ঢাকা ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের দুই তেলবাহী ট্যাংকারে মার্কিন হামলা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩২:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 19

ছবি সংগৃহীত

 

ইরানের দুটি সরকারি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার রাতে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় মার্কিন বাহিনীর চালানো বিস্তৃত সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে জাহাজ দুটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় বলে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইরানি ট্যাংকারে হামলা চালাল। এর আগে ইরানি জাহাজগুলোকে মার্কিন নৌ-অবরোধ অতিক্রম করতে বাধা দেওয়ার ওপরই জোর দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন  ইরানের বন্দর শহীদ রাজাইয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৪০, আহত ১২০০

মার্কিন এক কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ট্যাংকারের বদলে ট্যাংকার’ নীতির অনুমোদন দিয়েছেন। এই নীতির আওতায় ইরান কোনো ট্যাংকারে হামলা চালালে পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানের তেলবাহী জাহাজকেও লক্ষ্যবস্তু করার কথা বলা হয়েছে।

অ্যাক্সিওসের তথ্য অনুযায়ী, হামলার সময় ট্যাংকার দুটি ইরানের উপকূলের কাছে এবং মার্কিন নৌ-অবরোধের উত্তর দিকে অবস্থান করছিল। মার্কিন ড্রোন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র জাহাজ দুটির ইঞ্জিন কক্ষে আঘাত হানে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বাণিজ্যিক জাহাজ ও মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার চেষ্টা চালানোর পর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে এই হামলা করা হয়েছে।

একই অভিযানে ইরানের রাডার, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যোগাযোগ অবকাঠামো, মাইন স্থাপনের সক্ষমতা এবং জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা লক্ষ্য করা হয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, মঙ্গলবারের অভিযানে ইরানের প্রায় ১০০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন ঠেকানো এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর হামলার ঝুঁকি কমানোও এই সামরিক অভিযানের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের দুই তেলবাহী ট্যাংকারে মার্কিন হামলা

আপডেট সময় ১০:৩২:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

ইরানের দুটি সরকারি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার রাতে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় মার্কিন বাহিনীর চালানো বিস্তৃত সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে জাহাজ দুটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় বলে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইরানি ট্যাংকারে হামলা চালাল। এর আগে ইরানি জাহাজগুলোকে মার্কিন নৌ-অবরোধ অতিক্রম করতে বাধা দেওয়ার ওপরই জোর দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন  ইরানের বন্দর শহীদ রাজাইয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৪০, আহত ১২০০

মার্কিন এক কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ট্যাংকারের বদলে ট্যাংকার’ নীতির অনুমোদন দিয়েছেন। এই নীতির আওতায় ইরান কোনো ট্যাংকারে হামলা চালালে পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানের তেলবাহী জাহাজকেও লক্ষ্যবস্তু করার কথা বলা হয়েছে।

অ্যাক্সিওসের তথ্য অনুযায়ী, হামলার সময় ট্যাংকার দুটি ইরানের উপকূলের কাছে এবং মার্কিন নৌ-অবরোধের উত্তর দিকে অবস্থান করছিল। মার্কিন ড্রোন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র জাহাজ দুটির ইঞ্জিন কক্ষে আঘাত হানে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বাণিজ্যিক জাহাজ ও মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার চেষ্টা চালানোর পর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে এই হামলা করা হয়েছে।

একই অভিযানে ইরানের রাডার, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যোগাযোগ অবকাঠামো, মাইন স্থাপনের সক্ষমতা এবং জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা লক্ষ্য করা হয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, মঙ্গলবারের অভিযানে ইরানের প্রায় ১০০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন ঠেকানো এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর হামলার ঝুঁকি কমানোও এই সামরিক অভিযানের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।