ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
ছাত্রদলের পুস্তিকা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করলেন রিজভী সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ তাবলিগ জামাতের মাওলানা এহসানুল হক আর নেই বৃষ্টির ফোঁটা থেকেই বিদ্যুৎ! নতুন সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকরা

নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও লেবাননে হামলা বন্ধের দাবিতে উত্তাল ইসরাইল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / 104

ছবি: সংগৃহীত

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ এবং দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে তেল আবিব। শনিবার (৯ মে) দিবাগত রাতে কয়েকশ বিক্ষোভকারী রাজপথে নেমে সরকারের যুদ্ধনীতি এবং অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। চলতি বছরের শেষের দিকে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই লেবানন ও ইরান ইস্যু এবং সামরিক বাহিনীতে কট্টর অর্থোডক্সদের নিয়োগ নিয়ে সরকারের ভেতরে ও বাইরে চরম টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ৮৩ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত নাগরিক ডেভিড আলকান রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বর্তমান প্রশাসনকে ‘বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এই সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে ক্রমাগত মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রদান করছে। আলকান আরও দাবি করেন, বহিরাগত শত্রুর চেয়েও ইসরাইলের বর্তমান অভ্যন্তরীণ বিভাজন দেশটির জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে সামরিক সেবা দিতে কট্টর অর্থোডক্স গোষ্ঠীগুলোর অস্বীকৃতি জানানোর কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলনের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা সরকারের সমালোচনা করে বিভিন্ন বিতর্কিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করছেন। অনেক প্ল্যাকার্ডে ‘গণহত্যা বন্ধ করো’ এবং ‘৭ অক্টোবর ভুলে যাও’—এর মতো স্লোগান দেখা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ডাকনাম ‘বিবি’-র সঙ্গে কুখ্যাত ড্রাগ লর্ড পাবলো এসকোবারের নাম জুড়ে দিয়ে তাকে ‘বিবি এসকোবার’ বলে ব্যঙ্গাত্মক সম্বোধন করতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুন  নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি: আলোচনা ব্যর্থ হলে আবার হামলা হবে

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লেবানন ও ইরানের সঙ্গে চলমান বহুমুখী সংঘাত এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সার্ভিস নিয়ে অভ্যন্তরীণ বৈষম্য নেতানিয়াহু প্রশাসনকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক চাপ এবং নিজ দেশের জনগণের এই ধারাবাহিক অসন্তোষ আসন্ন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোটের জন্য বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও লেবাননে হামলা বন্ধের দাবিতে উত্তাল ইসরাইল

আপডেট সময় ০৬:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ এবং দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে তেল আবিব। শনিবার (৯ মে) দিবাগত রাতে কয়েকশ বিক্ষোভকারী রাজপথে নেমে সরকারের যুদ্ধনীতি এবং অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। চলতি বছরের শেষের দিকে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই লেবানন ও ইরান ইস্যু এবং সামরিক বাহিনীতে কট্টর অর্থোডক্সদের নিয়োগ নিয়ে সরকারের ভেতরে ও বাইরে চরম টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ৮৩ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত নাগরিক ডেভিড আলকান রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বর্তমান প্রশাসনকে ‘বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এই সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে ক্রমাগত মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রদান করছে। আলকান আরও দাবি করেন, বহিরাগত শত্রুর চেয়েও ইসরাইলের বর্তমান অভ্যন্তরীণ বিভাজন দেশটির জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে সামরিক সেবা দিতে কট্টর অর্থোডক্স গোষ্ঠীগুলোর অস্বীকৃতি জানানোর কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলনের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা সরকারের সমালোচনা করে বিভিন্ন বিতর্কিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করছেন। অনেক প্ল্যাকার্ডে ‘গণহত্যা বন্ধ করো’ এবং ‘৭ অক্টোবর ভুলে যাও’—এর মতো স্লোগান দেখা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ডাকনাম ‘বিবি’-র সঙ্গে কুখ্যাত ড্রাগ লর্ড পাবলো এসকোবারের নাম জুড়ে দিয়ে তাকে ‘বিবি এসকোবার’ বলে ব্যঙ্গাত্মক সম্বোধন করতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুন  নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি: আলোচনা ব্যর্থ হলে আবার হামলা হবে

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লেবানন ও ইরানের সঙ্গে চলমান বহুমুখী সংঘাত এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সার্ভিস নিয়ে অভ্যন্তরীণ বৈষম্য নেতানিয়াহু প্রশাসনকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক চাপ এবং নিজ দেশের জনগণের এই ধারাবাহিক অসন্তোষ আসন্ন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোটের জন্য বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।