ঢাকা ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

ইথিওপিয়ার শান্তির আহ্বান: যুদ্ধ চান না প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫
  • / 386

ছবি সংগৃহীত

 

ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ প্রতিবেশী দেশ ইরিত্রিয়ার সঙ্গে কোনো ধরনের যুদ্ধে জড়াতে চান না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন। ইথিওপিয়া একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, যার কোনো সমুদ্রসীমা নেই। সমুদ্রবন্দর দখলের বিষয়ে দেশটির পূর্ববর্তী উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

২০২৩ সালে ইথিওপিয়ার একটি পূর্ববর্তী বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, সমুদ্রবন্দর থাকা দেশের জন্য ‘অস্তিত্বগত বিষয়’। এর ফলে, ইথিওপিয়া জোর করে প্রতিবেশী দেশ ইরিত্রিয়ার একটি বন্দর দখল করতে পারে এমন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। অতীতে সম্পর্ক খারাপ থাকা এই দুই প্রতিবেশী আবারও সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে এমন নতুন উদ্বেগের মধ্যেই ইথিওপিয়ান প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ পার্লামেন্টে এই মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  নতুন যুগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ

ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল স্থলবেষ্টিত দেশের সমুদ্র প্রবেশাধিকারের বিষয়টি কূটনীতি এবং পারস্পরিক সুবিধার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য হলো ‘দেওয়া-নেওয়ার নীতি’র ভিত্তিতে আলোচনা করা। ইরিত্রিয়ার জনগণের যা প্রয়োজন তা হলো— উন্নয়ন, কোনও ধরনের সংঘাত নয়। আমাদের পরিকল্পনা যুদ্ধ করা নয় বরং একসাথে কাজ করা এবং একসাথে বেড়ে ওঠা।’

তবুও তিনি জোর দিয়ে বলেন, সমুদ্রবন্দর ঘিরে আলোচনা নিষিদ্ধ হওয়া উচিত নয় এবং বিশ্বব্যাপী নিয়মগুলো এই ধারণাকে সমর্থন করে যে— বৃহৎ দেশগুলোর সমুদ্রে প্রবেশাধিকার প্রয়োজন।

ইরিত্রিয়ার সংশ্লিষ্টতার কারণে ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় টাইগ্রে অঞ্চলে যুদ্ধ আবারও শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুই বছরের গৃহযুদ্ধের ফলে লাখ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। ২০২২ সালের নভেম্বরে সেই সংঘাত শেষ হলেও টাইগ্রেতে রাজনীতিবিদরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় শান্তি চুক্তির কিছু অংশ নিয়ে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ইরিত্রিয়া এই অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনে হস্তক্ষেপ করছে।

গত বৃহস্পতিবার টাইগ্রের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট গেটাচিউ রেদা তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের ইরিত্রিয়ার সাথে যোগসাজশের অভিযোগ করেছেন। মূলত ইরিত্রিয়া অতীতে গৃহযুদ্ধের সময় ইথিওপিয়ার ফেডারেল সরকারকে সমর্থন করেছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইথিওপিয়ার শান্তির আহ্বান: যুদ্ধ চান না প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:০৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫

 

ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ প্রতিবেশী দেশ ইরিত্রিয়ার সঙ্গে কোনো ধরনের যুদ্ধে জড়াতে চান না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন। ইথিওপিয়া একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, যার কোনো সমুদ্রসীমা নেই। সমুদ্রবন্দর দখলের বিষয়ে দেশটির পূর্ববর্তী উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

২০২৩ সালে ইথিওপিয়ার একটি পূর্ববর্তী বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, সমুদ্রবন্দর থাকা দেশের জন্য ‘অস্তিত্বগত বিষয়’। এর ফলে, ইথিওপিয়া জোর করে প্রতিবেশী দেশ ইরিত্রিয়ার একটি বন্দর দখল করতে পারে এমন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। অতীতে সম্পর্ক খারাপ থাকা এই দুই প্রতিবেশী আবারও সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে এমন নতুন উদ্বেগের মধ্যেই ইথিওপিয়ান প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ পার্লামেন্টে এই মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল ইউরোপের আরেক দেশ

ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল স্থলবেষ্টিত দেশের সমুদ্র প্রবেশাধিকারের বিষয়টি কূটনীতি এবং পারস্পরিক সুবিধার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য হলো ‘দেওয়া-নেওয়ার নীতি’র ভিত্তিতে আলোচনা করা। ইরিত্রিয়ার জনগণের যা প্রয়োজন তা হলো— উন্নয়ন, কোনও ধরনের সংঘাত নয়। আমাদের পরিকল্পনা যুদ্ধ করা নয় বরং একসাথে কাজ করা এবং একসাথে বেড়ে ওঠা।’

তবুও তিনি জোর দিয়ে বলেন, সমুদ্রবন্দর ঘিরে আলোচনা নিষিদ্ধ হওয়া উচিত নয় এবং বিশ্বব্যাপী নিয়মগুলো এই ধারণাকে সমর্থন করে যে— বৃহৎ দেশগুলোর সমুদ্রে প্রবেশাধিকার প্রয়োজন।

ইরিত্রিয়ার সংশ্লিষ্টতার কারণে ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় টাইগ্রে অঞ্চলে যুদ্ধ আবারও শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুই বছরের গৃহযুদ্ধের ফলে লাখ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। ২০২২ সালের নভেম্বরে সেই সংঘাত শেষ হলেও টাইগ্রেতে রাজনীতিবিদরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় শান্তি চুক্তির কিছু অংশ নিয়ে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ইরিত্রিয়া এই অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনে হস্তক্ষেপ করছে।

গত বৃহস্পতিবার টাইগ্রের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট গেটাচিউ রেদা তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের ইরিত্রিয়ার সাথে যোগসাজশের অভিযোগ করেছেন। মূলত ইরিত্রিয়া অতীতে গৃহযুদ্ধের সময় ইথিওপিয়ার ফেডারেল সরকারকে সমর্থন করেছিল।