ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

ট্রাম্পের পরিকল্পনা: তাইওয়ানের পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 214

ছবি সংগৃহীত

 

ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সম্প্রতি তিনি ঘোষণা করেছেন যে, তাইওয়ান থেকে আমদানি করা চিপ এবং ওষুধ তৈরির কাঁচামালের ওপর ২৫% থেকে ১০০% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হবে।

এ সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো মার্কিন কোম্পানিগুলোকে, বিশেষত TSMC-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে, তাদের উৎপাদন কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করা। মার্কিন অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করা এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে এটি একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  ডিসেম্বরে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনায় কমিশন: সিইসি

বিশ্বজুড়ে চিপ সংকট এবং প্রযুক্তি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা বড় পদক্ষেপ হতে পারে। তবে, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলে মার্কিন বাজারে প্রযুক্তি পণ্যের দাম বাড়তে পারে। একই সঙ্গে, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ট্রাম্পের শুল্ক পরিকল্পনা তার আগের “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতির প্রতিফলন। তিনি চান, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই প্রযুক্তিগত নির্ভরতা পূরণে সক্ষম হয়ে উঠুক। তবে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে বিতর্ক এখনও চলমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের পরিকল্পনা: তাইওয়ানের পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপ

আপডেট সময় ০৩:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫

 

ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সম্প্রতি তিনি ঘোষণা করেছেন যে, তাইওয়ান থেকে আমদানি করা চিপ এবং ওষুধ তৈরির কাঁচামালের ওপর ২৫% থেকে ১০০% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হবে।

এ সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো মার্কিন কোম্পানিগুলোকে, বিশেষত TSMC-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে, তাদের উৎপাদন কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করা। মার্কিন অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করা এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে এটি একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  কানাডার পাল্টা পদক্ষেপ: মার্কিন পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রুডোর

বিশ্বজুড়ে চিপ সংকট এবং প্রযুক্তি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা বড় পদক্ষেপ হতে পারে। তবে, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলে মার্কিন বাজারে প্রযুক্তি পণ্যের দাম বাড়তে পারে। একই সঙ্গে, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ট্রাম্পের শুল্ক পরিকল্পনা তার আগের “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতির প্রতিফলন। তিনি চান, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই প্রযুক্তিগত নির্ভরতা পূরণে সক্ষম হয়ে উঠুক। তবে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে বিতর্ক এখনও চলমান।