ঢাকা ০২:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও লেবাননে হামলা বন্ধের দাবিতে উত্তাল ইসরাইল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / 86

ছবি: সংগৃহীত

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ এবং দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে তেল আবিব। শনিবার (৯ মে) দিবাগত রাতে কয়েকশ বিক্ষোভকারী রাজপথে নেমে সরকারের যুদ্ধনীতি এবং অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। চলতি বছরের শেষের দিকে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই লেবানন ও ইরান ইস্যু এবং সামরিক বাহিনীতে কট্টর অর্থোডক্সদের নিয়োগ নিয়ে সরকারের ভেতরে ও বাইরে চরম টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ৮৩ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত নাগরিক ডেভিড আলকান রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বর্তমান প্রশাসনকে ‘বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এই সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে ক্রমাগত মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রদান করছে। আলকান আরও দাবি করেন, বহিরাগত শত্রুর চেয়েও ইসরাইলের বর্তমান অভ্যন্তরীণ বিভাজন দেশটির জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে সামরিক সেবা দিতে কট্টর অর্থোডক্স গোষ্ঠীগুলোর অস্বীকৃতি জানানোর কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলনের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা সরকারের সমালোচনা করে বিভিন্ন বিতর্কিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করছেন। অনেক প্ল্যাকার্ডে ‘গণহত্যা বন্ধ করো’ এবং ‘৭ অক্টোবর ভুলে যাও’—এর মতো স্লোগান দেখা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ডাকনাম ‘বিবি’-র সঙ্গে কুখ্যাত ড্রাগ লর্ড পাবলো এসকোবারের নাম জুড়ে দিয়ে তাকে ‘বিবি এসকোবার’ বলে ব্যঙ্গাত্মক সম্বোধন করতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুন  মাইক্রোসফট কর্মীর ছদ্মবেশে সাইবার হামলা, সতর্ক থাকুন

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লেবানন ও ইরানের সঙ্গে চলমান বহুমুখী সংঘাত এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সার্ভিস নিয়ে অভ্যন্তরীণ বৈষম্য নেতানিয়াহু প্রশাসনকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক চাপ এবং নিজ দেশের জনগণের এই ধারাবাহিক অসন্তোষ আসন্ন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোটের জন্য বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও লেবাননে হামলা বন্ধের দাবিতে উত্তাল ইসরাইল

আপডেট সময় ০৬:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ এবং দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে তেল আবিব। শনিবার (৯ মে) দিবাগত রাতে কয়েকশ বিক্ষোভকারী রাজপথে নেমে সরকারের যুদ্ধনীতি এবং অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। চলতি বছরের শেষের দিকে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই লেবানন ও ইরান ইস্যু এবং সামরিক বাহিনীতে কট্টর অর্থোডক্সদের নিয়োগ নিয়ে সরকারের ভেতরে ও বাইরে চরম টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ৮৩ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত নাগরিক ডেভিড আলকান রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বর্তমান প্রশাসনকে ‘বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এই সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে ক্রমাগত মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রদান করছে। আলকান আরও দাবি করেন, বহিরাগত শত্রুর চেয়েও ইসরাইলের বর্তমান অভ্যন্তরীণ বিভাজন দেশটির জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে সামরিক সেবা দিতে কট্টর অর্থোডক্স গোষ্ঠীগুলোর অস্বীকৃতি জানানোর কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলনের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা সরকারের সমালোচনা করে বিভিন্ন বিতর্কিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করছেন। অনেক প্ল্যাকার্ডে ‘গণহত্যা বন্ধ করো’ এবং ‘৭ অক্টোবর ভুলে যাও’—এর মতো স্লোগান দেখা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ডাকনাম ‘বিবি’-র সঙ্গে কুখ্যাত ড্রাগ লর্ড পাবলো এসকোবারের নাম জুড়ে দিয়ে তাকে ‘বিবি এসকোবার’ বলে ব্যঙ্গাত্মক সম্বোধন করতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুন  ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের ওপর হামলার চেষ্টা, যুক্তরাজ্যে চাঞ্চল্য

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লেবানন ও ইরানের সঙ্গে চলমান বহুমুখী সংঘাত এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সার্ভিস নিয়ে অভ্যন্তরীণ বৈষম্য নেতানিয়াহু প্রশাসনকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক চাপ এবং নিজ দেশের জনগণের এই ধারাবাহিক অসন্তোষ আসন্ন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোটের জন্য বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।