ঢাকা ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

ইসরায়েলি হামলার শিকার: গাজার ২৭০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 323

ছবি সংগৃহীত

 

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার ভয়াবহ হামলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৭০০-এরও বেশি পরিবার সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে—যাদের একজন সদস্যও জীবিত নেই। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতার তীব্র সমালোচনা করে।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলি বিমান হামলায় পশ্চিম তীরে ১০ ফিলিস্তিনি নিহত

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসরায়েলি হামলায় গাজায় অবকাঠামোগত ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। ধ্বংস হয়েছে ৩৮টি হাসপাতাল, ৮৩৩টি মসজিদ এবং দেড় শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, সর্বশেষ এক হামলায় অন্তত ৬৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪৫ জন গাজা শহরের বাসিন্দা। শহরটি দখল করতে এবং বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরিয়ে নিতে ইসরায়েলি সেনারা অভিযান চালাচ্ছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৪ হাজার ৩৬৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৬৭ জন। নিহতদের মধ্যে ২০ হাজারেরও বেশি শিশু রয়েছে।

এছাড়া গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি অবরোধে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে গত দুই বছরে ৩৮২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩৫ জনই শিশু।

এদিকে গাজা সিটিতে একের পর এক আবাসিক টাওয়ার ধ্বংস করছে ইসরায়েলি বাহিনী। মুশতাহা টাওয়ার ধ্বংসের পর শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) আল-সুসি আবাসিক টাওয়ারও উড়িয়ে দেওয়া হয়। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গালান্ট কাটজ সামাজিক মাধ্যমে ওই ধ্বংসযজ্ঞের ভিডিও প্রকাশ করে আরও হামলার হুঁশিয়ারি দেন। যদিও ইসরায়েল দাবি করছে এসব ভবন হামাসের নজরদারির কাজে ব্যবহার হতো, এর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন হামাসের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তিনি সতর্ক করেছেন, জিম্মিদের মুক্তি না দেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ ও অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে। ট্রাম্পের দাবি, হামাসের কাছে জীবিত জিম্মির সংখ্যা দ্রুতই কমে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরায়েলি হামলার শিকার: গাজার ২৭০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট সময় ১০:৩৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার ভয়াবহ হামলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৭০০-এরও বেশি পরিবার সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে—যাদের একজন সদস্যও জীবিত নেই। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতার তীব্র সমালোচনা করে।

আরও পড়ুন  গাজাজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর টানা হামলায় নিহত ১১০ ফিলিস্তিনি

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসরায়েলি হামলায় গাজায় অবকাঠামোগত ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। ধ্বংস হয়েছে ৩৮টি হাসপাতাল, ৮৩৩টি মসজিদ এবং দেড় শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, সর্বশেষ এক হামলায় অন্তত ৬৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪৫ জন গাজা শহরের বাসিন্দা। শহরটি দখল করতে এবং বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরিয়ে নিতে ইসরায়েলি সেনারা অভিযান চালাচ্ছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৪ হাজার ৩৬৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৬৭ জন। নিহতদের মধ্যে ২০ হাজারেরও বেশি শিশু রয়েছে।

এছাড়া গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি অবরোধে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে গত দুই বছরে ৩৮২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩৫ জনই শিশু।

এদিকে গাজা সিটিতে একের পর এক আবাসিক টাওয়ার ধ্বংস করছে ইসরায়েলি বাহিনী। মুশতাহা টাওয়ার ধ্বংসের পর শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) আল-সুসি আবাসিক টাওয়ারও উড়িয়ে দেওয়া হয়। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গালান্ট কাটজ সামাজিক মাধ্যমে ওই ধ্বংসযজ্ঞের ভিডিও প্রকাশ করে আরও হামলার হুঁশিয়ারি দেন। যদিও ইসরায়েল দাবি করছে এসব ভবন হামাসের নজরদারির কাজে ব্যবহার হতো, এর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন হামাসের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তিনি সতর্ক করেছেন, জিম্মিদের মুক্তি না দেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ ও অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে। ট্রাম্পের দাবি, হামাসের কাছে জীবিত জিম্মির সংখ্যা দ্রুতই কমে এসেছে।