ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

মধ্যপ্রাচ্যে ৩৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা, ইরান বলছে—কফিন প্রস্তুত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • / 144

ছবি: সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, গত ২০ বছরের মধ্যে সবচাইতে বড় সামরিক সমাবেশের অংশ হিসেবে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেরিন ও নাবিক বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন। মূলত ইউএসএস ত্রিপোলি নামের একটি শক্তিশালী উভচর আক্রমণকারী জাহাজে করে এই বিশাল সেনাবহরটি গত শনিবার সেন্টকমের দায়িত্বাধীন এলাকায় পৌঁছায়, যারা সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনার সঙ্গে যুক্ত হবে।

এই জাহাজটি মেরিন সেনাদের পাশাপাশি উন্নত স্ট্রাইক ফাইটার এয়ারক্রাফট এবং বিভিন্ন কৌশলগত যুদ্ধের সরঞ্জাম বহন করছে। এছাড়া ইউএসএস বক্সারসহ আরও দুটি জাহাজ এবং আরেকটি মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিটকেও ওই অঞ্চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই বাহিনীকে ইরানের মূল ভূখণ্ড এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি টার্মিনাল খারগ দ্বীপের আক্রমণাত্মক দূরত্বের মধ্যে মোতায়েন করা হতে পারে।

আরও পড়ুন  ইরানের হামলায় ইসরাইলের মৃত সংখ্যা বেড়ে ২৪, হামলা অব্যাহত

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশাল সেনাসমাবেশকে সরাসরি যুদ্ধের হুমকি হিসেবে দেখছে তেহরান। দেশটির প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক ‘তেহরান টাইমস’ তাদের রবিবারের সংখ্যার প্রথম পাতায় ‘জাহান্নামে স্বাগতম’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ওয়াশিংটনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখার দুঃসাহস দেখায়, তবে তারা কেবল কফিনবন্দী হয়েই ফিরবে।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন যে তেহরান শান্তি আলোচনার পথে রয়েছে এবং স্থল যুদ্ধের কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই, তবে এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য আলোচনায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আরও বেশি সামরিক বিকল্প দিতেই এই বাড়তি শক্তি প্রদর্শন করছে ওয়াশিংটন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে ৩৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা, ইরান বলছে—কফিন প্রস্তুত

আপডেট সময় ০২:০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

 

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, গত ২০ বছরের মধ্যে সবচাইতে বড় সামরিক সমাবেশের অংশ হিসেবে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেরিন ও নাবিক বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন। মূলত ইউএসএস ত্রিপোলি নামের একটি শক্তিশালী উভচর আক্রমণকারী জাহাজে করে এই বিশাল সেনাবহরটি গত শনিবার সেন্টকমের দায়িত্বাধীন এলাকায় পৌঁছায়, যারা সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনার সঙ্গে যুক্ত হবে।

এই জাহাজটি মেরিন সেনাদের পাশাপাশি উন্নত স্ট্রাইক ফাইটার এয়ারক্রাফট এবং বিভিন্ন কৌশলগত যুদ্ধের সরঞ্জাম বহন করছে। এছাড়া ইউএসএস বক্সারসহ আরও দুটি জাহাজ এবং আরেকটি মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিটকেও ওই অঞ্চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই বাহিনীকে ইরানের মূল ভূখণ্ড এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি টার্মিনাল খারগ দ্বীপের আক্রমণাত্মক দূরত্বের মধ্যে মোতায়েন করা হতে পারে।

আরও পড়ুন  চলমান উত্তেজনা নিয়ে শান্তি আলোচনায় প্রস্তুত রাশিয়া, আগ্রহ নেই ইসরায়েলের

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশাল সেনাসমাবেশকে সরাসরি যুদ্ধের হুমকি হিসেবে দেখছে তেহরান। দেশটির প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক ‘তেহরান টাইমস’ তাদের রবিবারের সংখ্যার প্রথম পাতায় ‘জাহান্নামে স্বাগতম’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ওয়াশিংটনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখার দুঃসাহস দেখায়, তবে তারা কেবল কফিনবন্দী হয়েই ফিরবে।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন যে তেহরান শান্তি আলোচনার পথে রয়েছে এবং স্থল যুদ্ধের কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই, তবে এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য আলোচনায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আরও বেশি সামরিক বিকল্প দিতেই এই বাড়তি শক্তি প্রদর্শন করছে ওয়াশিংটন।