ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আবারও আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে: ডা. শফিকুর রহমান দুই মামলায় জামিনের পর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক মন্ত্রী নুরুজ্জামান ৯ ক্ষেত্রে সরকারি ব্যয় কমানোর নির্দেশ: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি মেডিকেল ও বিজনেস ভিসা চালু করছে ভারত হাঙ্গেরিতে পিটার ম্যাগিয়ারের বিজয়: অবসান ঘটল দীর্ঘ ১৬ বছরের অরবান শাসনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর গ্রুপের প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ভাঙ্গায় বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষ: নিহত ২, আহত ৩৫ ইরানের সব বন্দরে মার্কিন নৌ-অবরোধ শুরু: কঠোর অবস্থানে সেন্টকোম ডা. কামরুলের হাসপাতালে চাঁদাবাজি, প্রধান অভিযুক্তসহ গ্রেফতার ৭ ইরানের তেল বিক্রি রুখতে বৈশ্বিক জোটের দাবি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের

ইরানের যুদ্ধবিরতিকে ‘শতভাগ বিজয়’ হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 35

ছবি: সংগৃহীত

 

ইরানের সাথে দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই একে যুক্তরাষ্ট্রের ‘চূড়ান্ত ও সর্বাত্মক বিজয়’ বলে ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ইরান শান্তি প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়ার পর বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে এই দাবি করেন। তিনি বলেন, এই সমঝোতা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একশ ভাগ জয় এবং এ নিয়ে সংশয়ের কোনো অবকাশ নেই।

সংঘাতের শুরু থেকেই ইরানকে কড়া চাপে রেখেছিলেন ট্রাম্প। গত মার্চে পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো ১৫ দফার মূল শান্তি প্রস্তাবটি তেহরান শুরুতে প্রত্যাখ্যান করলেও, পরে এর সংশোধিত রূপ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। যেখানে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ছিল, সেখানে ইরান আপাতত দুই সপ্তাহের জন্য নতিস্বীকার করেছে।
এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, সমঝোতায় না এলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করে দেশটিকে কার্যত ‘পাথর যুগে’ পাঠিয়ে দেওয়া হবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চরম হুমকির মুখেই ইরান সাময়িক পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে।

আরও পড়ুন  চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনায় বড় সফলতার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দেন যে, দুই সপ্তাহের এই বিরতির মধ্যে ইরানকে স্থায়ী চুক্তিতে আনতে চীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

যদি এই সময়ের মধ্যে তেহরান আলোচনার টেবিলে চূড়ান্ত নমনীয়তা না দেখায়, তবে ট্রাম্প তার আগের কঠোর অবস্থানে ফিরে যাবেন কি না—এমন প্রশ্নে তিনি রহস্য বজায় রেখে কেবল ধৈর্য ধরার পরামর্শ দেন। উল্লেখ্য, এর আগেও ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে জয়ী হওয়ার দাবি তুলে হরমুজ প্রণালীতে যাতায়াতকারী জাহাজের ওপর টোল বসানোর প্রস্তাব দিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন।

আপাতত দুই সপ্তাহের এই শান্তিকালীন সময়কে নিজের পররাষ্ট্রনীতির বড় সাফল্য হিসেবেই তুলে ধরছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের যুদ্ধবিরতিকে ‘শতভাগ বিজয়’ হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ১১:৪৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

 

ইরানের সাথে দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই একে যুক্তরাষ্ট্রের ‘চূড়ান্ত ও সর্বাত্মক বিজয়’ বলে ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ইরান শান্তি প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়ার পর বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে এই দাবি করেন। তিনি বলেন, এই সমঝোতা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একশ ভাগ জয় এবং এ নিয়ে সংশয়ের কোনো অবকাশ নেই।

সংঘাতের শুরু থেকেই ইরানকে কড়া চাপে রেখেছিলেন ট্রাম্প। গত মার্চে পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো ১৫ দফার মূল শান্তি প্রস্তাবটি তেহরান শুরুতে প্রত্যাখ্যান করলেও, পরে এর সংশোধিত রূপ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। যেখানে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ছিল, সেখানে ইরান আপাতত দুই সপ্তাহের জন্য নতিস্বীকার করেছে।
এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, সমঝোতায় না এলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করে দেশটিকে কার্যত ‘পাথর যুগে’ পাঠিয়ে দেওয়া হবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চরম হুমকির মুখেই ইরান সাময়িক পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ইউরোপীয় নেতাদের দায়ী করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, নিশানায় ম্যাক্রোঁ ও স্টারমার

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দেন যে, দুই সপ্তাহের এই বিরতির মধ্যে ইরানকে স্থায়ী চুক্তিতে আনতে চীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

যদি এই সময়ের মধ্যে তেহরান আলোচনার টেবিলে চূড়ান্ত নমনীয়তা না দেখায়, তবে ট্রাম্প তার আগের কঠোর অবস্থানে ফিরে যাবেন কি না—এমন প্রশ্নে তিনি রহস্য বজায় রেখে কেবল ধৈর্য ধরার পরামর্শ দেন। উল্লেখ্য, এর আগেও ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে জয়ী হওয়ার দাবি তুলে হরমুজ প্রণালীতে যাতায়াতকারী জাহাজের ওপর টোল বসানোর প্রস্তাব দিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন।

আপাতত দুই সপ্তাহের এই শান্তিকালীন সময়কে নিজের পররাষ্ট্রনীতির বড় সাফল্য হিসেবেই তুলে ধরছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।