টানা ষষ্ঠ দিনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত
- আপডেট সময় ০২:০৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
- / 28
টানা ষষ্ঠ দিনের মতো ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে পারস্য উপসাগর অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে নতুন করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরান। এ সংঘাতের মধ্যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল আবারও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর মধ্যপ্রাচ্য শাখা সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার লক্ষ্যে তাদের যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও যুদ্ধজাহাজ থেকে কেশম দ্বীপ এবং বন্দর আব্বাসের নিকটবর্তী ডজনখানেক সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।
সেন্টকমের দাবি, এসব হামলায় উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র, বিমান প্রতিরক্ষা ঘাঁটি, লজিস্টিক অবকাঠামো এবং সামুদ্রিক সামরিক সক্ষমতা-সংক্রান্ত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, শুক্রবার ভোরে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে নতুন করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে কাতারের রাজধানী দোহায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বা স্প্লিন্টারের আঘাতে দোহায় এক শিশু আহত হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, মার্কিন হামলায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর খামিরের পাঁচটি সেতু ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া একটি ট্রেন স্টেশন ও ইরানশহর বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানি গণমাধ্যমের দাবি, বন্দর খামিরের সেতুগুলোতে বোমাবর্ষণের ঘটনায় অন্তত সাতজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
চলমান এই সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালীতে আবারও জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান বুধবার থেকে প্রণালীতে নতুন করে অবরোধ আরোপ করেছে। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বন্দরগুলো অবরুদ্ধ করে রেখেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।























