০৩:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় বক্তব্যরত অবস্থায় জামায়াতের জেলা আমীরের মৃত্যু বাংলাদেশিদের জন্য ভিসায় বন্ড বাধ্যতামূলক করল যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনী নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য, ডগ স্কোয়াড ও ড্রোন নজরদারি ঘুমের ঘোরে কথা বলা; মনের কথা নাকি মস্তিষ্কের বিশেষ আচরণ? খুলনায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিপক্ষে মার্কিন জনগণ স্পেনে দুই হাইস্পিড ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ২১ আলিফ হত্যা মামলার শুনানিতে চিন্ময় কৃষ্ণসহ ২৩ আসামি আদালতে জনসম্মুখে প্রথমবার বক্তব্য রাখলেন জাইমা রহমান হৃদয় ম্যাজিকে রংপুরের জয়, এক ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরি

গাজায় যুদ্ধবিরতি মানতে ইসরায়েলকে হোয়াইট হাউসের সতর্কবার্তা, নেতানিয়াহুকে সরাসরি বার্তা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 145

 

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসরায়েলকে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সরাসরি বার্তা দিয়েছে হোয়াইট হাউস।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুর প্রতি ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি লেখেন, কেউ যদি নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে চান এবং দেখাতে চান যে তিনি কোনো চুক্তির প্রতি সম্মান দেখান না, তবে তিনি অতিথি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসতে পারেন। তবে গাজা সংক্রান্ত চুক্তি হওয়ার পর হোয়াইট হাউস কোনোভাবেই এমন কিছু হতে দেবে না, যাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়।

[bsa_pro_ad_space id=2]

হোয়াইট হাউসের এই অবস্থান এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও ইসরায়েলি হামলার অভিযোগ উঠছে।

গত ১০ অক্টোবর গাজায় চলমান সহিংসতা বন্ধে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ দফার ভিত্তিতে এই সমঝোতায় পৌঁছায় ইসরায়েল ও হামাস। যুদ্ধবিরতির শর্তগুলোর মধ্যে একটি দফায় বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণসহ সব ধরনের সামরিক তৎপরতা স্থগিত রাখার কথা বলা হয়েছে।

তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রায় দুই মাস পার হলেও ইসরায়েল ও হামাস পরস্পরের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় প্রায় চার শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি বাহিনী এখনো গাজা উপত্যকার অর্ধেকের বেশি এলাকার নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। মানবিক সংস্থাগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ত্রাণ সহায়তা কিছুটা বেড়েছে। তবে ইসরায়েলের বিধিনিষেধ ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। পাশাপাশি রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় চালু করা নিয়েও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে মতবিরোধ অব্যাহত আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

গাজায় যুদ্ধবিরতি মানতে ইসরায়েলকে হোয়াইট হাউসের সতর্কবার্তা, নেতানিয়াহুকে সরাসরি বার্তা

আপডেট সময় ০৯:৪৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

 

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসরায়েলকে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সরাসরি বার্তা দিয়েছে হোয়াইট হাউস।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুর প্রতি ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি লেখেন, কেউ যদি নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে চান এবং দেখাতে চান যে তিনি কোনো চুক্তির প্রতি সম্মান দেখান না, তবে তিনি অতিথি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসতে পারেন। তবে গাজা সংক্রান্ত চুক্তি হওয়ার পর হোয়াইট হাউস কোনোভাবেই এমন কিছু হতে দেবে না, যাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়।

[bsa_pro_ad_space id=2]

হোয়াইট হাউসের এই অবস্থান এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও ইসরায়েলি হামলার অভিযোগ উঠছে।

গত ১০ অক্টোবর গাজায় চলমান সহিংসতা বন্ধে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ দফার ভিত্তিতে এই সমঝোতায় পৌঁছায় ইসরায়েল ও হামাস। যুদ্ধবিরতির শর্তগুলোর মধ্যে একটি দফায় বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণসহ সব ধরনের সামরিক তৎপরতা স্থগিত রাখার কথা বলা হয়েছে।

তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রায় দুই মাস পার হলেও ইসরায়েল ও হামাস পরস্পরের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় প্রায় চার শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি বাহিনী এখনো গাজা উপত্যকার অর্ধেকের বেশি এলাকার নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। মানবিক সংস্থাগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ত্রাণ সহায়তা কিছুটা বেড়েছে। তবে ইসরায়েলের বিধিনিষেধ ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। পাশাপাশি রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় চালু করা নিয়েও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে মতবিরোধ অব্যাহত আছে।