ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

গাজায় ফের ইসরায়েলি হামলা, ২৪ ঘণ্টায় নিহত অন্তত ৪৩

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 281

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা বিমান হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৪৩ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৭৭ জন। শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হওয়া এই হামলা চলে দিনভর। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, ইসরায়েলের ড্রোন ও যুদ্ধবিমানের একের পর এক হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩ জনে। আহতদের মধ্যে বেশিরভাগের অবস্থাই গুরুতর। এ ছাড়া সাম্প্রতিক এ হামলার পর গাজায় এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৪১৮ জন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৯১ জন মানুষ। এই বিপুল সংখ্যক হতাহতের অন্তত ৫৬ শতাংশই নারী ও শিশু বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন  ইরানজুড়ে ব্যাপক হামলায় ১৫ জন নিহত

গেল ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামলা চালায় হামাস যোদ্ধারা। এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে এক হাজার ২০০ জনকে হত্যা এবং আরও ২৫১ জনকে জিম্মি করে ফিলিস্তিনে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই ঘটনার পরপরই গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ), যা চলে টানা ১৫ মাস।

যুক্তরাষ্ট্রসহ মধ্যস্থতাকারী দেশের চাপে ইসরায়েল গত ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও দুই মাসের মাথায় তা ভেঙে যায়। গাজায় বন্দি ইসরায়েলি জিম্মি এবং ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তির বিষয়ে মতবিরোধের জেরে ১৮ মার্চ থেকে আবারও নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করে আইডিএফ।

দ্বিতীয় দফার এই হামলায় মাত্র দেড় মাসের মধ্যে নতুন করে প্রাণ হারিয়েছেন দুই হাজার তিন শতাধিক ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন আরও ছয় হাজারের বেশি। হাসপাতালগুলোতে জায়গার অভাব, ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রীর সংকটে আহতদের চিকিৎসাও ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয় কর্তৃপক্ষের।

এদিকে মানবাধিকার সংস্থাগুলো ক্রমাগত এই সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানালেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। বরং প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে মৃত্যুর মিছিল।

বিশ্ববাসীর কাছে গাজা যেন এখন এক মৃত্যু উপত্যকা যেখানে প্রতিদিনই ঝরে পড়ছে নিরীহ মানুষের রক্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ফের ইসরায়েলি হামলা, ২৪ ঘণ্টায় নিহত অন্তত ৪৩

আপডেট সময় ১০:৫৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা বিমান হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৪৩ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৭৭ জন। শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হওয়া এই হামলা চলে দিনভর। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, ইসরায়েলের ড্রোন ও যুদ্ধবিমানের একের পর এক হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩ জনে। আহতদের মধ্যে বেশিরভাগের অবস্থাই গুরুতর। এ ছাড়া সাম্প্রতিক এ হামলার পর গাজায় এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৪১৮ জন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৯১ জন মানুষ। এই বিপুল সংখ্যক হতাহতের অন্তত ৫৬ শতাংশই নারী ও শিশু বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন  গাজায় হতাহতের সংখ্যা ৫৩ হাজার: একদিনে ১৪৩ ফিলিস্তিনির মৃত্যু

গেল ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামলা চালায় হামাস যোদ্ধারা। এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে এক হাজার ২০০ জনকে হত্যা এবং আরও ২৫১ জনকে জিম্মি করে ফিলিস্তিনে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই ঘটনার পরপরই গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ), যা চলে টানা ১৫ মাস।

যুক্তরাষ্ট্রসহ মধ্যস্থতাকারী দেশের চাপে ইসরায়েল গত ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও দুই মাসের মাথায় তা ভেঙে যায়। গাজায় বন্দি ইসরায়েলি জিম্মি এবং ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তির বিষয়ে মতবিরোধের জেরে ১৮ মার্চ থেকে আবারও নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করে আইডিএফ।

দ্বিতীয় দফার এই হামলায় মাত্র দেড় মাসের মধ্যে নতুন করে প্রাণ হারিয়েছেন দুই হাজার তিন শতাধিক ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন আরও ছয় হাজারের বেশি। হাসপাতালগুলোতে জায়গার অভাব, ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রীর সংকটে আহতদের চিকিৎসাও ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয় কর্তৃপক্ষের।

এদিকে মানবাধিকার সংস্থাগুলো ক্রমাগত এই সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানালেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। বরং প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে মৃত্যুর মিছিল।

বিশ্ববাসীর কাছে গাজা যেন এখন এক মৃত্যু উপত্যকা যেখানে প্রতিদিনই ঝরে পড়ছে নিরীহ মানুষের রক্ত।