ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

ইসরায়েলি হামলার শিকার: গাজার ২৭০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 1191

ছবি সংগৃহীত

 

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার ভয়াবহ হামলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৭০০-এরও বেশি পরিবার সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে—যাদের একজন সদস্যও জীবিত নেই। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতার তীব্র সমালোচনা করে।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলি সেনার গুলিতে নিহত ৬৭ ফিলিস্তিনি: ত্রাণ নিতে আসার সময় ঘটে এ ঘটনা

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসরায়েলি হামলায় গাজায় অবকাঠামোগত ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। ধ্বংস হয়েছে ৩৮টি হাসপাতাল, ৮৩৩টি মসজিদ এবং দেড় শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, সর্বশেষ এক হামলায় অন্তত ৬৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪৫ জন গাজা শহরের বাসিন্দা। শহরটি দখল করতে এবং বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরিয়ে নিতে ইসরায়েলি সেনারা অভিযান চালাচ্ছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৪ হাজার ৩৬৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৬৭ জন। নিহতদের মধ্যে ২০ হাজারেরও বেশি শিশু রয়েছে।

এছাড়া গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি অবরোধে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে গত দুই বছরে ৩৮২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩৫ জনই শিশু।

এদিকে গাজা সিটিতে একের পর এক আবাসিক টাওয়ার ধ্বংস করছে ইসরায়েলি বাহিনী। মুশতাহা টাওয়ার ধ্বংসের পর শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) আল-সুসি আবাসিক টাওয়ারও উড়িয়ে দেওয়া হয়। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গালান্ট কাটজ সামাজিক মাধ্যমে ওই ধ্বংসযজ্ঞের ভিডিও প্রকাশ করে আরও হামলার হুঁশিয়ারি দেন। যদিও ইসরায়েল দাবি করছে এসব ভবন হামাসের নজরদারির কাজে ব্যবহার হতো, এর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন হামাসের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তিনি সতর্ক করেছেন, জিম্মিদের মুক্তি না দেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ ও অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে। ট্রাম্পের দাবি, হামাসের কাছে জীবিত জিম্মির সংখ্যা দ্রুতই কমে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরায়েলি হামলার শিকার: গাজার ২৭০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট সময় ১০:৩৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার ভয়াবহ হামলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৭০০-এরও বেশি পরিবার সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে—যাদের একজন সদস্যও জীবিত নেই। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতার তীব্র সমালোচনা করে।

আরও পড়ুন  গাজায় ফের ইসরায়েলি হামলায় একদিনে শিশুসহ নিহত ২৬

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসরায়েলি হামলায় গাজায় অবকাঠামোগত ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। ধ্বংস হয়েছে ৩৮টি হাসপাতাল, ৮৩৩টি মসজিদ এবং দেড় শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, সর্বশেষ এক হামলায় অন্তত ৬৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪৫ জন গাজা শহরের বাসিন্দা। শহরটি দখল করতে এবং বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরিয়ে নিতে ইসরায়েলি সেনারা অভিযান চালাচ্ছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৪ হাজার ৩৬৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৬৭ জন। নিহতদের মধ্যে ২০ হাজারেরও বেশি শিশু রয়েছে।

এছাড়া গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি অবরোধে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে গত দুই বছরে ৩৮২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩৫ জনই শিশু।

এদিকে গাজা সিটিতে একের পর এক আবাসিক টাওয়ার ধ্বংস করছে ইসরায়েলি বাহিনী। মুশতাহা টাওয়ার ধ্বংসের পর শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) আল-সুসি আবাসিক টাওয়ারও উড়িয়ে দেওয়া হয়। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গালান্ট কাটজ সামাজিক মাধ্যমে ওই ধ্বংসযজ্ঞের ভিডিও প্রকাশ করে আরও হামলার হুঁশিয়ারি দেন। যদিও ইসরায়েল দাবি করছে এসব ভবন হামাসের নজরদারির কাজে ব্যবহার হতো, এর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন হামাসের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তিনি সতর্ক করেছেন, জিম্মিদের মুক্তি না দেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ ও অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে। ট্রাম্পের দাবি, হামাসের কাছে জীবিত জিম্মির সংখ্যা দ্রুতই কমে এসেছে।