ঢাকা ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

বিতর্কিত বক্তব্যের জেরে অস্ট্রেলিয়ায় মিজানুর রহমান আজহারির ভিসা বাতিল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 161

ছবি: সংগৃহীত

বক্তৃতায় অ্যাডলফ হিটলারের প্রশংসা এবং ইহুদি সম্প্রদায় সম্পর্কে স্পর্শকাতর মন্তব্য করার অভিযোগে বাংলাদেশের আলোচিত ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারির ভিসা বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।

বুধবার (১ এপ্রিল) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে তাকে অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করেছে।

অস্ট্রেলিয়ায় ‘লেগ্যাসি অফ ফেইথ’ শীর্ষক একটি সিরিজ বক্তৃতায় অংশ নিতে মিজানুর রহমান আজহারি ব্রিসবেন, মেলবোর্ন, সিডনি ও ক্যানবেরা সফরের সূচি ছিল। গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ব্রিসবেনে আয়োজিত একটি সভায় তিনি ইহুদিদের ‘বিশ্বের জঘন্যতম সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং হিটলারের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যম দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনেও তার এই বিতর্কিত বক্তব্যের বিষয়টি জোরালোভাবে উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন  বিশ্ব ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সুযোগ

অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবারই তার ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ৩, ৪ ও ৫ এপ্রিল যথাক্রমে মেলবোর্ন, সিডনি ও ক্যানবেরায় তার বক্তব্য রাখার কথা ছিল। ভিসা বাতিলের ফলে তার চলমান সফরের বাকি সব কার্যক্রম স্থগিত হয়ে গেছে।

ডেইলি মেইল এবং দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আজহারির এই বক্তব্য অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রীয় নীতির পরিপন্থী। উস্কানিমূলক এবং বর্ণবাদী বক্তব্যের দায়ে দেশটির অভিবাসন বিভাগ দ্রুত এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বিতর্কিত এই বক্তব্যের ভিডিও ও অডিও প্রমাণাদি পর্যালোচনার পরেই তার বিরুদ্ধে এই কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মিজানুর রহমান আজহারিকে বর্তমানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং তাকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। এই বিষয়ে তার ব্যক্তিগত প্রতিনিধি বা সফর আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিতর্কিত বক্তব্যের জেরে অস্ট্রেলিয়ায় মিজানুর রহমান আজহারির ভিসা বাতিল

আপডেট সময় ১২:২৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

বক্তৃতায় অ্যাডলফ হিটলারের প্রশংসা এবং ইহুদি সম্প্রদায় সম্পর্কে স্পর্শকাতর মন্তব্য করার অভিযোগে বাংলাদেশের আলোচিত ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারির ভিসা বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।

বুধবার (১ এপ্রিল) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে তাকে অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করেছে।

অস্ট্রেলিয়ায় ‘লেগ্যাসি অফ ফেইথ’ শীর্ষক একটি সিরিজ বক্তৃতায় অংশ নিতে মিজানুর রহমান আজহারি ব্রিসবেন, মেলবোর্ন, সিডনি ও ক্যানবেরা সফরের সূচি ছিল। গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ব্রিসবেনে আয়োজিত একটি সভায় তিনি ইহুদিদের ‘বিশ্বের জঘন্যতম সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং হিটলারের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যম দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনেও তার এই বিতর্কিত বক্তব্যের বিষয়টি জোরালোভাবে উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন  অস্ট্রেলিয়ার নতুন সিদ্ধান্ত: ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি

অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবারই তার ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ৩, ৪ ও ৫ এপ্রিল যথাক্রমে মেলবোর্ন, সিডনি ও ক্যানবেরায় তার বক্তব্য রাখার কথা ছিল। ভিসা বাতিলের ফলে তার চলমান সফরের বাকি সব কার্যক্রম স্থগিত হয়ে গেছে।

ডেইলি মেইল এবং দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আজহারির এই বক্তব্য অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রীয় নীতির পরিপন্থী। উস্কানিমূলক এবং বর্ণবাদী বক্তব্যের দায়ে দেশটির অভিবাসন বিভাগ দ্রুত এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বিতর্কিত এই বক্তব্যের ভিডিও ও অডিও প্রমাণাদি পর্যালোচনার পরেই তার বিরুদ্ধে এই কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মিজানুর রহমান আজহারিকে বর্তমানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং তাকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। এই বিষয়ে তার ব্যক্তিগত প্রতিনিধি বা সফর আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।