ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিপিএল অভিষেকেই মিরাজের বাজিমাত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 17

ছবি সংগৃহীত

 

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) অভিষেকটা দারুণভাবে রাঙালেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের হয়ে প্রথম ম্যাচেই বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে চার ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে নিয়েছেন তিন উইকেট।

মিরাজের বোলিং নৈপুণ্যের সঙ্গে ইমরান তাহিরের পাঁচ উইকেট এবং কুইন্টন স্যাম্পসনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সেন্ট লুসিয়া কিংসকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে গায়ানা। ৮ ম্যাচে এটি দলটির সপ্তম জয়। ১৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানও ধরে রেখেছে তারা।

আরও পড়ুন  ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের দল ঘোষণা, হামজা চৌধুরীর অভিষেকের অপেক্ষায় বাংলাদেশ

সিপিএলে এটি মিরাজের দ্বিতীয়বার দল পাওয়ার ঘটনা। এর আগে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের স্কোয়াডে থাকলেও কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি তার। এবার মোহাম্মদ নবীর জায়গায় গায়ানার দলে সুযোগ পান বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার।

নিজের প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পান মিরাজ। এগিয়ে এসে তার অফস্পিনে বড় শট খেলতে গিয়ে লং-অনে ক্যাচ দেন জন ক্যাম্পবেল। এরপর নিজের তৃতীয় ওভারে পরপর কেমল সেভরি ও চারিথ আসালাঙ্কাকে সাজঘরে ফেরান তিনি।

শেষ পর্যন্ত আর উইকেট না পেলেও বাকি সময়ে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের ওপর চাপ ধরে রাখেন মিরাজ। চার ওভারে ১৩ রান দিয়ে তিন উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি করেন ১৩টি ডট বল।

ব্যাট হাতে অবশ্য মিরাজের অবদান ছিল সামান্য। পাঁচ নম্বরে নেমে ৪ বলে ১ রান করে ফেরেন তিনি। স্পিনার চেজের বলে সুইপ করতে গিয়ে স্কয়ার লেগে আসালাঙ্কার হাতে ক্যাচ দেন।

ম্যাচে গায়ানার জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন ইমরান তাহির। ৪৭ বছর বয়সী এই লেগ স্পিনার মাত্র ১৭ রান খরচ করে নেন ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টিতে এটিই তার ক্যারিয়ারসেরা বোলিং। সংক্ষিপ্ত সংস্করণে এটি তাহিরের ষষ্ঠ ফাইফার। পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার হিসাবে টি-টোয়েন্টিতে তিনি এখন দ্বিতীয় স্থানে। সর্বোচ্চ সাতবার এই কীর্তি রয়েছে ডেভিড ভিসের।

গায়ানার বোলিং দুর্দান্ত হলেও রান তাড়ায় শুরুটা স্বস্তির ছিল না। ওপেনার গ্লেন ফিলিপসের ৩৭ রানের পর শেষদিকে কুইন্টন স্যাম্পসনের বিস্ফোরক ব্যাটিং ম্যাচের চিত্র বদলে দেয়। মাত্র ১১ বলে ৩৭ রান করেন স্যাম্পসন। তার ইনিংসে ছিল একটি চার ও পাঁচটি ছক্কা।

শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় গায়ানা। মিরাজের পরবর্তী ম্যাচ ১১ সেপ্টেম্বর ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে। সিপিএলে নিজের সাবেক দলের বিপক্ষে সেই ম্যাচেও বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডারের পারফরম্যান্সের দিকে থাকবে নজর।

নিউজটি শেয়ার করুন

সিপিএল অভিষেকেই মিরাজের বাজিমাত

আপডেট সময় ০১:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) অভিষেকটা দারুণভাবে রাঙালেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের হয়ে প্রথম ম্যাচেই বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে চার ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে নিয়েছেন তিন উইকেট।

মিরাজের বোলিং নৈপুণ্যের সঙ্গে ইমরান তাহিরের পাঁচ উইকেট এবং কুইন্টন স্যাম্পসনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সেন্ট লুসিয়া কিংসকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে গায়ানা। ৮ ম্যাচে এটি দলটির সপ্তম জয়। ১৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানও ধরে রেখেছে তারা।

আরও পড়ুন  পিএসএলে শরিফুলের অভিষেক, মুখোমুখি দুই বাংলাদেশি ক্রিকেটার

সিপিএলে এটি মিরাজের দ্বিতীয়বার দল পাওয়ার ঘটনা। এর আগে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের স্কোয়াডে থাকলেও কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি তার। এবার মোহাম্মদ নবীর জায়গায় গায়ানার দলে সুযোগ পান বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার।

নিজের প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পান মিরাজ। এগিয়ে এসে তার অফস্পিনে বড় শট খেলতে গিয়ে লং-অনে ক্যাচ দেন জন ক্যাম্পবেল। এরপর নিজের তৃতীয় ওভারে পরপর কেমল সেভরি ও চারিথ আসালাঙ্কাকে সাজঘরে ফেরান তিনি।

শেষ পর্যন্ত আর উইকেট না পেলেও বাকি সময়ে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের ওপর চাপ ধরে রাখেন মিরাজ। চার ওভারে ১৩ রান দিয়ে তিন উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি করেন ১৩টি ডট বল।

ব্যাট হাতে অবশ্য মিরাজের অবদান ছিল সামান্য। পাঁচ নম্বরে নেমে ৪ বলে ১ রান করে ফেরেন তিনি। স্পিনার চেজের বলে সুইপ করতে গিয়ে স্কয়ার লেগে আসালাঙ্কার হাতে ক্যাচ দেন।

ম্যাচে গায়ানার জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন ইমরান তাহির। ৪৭ বছর বয়সী এই লেগ স্পিনার মাত্র ১৭ রান খরচ করে নেন ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টিতে এটিই তার ক্যারিয়ারসেরা বোলিং। সংক্ষিপ্ত সংস্করণে এটি তাহিরের ষষ্ঠ ফাইফার। পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার হিসাবে টি-টোয়েন্টিতে তিনি এখন দ্বিতীয় স্থানে। সর্বোচ্চ সাতবার এই কীর্তি রয়েছে ডেভিড ভিসের।

গায়ানার বোলিং দুর্দান্ত হলেও রান তাড়ায় শুরুটা স্বস্তির ছিল না। ওপেনার গ্লেন ফিলিপসের ৩৭ রানের পর শেষদিকে কুইন্টন স্যাম্পসনের বিস্ফোরক ব্যাটিং ম্যাচের চিত্র বদলে দেয়। মাত্র ১১ বলে ৩৭ রান করেন স্যাম্পসন। তার ইনিংসে ছিল একটি চার ও পাঁচটি ছক্কা।

শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় গায়ানা। মিরাজের পরবর্তী ম্যাচ ১১ সেপ্টেম্বর ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে। সিপিএলে নিজের সাবেক দলের বিপক্ষে সেই ম্যাচেও বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডারের পারফরম্যান্সের দিকে থাকবে নজর।