ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য ‘কুমিরবেষ্টিত কারাগার’ প্রস্তাব, বিতর্কে ইসরাইলি মন্ত্রী
- আপডেট সময় ১০:১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
- / 24
ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য কুমিরবেষ্টিত উচ্চ নিরাপত্তার কারাগার নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছেন ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। হিব্রু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইলের পরিবেশ সুরক্ষামন্ত্রী ইদিত সিলমান এক আদেশে কুমিরকে ‘ম্যানেজড’ বা ব্যবস্থাপিত বন্যপ্রাণী হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছেন। এর ফলে ইসরাইল প্রিজন সার্ভিসসহ সরকারি সংস্থাগুলো নির্দিষ্ট শর্তে কুমির রাখার অনুমতি পাবে।
হিব্রু গণমাধ্যমের দাবি, এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে থাকা একটি বড় আইনি বাধা দূর হয়েছে। এর আগে কুমির সংরক্ষিত বন্যপ্রাণীর তালিকায় থাকায় শুধুমাত্র অনুমোদিত চিড়িয়াখানায় সেগুলো রাখার সুযোগ ছিল।
প্রায় ছয় মাস আগে ইতামার বেন-গভির এ প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী, একটি উচ্চ নিরাপত্তার কারাগারের চারপাশে কুমিরভর্তি জলপথ বা পরিখা থাকবে, যাতে ফিলিস্তিনি বন্দিদের পালিয়ে যাওয়া ঠেকানো যায়।
হিব্রু সম্প্রচারমাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, কুমিরবেষ্টিত পরিখা কারাগারের নিরাপত্তা জোরদারে সহায়ক হবে এবং নিরাপত্তা ব্যয়ও কমাতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি অল্পবয়সী কুমিরের দাম প্রায় ৮ হাজার মার্কিন ডলার এবং একটি পূর্ণবয়স্ক কুমিরের দাম ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে।
তবে পরিকল্পনাটি সম্পর্কে কিংবা কোথায় এটি বাস্তবায়ন করা হতে পারে, সে বিষয়ে ইসরাইল প্রিজন সার্ভিস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
বর্তমানে ইসরাইলের বিভিন্ন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন। তাদের মধ্যে নারী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিও আছেন।
ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এসব বন্দিকে অনাহারে রাখা, নির্যাতন করা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাদের দাবি, এসব কারণে ইতোমধ্যে কয়েক ডজন বন্দির মৃত্যু হয়েছে।




















