ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এআইয়ের কারণে চাকরি হারানোর প্রবণতা নেই যুক্তরাষ্ট্রে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 38

ছবি: সংগৃহীত

সাম্প্রতিক মার্কিন কর্মসংস্থান তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির প্রসারের কারণে বড় আকারে চাকরিচ্যুতির কোনো সুস্পষ্ট চিত্র এখনও পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে বিভিন্ন বিশ্লেষক তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন।

বিশেষজ্ঞদের অভিমত অনুযায়ী, এআই প্রযুক্তির কারণে গণহারে কর্মসংস্থান হারানোর যে আশঙ্কা—যাকে অনেকে ‘চাকরি-বিপর্যয়’ বলে অভিহিত করছেন—তা নিয়ে এই মুহূর্তে চূড়ান্ত মন্তব্য করা তাড়াহুড়ো হয়ে যাবে। এমনকি এতে এআইয়ের প্রকৃত প্রভাবকেও ভুলভাবে উপস্থাপন করার আশঙ্কা থেকে যায়।

এ প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদ নোয়া স্মিথের বক্তব্য হলো, দীর্ঘমেয়াদে এআই প্রযুক্তি নির্দিষ্ট কিছু পেশাকে অপ্রয়োজনীয় করে তুলতে পারে বলে যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ঠিক কোন কোন খাত বা পেশা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে, তা নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা এই মুহূর্তে বেশ জটিল একটি কাজ।

আরও পড়ুন  রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র

তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, ইতিহাসে দেখা যায় প্রতিটি বড় প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সময় যেমন পুরনো কিছু কাজ বিলুপ্ত হয়েছে, তেমনি নতুন নতুন কর্মক্ষেত্রও তৈরি হয়েছে। এআইয়ের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যেতে পারে, যেখানে হারানো চাকরির সংখ্যার সমান বা তার চেয়ে বেশি নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রখ্যাত সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে বরং এআই-কেন্দ্রিক নতুন কর্মসংস্থানের একটি ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাময়িকীটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই প্রযুক্তির হাত ধরে দেশটিতে ইতিমধ্যে প্রায় দশ লাখ নতুন চাকরির ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এআইয়ের কারণে চাকরি হারানোর প্রবণতা নেই যুক্তরাষ্ট্রে

আপডেট সময় ১০:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাম্প্রতিক মার্কিন কর্মসংস্থান তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির প্রসারের কারণে বড় আকারে চাকরিচ্যুতির কোনো সুস্পষ্ট চিত্র এখনও পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে বিভিন্ন বিশ্লেষক তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন।

বিশেষজ্ঞদের অভিমত অনুযায়ী, এআই প্রযুক্তির কারণে গণহারে কর্মসংস্থান হারানোর যে আশঙ্কা—যাকে অনেকে ‘চাকরি-বিপর্যয়’ বলে অভিহিত করছেন—তা নিয়ে এই মুহূর্তে চূড়ান্ত মন্তব্য করা তাড়াহুড়ো হয়ে যাবে। এমনকি এতে এআইয়ের প্রকৃত প্রভাবকেও ভুলভাবে উপস্থাপন করার আশঙ্কা থেকে যায়।

এ প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদ নোয়া স্মিথের বক্তব্য হলো, দীর্ঘমেয়াদে এআই প্রযুক্তি নির্দিষ্ট কিছু পেশাকে অপ্রয়োজনীয় করে তুলতে পারে বলে যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ঠিক কোন কোন খাত বা পেশা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে, তা নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা এই মুহূর্তে বেশ জটিল একটি কাজ।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপেই বদলে যাবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির চিত্র, অর্থনীতিতে যোগ হবে ৪১ বিলিয়ন ডলার

তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, ইতিহাসে দেখা যায় প্রতিটি বড় প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সময় যেমন পুরনো কিছু কাজ বিলুপ্ত হয়েছে, তেমনি নতুন নতুন কর্মক্ষেত্রও তৈরি হয়েছে। এআইয়ের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যেতে পারে, যেখানে হারানো চাকরির সংখ্যার সমান বা তার চেয়ে বেশি নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রখ্যাত সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে বরং এআই-কেন্দ্রিক নতুন কর্মসংস্থানের একটি ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাময়িকীটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই প্রযুক্তির হাত ধরে দেশটিতে ইতিমধ্যে প্রায় দশ লাখ নতুন চাকরির ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।