ঢাকা ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের আধিপত্যের লড়াই: কুপিয়ে হত্যা করা হলো ‘এলেক্স ইমনকে’ শান্তি আলোচনা থেকে ইরান কি হার না মানার বার্তা দিতে চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শক্তি, বৈচিত্র্য আর বিশ্বনেতৃত্বের প্রতীক হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শক্তি, বৈচিত্র্য আর বিশ্বনেতৃত্বের প্রতীক হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু দুই কলেজ শিক্ষককে পার্সেলে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হুমকি মারা গেছেন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে ঝালকাঠিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর নিহত মীরসরাইয়ে ৬০ কেজি গাঁজাসহ কাভার্ড ভ্যান জব্দ, গ্রেপ্তার ২

মধ্যপ্রাচ্যে ৩৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা, ইরান বলছে—কফিন প্রস্তুত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • / 56

ছবি: সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, গত ২০ বছরের মধ্যে সবচাইতে বড় সামরিক সমাবেশের অংশ হিসেবে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেরিন ও নাবিক বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন। মূলত ইউএসএস ত্রিপোলি নামের একটি শক্তিশালী উভচর আক্রমণকারী জাহাজে করে এই বিশাল সেনাবহরটি গত শনিবার সেন্টকমের দায়িত্বাধীন এলাকায় পৌঁছায়, যারা সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনার সঙ্গে যুক্ত হবে।

এই জাহাজটি মেরিন সেনাদের পাশাপাশি উন্নত স্ট্রাইক ফাইটার এয়ারক্রাফট এবং বিভিন্ন কৌশলগত যুদ্ধের সরঞ্জাম বহন করছে। এছাড়া ইউএসএস বক্সারসহ আরও দুটি জাহাজ এবং আরেকটি মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিটকেও ওই অঞ্চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই বাহিনীকে ইরানের মূল ভূখণ্ড এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি টার্মিনাল খারগ দ্বীপের আক্রমণাত্মক দূরত্বের মধ্যে মোতায়েন করা হতে পারে।

আরও পড়ুন  ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রীর পশ্চিম তীর যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করলো ইসরায়েল

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশাল সেনাসমাবেশকে সরাসরি যুদ্ধের হুমকি হিসেবে দেখছে তেহরান। দেশটির প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক ‘তেহরান টাইমস’ তাদের রবিবারের সংখ্যার প্রথম পাতায় ‘জাহান্নামে স্বাগতম’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ওয়াশিংটনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখার দুঃসাহস দেখায়, তবে তারা কেবল কফিনবন্দী হয়েই ফিরবে।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন যে তেহরান শান্তি আলোচনার পথে রয়েছে এবং স্থল যুদ্ধের কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই, তবে এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য আলোচনায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আরও বেশি সামরিক বিকল্প দিতেই এই বাড়তি শক্তি প্রদর্শন করছে ওয়াশিংটন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে ৩৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা, ইরান বলছে—কফিন প্রস্তুত

আপডেট সময় ০২:০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

 

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, গত ২০ বছরের মধ্যে সবচাইতে বড় সামরিক সমাবেশের অংশ হিসেবে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেরিন ও নাবিক বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন। মূলত ইউএসএস ত্রিপোলি নামের একটি শক্তিশালী উভচর আক্রমণকারী জাহাজে করে এই বিশাল সেনাবহরটি গত শনিবার সেন্টকমের দায়িত্বাধীন এলাকায় পৌঁছায়, যারা সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনার সঙ্গে যুক্ত হবে।

এই জাহাজটি মেরিন সেনাদের পাশাপাশি উন্নত স্ট্রাইক ফাইটার এয়ারক্রাফট এবং বিভিন্ন কৌশলগত যুদ্ধের সরঞ্জাম বহন করছে। এছাড়া ইউএসএস বক্সারসহ আরও দুটি জাহাজ এবং আরেকটি মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিটকেও ওই অঞ্চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই বাহিনীকে ইরানের মূল ভূখণ্ড এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি টার্মিনাল খারগ দ্বীপের আক্রমণাত্মক দূরত্বের মধ্যে মোতায়েন করা হতে পারে।

আরও পড়ুন  তেল আবিবে হুতিদের ড্রোন হামলা: ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশাল সেনাসমাবেশকে সরাসরি যুদ্ধের হুমকি হিসেবে দেখছে তেহরান। দেশটির প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক ‘তেহরান টাইমস’ তাদের রবিবারের সংখ্যার প্রথম পাতায় ‘জাহান্নামে স্বাগতম’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ওয়াশিংটনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখার দুঃসাহস দেখায়, তবে তারা কেবল কফিনবন্দী হয়েই ফিরবে।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন যে তেহরান শান্তি আলোচনার পথে রয়েছে এবং স্থল যুদ্ধের কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই, তবে এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য আলোচনায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আরও বেশি সামরিক বিকল্প দিতেই এই বাড়তি শক্তি প্রদর্শন করছে ওয়াশিংটন।