ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
ছাত্রদলের পুস্তিকা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করলেন রিজভী সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ তাবলিগ জামাতের মাওলানা এহসানুল হক আর নেই বৃষ্টির ফোঁটা থেকেই বিদ্যুৎ! নতুন সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকরা

মধ্যপ্রাচ্যে ৩৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা, ইরান বলছে—কফিন প্রস্তুত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • / 172

ছবি: সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, গত ২০ বছরের মধ্যে সবচাইতে বড় সামরিক সমাবেশের অংশ হিসেবে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেরিন ও নাবিক বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন। মূলত ইউএসএস ত্রিপোলি নামের একটি শক্তিশালী উভচর আক্রমণকারী জাহাজে করে এই বিশাল সেনাবহরটি গত শনিবার সেন্টকমের দায়িত্বাধীন এলাকায় পৌঁছায়, যারা সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনার সঙ্গে যুক্ত হবে।

এই জাহাজটি মেরিন সেনাদের পাশাপাশি উন্নত স্ট্রাইক ফাইটার এয়ারক্রাফট এবং বিভিন্ন কৌশলগত যুদ্ধের সরঞ্জাম বহন করছে। এছাড়া ইউএসএস বক্সারসহ আরও দুটি জাহাজ এবং আরেকটি মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিটকেও ওই অঞ্চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই বাহিনীকে ইরানের মূল ভূখণ্ড এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি টার্মিনাল খারগ দ্বীপের আক্রমণাত্মক দূরত্বের মধ্যে মোতায়েন করা হতে পারে।

আরও পড়ুন  ইরানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচক, চুক্তির ইঙ্গিত ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশাল সেনাসমাবেশকে সরাসরি যুদ্ধের হুমকি হিসেবে দেখছে তেহরান। দেশটির প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক ‘তেহরান টাইমস’ তাদের রবিবারের সংখ্যার প্রথম পাতায় ‘জাহান্নামে স্বাগতম’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ওয়াশিংটনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখার দুঃসাহস দেখায়, তবে তারা কেবল কফিনবন্দী হয়েই ফিরবে।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন যে তেহরান শান্তি আলোচনার পথে রয়েছে এবং স্থল যুদ্ধের কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই, তবে এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য আলোচনায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আরও বেশি সামরিক বিকল্প দিতেই এই বাড়তি শক্তি প্রদর্শন করছে ওয়াশিংটন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে ৩৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা, ইরান বলছে—কফিন প্রস্তুত

আপডেট সময় ০২:০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

 

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, গত ২০ বছরের মধ্যে সবচাইতে বড় সামরিক সমাবেশের অংশ হিসেবে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেরিন ও নাবিক বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন। মূলত ইউএসএস ত্রিপোলি নামের একটি শক্তিশালী উভচর আক্রমণকারী জাহাজে করে এই বিশাল সেনাবহরটি গত শনিবার সেন্টকমের দায়িত্বাধীন এলাকায় পৌঁছায়, যারা সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনার সঙ্গে যুক্ত হবে।

এই জাহাজটি মেরিন সেনাদের পাশাপাশি উন্নত স্ট্রাইক ফাইটার এয়ারক্রাফট এবং বিভিন্ন কৌশলগত যুদ্ধের সরঞ্জাম বহন করছে। এছাড়া ইউএসএস বক্সারসহ আরও দুটি জাহাজ এবং আরেকটি মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিটকেও ওই অঞ্চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই বাহিনীকে ইরানের মূল ভূখণ্ড এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি টার্মিনাল খারগ দ্বীপের আক্রমণাত্মক দূরত্বের মধ্যে মোতায়েন করা হতে পারে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে সতর্কতা জারি, উদ্বেগে যুক্তরাজ্য ও জার্মানি

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশাল সেনাসমাবেশকে সরাসরি যুদ্ধের হুমকি হিসেবে দেখছে তেহরান। দেশটির প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক ‘তেহরান টাইমস’ তাদের রবিবারের সংখ্যার প্রথম পাতায় ‘জাহান্নামে স্বাগতম’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ওয়াশিংটনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখার দুঃসাহস দেখায়, তবে তারা কেবল কফিনবন্দী হয়েই ফিরবে।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন যে তেহরান শান্তি আলোচনার পথে রয়েছে এবং স্থল যুদ্ধের কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই, তবে এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য আলোচনায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আরও বেশি সামরিক বিকল্প দিতেই এই বাড়তি শক্তি প্রদর্শন করছে ওয়াশিংটন।