ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ট্রাম্পের পরিকল্পনা: তাইওয়ানের পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 396

ছবি সংগৃহীত

 

ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সম্প্রতি তিনি ঘোষণা করেছেন যে, তাইওয়ান থেকে আমদানি করা চিপ এবং ওষুধ তৈরির কাঁচামালের ওপর ২৫% থেকে ১০০% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হবে।

এ সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো মার্কিন কোম্পানিগুলোকে, বিশেষত TSMC-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে, তাদের উৎপাদন কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করা। মার্কিন অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করা এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে এটি একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  তুরস্ককে ৭০০ মিলিয়ন ডলারের জেট ইঞ্জিন বিক্রির পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের

বিশ্বজুড়ে চিপ সংকট এবং প্রযুক্তি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা বড় পদক্ষেপ হতে পারে। তবে, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলে মার্কিন বাজারে প্রযুক্তি পণ্যের দাম বাড়তে পারে। একই সঙ্গে, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ট্রাম্পের শুল্ক পরিকল্পনা তার আগের “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতির প্রতিফলন। তিনি চান, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই প্রযুক্তিগত নির্ভরতা পূরণে সক্ষম হয়ে উঠুক। তবে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে বিতর্ক এখনও চলমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের পরিকল্পনা: তাইওয়ানের পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপ

আপডেট সময় ০৩:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫

 

ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সম্প্রতি তিনি ঘোষণা করেছেন যে, তাইওয়ান থেকে আমদানি করা চিপ এবং ওষুধ তৈরির কাঁচামালের ওপর ২৫% থেকে ১০০% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হবে।

এ সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো মার্কিন কোম্পানিগুলোকে, বিশেষত TSMC-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে, তাদের উৎপাদন কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করা। মার্কিন অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করা এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে এটি একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়ার দাবি ডিএমপি কমিশনারের

বিশ্বজুড়ে চিপ সংকট এবং প্রযুক্তি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা বড় পদক্ষেপ হতে পারে। তবে, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলে মার্কিন বাজারে প্রযুক্তি পণ্যের দাম বাড়তে পারে। একই সঙ্গে, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ট্রাম্পের শুল্ক পরিকল্পনা তার আগের “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতির প্রতিফলন। তিনি চান, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই প্রযুক্তিগত নির্ভরতা পূরণে সক্ষম হয়ে উঠুক। তবে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে বিতর্ক এখনও চলমান।