিক সনদ প্রদান করেন।

আরও পড়ুন  বেলারুশে রাশিয়ার ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন, ইউরোপজুড়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ

লুকাশেঙ্কো ২৬ জানুয়ারির নির্বাচনে ৫১ লাখেরও বেশি ভোট পেয়ে আবারও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। কমিশন ৩ ফেব্রুয়ারি এক সভায় নির্বাচনের ফলাফল অনুমোদন করে। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর বেলারুশ স্বাধীনতা লাভ করে এবং প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ১৯৯৪ সালে জয়ী হন লুকাশেঙ্কো। এরপর থেকে তিনি প্রতি নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসছেন।
বেলারুশের সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের মেয়াদ ৫ বছর। ফলে, স্বাধীনতা লাভের পর গত ৩৩ বছরের মধ্যে ৩০ বছর তিনি রাষ্ট্রপ্রধানের পদে রয়েছেন। সদ্যসম্পন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে তার মেয়াদ আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাড়ল।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়ায় লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক ভালো নয়। ২০২০ সালের নির্বাচনে বিরোধী নেত্রী এসভেতলানা তিখানোভস্কায়া কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নও সমর্থন করেছিল, কিন্তু লুকাশেঙ্কো এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন।

১৯৯৯ সাল থেকে বেলারুশ রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদার। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে, এবং গত বছর মস্কো ও মিনস্ক একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে, যার আওতায় বেলারুশের ভূখণ্ডে সামরিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের অনুমতি দেয়।