ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার বার্তা ইউটিউব দেখে বিকল্প জ্বালানি তৈরির চেষ্টা: বিস্ফোরণে দগ্ধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই, মে মাসে বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তান দল বেলারুশ—পূর্ব ইউরোপের স্থিতিশীলতা ও ইতিহাসের দেশ সংসদ ওয়াকআউট করে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করবেন না: স্পিকার সুনামগঞ্জের পৃথক হাওরে বজ্রপাত, ধান কাটার সময় ৫ কৃষকের মৃত্যু আগামী ২ জুলাই শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী পল্লবীতে নিরাপত্তা প্রহরী সালাহউদ্দিন হত্যা: ঘাতক অটোরিকশা চালক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের পাশে যুক্তরাষ্ট্র: শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
  • / 221

ছবি সংগৃহীত

 

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। গতকাল (২৫ মার্চ) ওয়াশিংটন ডিসি থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

বিবৃতিতে মার্কো রুবিও বলেন, “২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে আমি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। এই দিনটি শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, বিশ্ব গণতন্ত্রের জন্যও এক তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত।”

আরও পড়ুন  স্বাধীনতা দিবসে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধান উপদেষ্টা 

তিনি বলেন, “এমন একটি সময়ে এই দিবস উদযাপিত হচ্ছে, যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণকে তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ করে দেবে।”

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্বকে অত্যন্ত মূল্য দিই। একটি উজ্জ্বল, গণতান্ত্রিক এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।”

তিনি ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও নিরাপত্তা জোরদারে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমরা এই অঞ্চলে টেকসই উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করে যাচ্ছি।”

রুবিও তার বিবৃতির শেষাংশে বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের এই বিশেষ মুহূর্তে আমি বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমাদের দুই দেশের বন্ধনকে আরও শক্তিশালী, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র সদা প্রস্তুত।”

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এই বার্তা বাংলাদেশের জন্য এক প্রকার কূটনৈতিক আশ্বাসও বটে, যেখানে ভবিষ্যতের পথচলায় গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বার্তা স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের পাশে যুক্তরাষ্ট্র: শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:০৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫

 

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। গতকাল (২৫ মার্চ) ওয়াশিংটন ডিসি থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

বিবৃতিতে মার্কো রুবিও বলেন, “২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে আমি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। এই দিনটি শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, বিশ্ব গণতন্ত্রের জন্যও এক তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত।”

আরও পড়ুন  স্বাধীনতা দিবসে ভারতীয় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা: বন্ধুত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করার আহ্বান

তিনি বলেন, “এমন একটি সময়ে এই দিবস উদযাপিত হচ্ছে, যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণকে তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ করে দেবে।”

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্বকে অত্যন্ত মূল্য দিই। একটি উজ্জ্বল, গণতান্ত্রিক এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।”

তিনি ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও নিরাপত্তা জোরদারে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমরা এই অঞ্চলে টেকসই উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করে যাচ্ছি।”

রুবিও তার বিবৃতির শেষাংশে বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের এই বিশেষ মুহূর্তে আমি বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমাদের দুই দেশের বন্ধনকে আরও শক্তিশালী, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র সদা প্রস্তুত।”

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এই বার্তা বাংলাদেশের জন্য এক প্রকার কূটনৈতিক আশ্বাসও বটে, যেখানে ভবিষ্যতের পথচলায় গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বার্তা স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।