ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

যেভাবে ট্রাম্প হয়ে গেলেন ইউরোপের প্রেসিডেন্ট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:১৯:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 425

 

Politico-এর খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প নিজেকে ‘ইউরোপের প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং দাবি করেছেন, EU নেতারা তাকে এভাবে সম্বোধন করেন। ব্রাসেলস এটি অস্বীকার করলেও স্বীকার করা হয়েছে, যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইউরোপীয় রাজনীতিতে প্রভাব অভূতপূর্ব।

খবরে বলা হয়েছে, EU নেতারা ট্রাম্পের কাছে শুধু রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নয়, হাঙ্গেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবানের ওপর প্রভাব বিস্তারেও সাহায্য চেয়েছেন। এক ইউরোপীয় কূটনীতিক মন্তব্য করেন,
“তিনি কখনোই ইউরোপের প্রেসিডেন্ট হবেন না, তবে তিনি হতে পারেন এর গডফাদার। আরও সঠিক তুলনা—তিনি এক ধরনের মাফিয়া বস, যে চাপ দিয়ে প্রভাব বিস্তার করেন।”

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের প্রথম পার্লামেন্ট ভাষণে প্রধান আলোচ্য বিষয়সমূহ যা যা ছিল, আমেরিকা ফাস্ট নীতির জোরালো প্রতিধ্বনি

সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত অ্যান্থনি গার্ডনার উল্লেখ করেছেন, আগে ট্রান্সআটলান্টিক ট্রেড ও ইনভেস্টমেন্ট পার্টনারশিপের আলোচনায় ইউরোপকে সমকক্ষ হিসেবে দেখা হতো। এখন, তার মতে, EU সংহতি হারিয়েছে, যা তাকে মার্কিন চাপের কাছে দুর্বল করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যেভাবে ট্রাম্প হয়ে গেলেন ইউরোপের প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় ০৬:১৯:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

Politico-এর খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প নিজেকে ‘ইউরোপের প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং দাবি করেছেন, EU নেতারা তাকে এভাবে সম্বোধন করেন। ব্রাসেলস এটি অস্বীকার করলেও স্বীকার করা হয়েছে, যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইউরোপীয় রাজনীতিতে প্রভাব অভূতপূর্ব।

খবরে বলা হয়েছে, EU নেতারা ট্রাম্পের কাছে শুধু রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নয়, হাঙ্গেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবানের ওপর প্রভাব বিস্তারেও সাহায্য চেয়েছেন। এক ইউরোপীয় কূটনীতিক মন্তব্য করেন,
“তিনি কখনোই ইউরোপের প্রেসিডেন্ট হবেন না, তবে তিনি হতে পারেন এর গডফাদার। আরও সঠিক তুলনা—তিনি এক ধরনের মাফিয়া বস, যে চাপ দিয়ে প্রভাব বিস্তার করেন।”

আরও পড়ুন  ইরানের তেল বিক্রি রুখতে বৈশ্বিক জোটের দাবি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের

সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত অ্যান্থনি গার্ডনার উল্লেখ করেছেন, আগে ট্রান্সআটলান্টিক ট্রেড ও ইনভেস্টমেন্ট পার্টনারশিপের আলোচনায় ইউরোপকে সমকক্ষ হিসেবে দেখা হতো। এখন, তার মতে, EU সংহতি হারিয়েছে, যা তাকে মার্কিন চাপের কাছে দুর্বল করেছে।