ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘মসজিদ’ ভেবে ইহুদি উপাসনালয়ই ধ্বংস করল ইসরাইল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 178

ছবি: সংগৃহীত

 

ইরানের ওপর চলমান যৌথ আগ্রাসনের ৩৯তম দিনে এক নজিরবিহীন ঘটনার জন্ম দিয়েছে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী। তেহরানে অবস্থিত ইহুদিদের ঐতিহাসিক উপাসনালয় বা সিনাগগ ‘রাফি-নিয়া’ মঙ্গলবার ভোরে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মেহর এবং শার্ঘ পত্রিকার বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের এই সিনাগগটি ছিল খোরাসান অঞ্চলের ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মিলনস্থল ও উৎসবের কেন্দ্র। স্থানীয়দের ধারণা, হামলাকারীরা সম্ভবত ভবনটিকে কোনো ‘মসজিদ’ মনে করে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছিল, যার ফলে নিজেদের ধর্মের মানুষের উপাসনালয়ই তারা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর অনেক ইহুদি দেশ ছাড়লেও ইরানে এখনও কয়েক হাজার ইহুদি বসবাস করছেন এবং দেশটির সংবিধানে তাদের ধর্মীয় স্বীকৃতি ও সংসদে প্রতিনিধিত্ব রয়েছে।

আরও পড়ুন  ইসরাইল শান্তির উদ্যোগে বাধা দিচ্ছে: সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগ

দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও ঐতিহাসিক স্থাপনার পাশাপাশি এখন ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোও রেহাই পাচ্ছে না। ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের এই বিধ্বংসী হামলায় নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের প্রাণহানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য এই সিনাগগটি ধ্বংস হওয়া একটি বড় ধরনের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে খোদ ইসরাইলি হামলায় ইহুদি স্থাপনা ধ্বংসের বিষয়টি সামনে এলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘মসজিদ’ ভেবে ইহুদি উপাসনালয়ই ধ্বংস করল ইসরাইল

আপডেট সময় ০৪:০৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

 

ইরানের ওপর চলমান যৌথ আগ্রাসনের ৩৯তম দিনে এক নজিরবিহীন ঘটনার জন্ম দিয়েছে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী। তেহরানে অবস্থিত ইহুদিদের ঐতিহাসিক উপাসনালয় বা সিনাগগ ‘রাফি-নিয়া’ মঙ্গলবার ভোরে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মেহর এবং শার্ঘ পত্রিকার বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের এই সিনাগগটি ছিল খোরাসান অঞ্চলের ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মিলনস্থল ও উৎসবের কেন্দ্র। স্থানীয়দের ধারণা, হামলাকারীরা সম্ভবত ভবনটিকে কোনো ‘মসজিদ’ মনে করে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছিল, যার ফলে নিজেদের ধর্মের মানুষের উপাসনালয়ই তারা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর অনেক ইহুদি দেশ ছাড়লেও ইরানে এখনও কয়েক হাজার ইহুদি বসবাস করছেন এবং দেশটির সংবিধানে তাদের ধর্মীয় স্বীকৃতি ও সংসদে প্রতিনিধিত্ব রয়েছে।

আরও পড়ুন  রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত আগামীর বাংলাদেশে মসজিদ কমিটি হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও ঐতিহাসিক স্থাপনার পাশাপাশি এখন ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোও রেহাই পাচ্ছে না। ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের এই বিধ্বংসী হামলায় নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের প্রাণহানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য এই সিনাগগটি ধ্বংস হওয়া একটি বড় ধরনের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে খোদ ইসরাইলি হামলায় ইহুদি স্থাপনা ধ্বংসের বিষয়টি সামনে এলো।