কিউবাকে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা হুমকি বললেন মার্কো রুবিও
- আপডেট সময় ০২:০৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
- / 81
কিউবাকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সমঝোতার সম্ভাবনা খুব বেশি নেই। তার এ বক্তব্যের পর কিউবা পাল্টা অভিযোগ করেছে, ওয়াশিংটন দ্বীপ রাষ্ট্রটির বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সামরিক আগ্রাসনের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে।
বৃহস্পতিবার, ২১ মে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কো রুবিও বলেন, কিউবার ক্ষেত্রে এখনো কূটনৈতিক সমাধানই যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকার। তবে বর্তমান বাস্তবতায় সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি মোকাবিলার অধিকার ও দায়িত্ব প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর রয়েছে।
এর আগে কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রো-এর বিরুদ্ধে ১৯৯৬ সালে দুটি বিমান ভূপাতিত করে মার্কিন নাগরিক হত্যার অভিযোগ আনা হয়। সেই ঘটনার একদিন পর রুবিওর এ বক্তব্য সামনে আসে বলে জানিয়েছে BBC।
মার্কো রুবিও আরও অভিযোগ করেন, কিউবা পুরো অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদের অন্যতম বড় পৃষ্ঠপোষক। তবে এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, কিউবা কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি ছিল না।
ব্রুনো রদ্রিগেজ পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, মার্কো রুবিও সামরিক আগ্রাসন উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকার পরিকল্পিতভাবে কিউবার বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের তেল অবরোধের কারণে কিউবায় জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে খাদ্যসংকট ও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতায় দেশটির সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে রয়েছে বলে জানা গেছে।
রুবিও দাবি করেন, কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের ১০ কোটি ডলারের মানবিক সহায়তা প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। তবে এ বিষয়ে কিউবার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প প্রশাসন প্রকাশ্যে কিউবার ওপর চাপ বাড়ানোর কথা বলে আসছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির কমিউনিস্ট সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার বিষয়েও একাধিকবার মন্তব্য করেছেন।
গত বুধবার মিয়ামিতে রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে অভিযোগ ঘোষণার সময় ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আশা করছে রাউল কাস্ত্রো স্বেচ্ছায় অথবা অন্য কোনো উপায়ে যুক্তরাষ্ট্রে হাজির হবেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রুবিও বলেন, কাস্ত্রোকে কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আনা হবে, সে বিষয়ে তিনি প্রকাশ্যে কিছু বলতে চান না।

























