ঢাকা ১২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

গাজায় ফের রক্তাক্ত প্রহর: ইসরায়েলি হামলায় শিশু ও নারীসহ ২৩ জনের প্রাণহানি 

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫
  • / 438

ছবি সংগৃহীত

 

গাজায় আবারও ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। মঙ্গলবার ভোরে দক্ষিণ ও মধ্য গাজায় চালানো গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৩ জন ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে রয়েছে সাতটি নিষ্পাপ শিশু। আহত হয়েছেন আরও অনেকেই, যাদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আল জাজিরার খবরে জানা যায়, স্থানীয় সময় ভোরের নিস্তব্ধতায় আচমকা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে মৃত্যু আর ধ্বংসের ছাপ। বারবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও এ ধরনের হামলা বিশ্ব বিবেককে হতবাক করে দিচ্ছে।

আরও পড়ুন  যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ১৮

এর আগের দিনেও গাজা অঞ্চলে চালানো ইসরায়েলি আগ্রাসনে নিহত হয়েছিলেন অন্তত ৬৫ জন। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান হামলায় গত কয়েকদিনেই প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৭০০ জন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা চার শতাধিক।

এদিকে, এই অব্যাহত রক্তপাত ঠেকাতে নতুন করে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে মিশর। তবে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এ প্রস্তাবের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতির একটি সাময়িক চুক্তি কার্যকর হয়েছিল। কিন্তু ১৮ মার্চ থেকে নতুন করে ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন শুরু হয়। এতে গাজার মানুষের নিত্যদিনের জীবন হয়ে উঠেছে এক ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন।

হামাস জানিয়েছে, তাদের কয়েকজন শীর্ষ নেতাও ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন। তবে তারা ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মত্যাগকে মূল্যহীন যেতে দেবে না বলেও জানিয়েছে।

গাজার শিশুরা আজ স্কুলব্যাগ নয়, ধরছে আপনজনের রক্তাক্ত দেহ। মায়েরা সন্তান হারিয়ে আহাজারি করছেন ধ্বংসস্তূপের পাশে দাঁড়িয়ে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে প্রশ্ন আর কত প্রাণ ঝরলে থামবে এই নিষ্ঠুরতা?

গাজায় শান্তির সুবাতাস ফিরে আসুক এটাই এখন বিশ্ববাসীর একমাত্র চাওয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ফের রক্তাক্ত প্রহর: ইসরায়েলি হামলায় শিশু ও নারীসহ ২৩ জনের প্রাণহানি 

আপডেট সময় ০১:৩৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫

 

গাজায় আবারও ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। মঙ্গলবার ভোরে দক্ষিণ ও মধ্য গাজায় চালানো গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৩ জন ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে রয়েছে সাতটি নিষ্পাপ শিশু। আহত হয়েছেন আরও অনেকেই, যাদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আল জাজিরার খবরে জানা যায়, স্থানীয় সময় ভোরের নিস্তব্ধতায় আচমকা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে মৃত্যু আর ধ্বংসের ছাপ। বারবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও এ ধরনের হামলা বিশ্ব বিবেককে হতবাক করে দিচ্ছে।

আরও পড়ুন  গা/জা/র একমাত্র ডায়ালিসিস কেন্দ্র ধ্বংস, ৫৪ হাজার ছাড়াল নিহতের সংখ্যা

এর আগের দিনেও গাজা অঞ্চলে চালানো ইসরায়েলি আগ্রাসনে নিহত হয়েছিলেন অন্তত ৬৫ জন। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান হামলায় গত কয়েকদিনেই প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৭০০ জন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা চার শতাধিক।

এদিকে, এই অব্যাহত রক্তপাত ঠেকাতে নতুন করে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে মিশর। তবে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এ প্রস্তাবের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতির একটি সাময়িক চুক্তি কার্যকর হয়েছিল। কিন্তু ১৮ মার্চ থেকে নতুন করে ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন শুরু হয়। এতে গাজার মানুষের নিত্যদিনের জীবন হয়ে উঠেছে এক ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন।

হামাস জানিয়েছে, তাদের কয়েকজন শীর্ষ নেতাও ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন। তবে তারা ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মত্যাগকে মূল্যহীন যেতে দেবে না বলেও জানিয়েছে।

গাজার শিশুরা আজ স্কুলব্যাগ নয়, ধরছে আপনজনের রক্তাক্ত দেহ। মায়েরা সন্তান হারিয়ে আহাজারি করছেন ধ্বংসস্তূপের পাশে দাঁড়িয়ে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে প্রশ্ন আর কত প্রাণ ঝরলে থামবে এই নিষ্ঠুরতা?

গাজায় শান্তির সুবাতাস ফিরে আসুক এটাই এখন বিশ্ববাসীর একমাত্র চাওয়া।