০৭:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫
শিরোনাম :
ফিনল্যান্ডে ডাটা সেন্টারের নির্গত  তাপে গরম হচ্ছে পুরো শহর চীন কোয়ান্টাম কম্পিউটারে সফলতা পেলে যুক্তরাষ্ট্রকে এক নিমেষে প্রস্তরযুগে পাঠিয়ে দেবে যুক্তরাষ্ট্রের F-35 যুদ্ধবিমান প্রকল্পে ফিরে আসার বিষয়ে আরো একধাপ এগিয়ে গেল তুরস্ক: এমনটাই জানিয়েছেন তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাক। ফিফার শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হলেন ট্রাম্প ব্রাজিলে অবতরণের পর আগুনে পুড়ল এয়ারবাস এ-৩২০, অল্পের জন্য রক্ষা পেল যাত্রীরা পাক-আফগান সীমান্তে তীব্র গোলাগুলি, উত্তেজনা চরমে আগারগাঁওয়ে বিস্ফোরণ: দগ্ধ একই পরিবারের সাতজন ডিজিটাল গ্রিন কার্ডে মিলবে মালয়েশিয়ার নির্মাণশ্রমিকদের বেতন ঢাকায় জোবাইদা রহমান, বেগম জিয়ার সর্বশেষ অবস্থা ক্যারিবিয়ান সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, নিহত ৪

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ভারতের প্রতিশ্রুতি: মোদি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • / 55

ছবি সংগৃহীত

 

 

সাত বছর পর চীন সফরে গিয়ে ভারত-চীন সম্পর্ক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে মোদি বলেছেন, ভারত চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিজ্ঞাপন

বৈঠকে সীমান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বাণিজ্যিক সহযোগিতার দিকে এগোনোর বার্তা দিয়েছেন দুই নেতা। রোববার (৩১ আগস্ট) রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বৈঠকটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক সম্মেলনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত হয়।

মোদি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলনে অংশ নিতে চীন সফর করেছেন। সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা উপস্থিত রয়েছেন।

ভিডিওতে মোদিকে শি জিনপিংকে বলতে শোনা যায়, “আমরা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
বৈঠকটি এমন সময়ে হয়েছে যখন ওয়াশিংটন ভারতের পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, মোদি ও শি পশ্চিমা চাপ মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ অবস্থান দেখাতে চাইছেন।

মোদি জানান, ২০২০ সালে সংঘর্ষের পর বিতর্কিত হিমালয় সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরেছে। সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে, তবে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।

গত বছর রাশিয়ায় বৈঠকের সময় দুই দেশ সীমান্ত টহল নিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছায়, যার ফলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অচলাবস্থা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। মোদি বৈঠকে জানান, ২০২০ সালের পর বন্ধ থাকা সরাসরি ফ্লাইট চালু হতে যাচ্ছে।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ভারতে সফরকালে বিরল খনিজ, সার ও টানেল বোরিং মেশিনের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার ঘোষণা দেন।
বেঙ্গালুরুর তাকশশিলা ইনস্টিটিউশনের বিশেষজ্ঞ মনোজ কেওয়ালরামানি বলেন, “ভারত ও চীন একটি নতুন ভারসাম্য খুঁজে বের করার প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছে, যা দীর্ঘ ও জটিল হতে পারে।”

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ভারতের প্রতিশ্রুতি: মোদি

আপডেট সময় ০২:১৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

 

 

সাত বছর পর চীন সফরে গিয়ে ভারত-চীন সম্পর্ক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে মোদি বলেছেন, ভারত চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিজ্ঞাপন

বৈঠকে সীমান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বাণিজ্যিক সহযোগিতার দিকে এগোনোর বার্তা দিয়েছেন দুই নেতা। রোববার (৩১ আগস্ট) রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বৈঠকটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক সম্মেলনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত হয়।

মোদি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলনে অংশ নিতে চীন সফর করেছেন। সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা উপস্থিত রয়েছেন।

ভিডিওতে মোদিকে শি জিনপিংকে বলতে শোনা যায়, “আমরা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
বৈঠকটি এমন সময়ে হয়েছে যখন ওয়াশিংটন ভারতের পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, মোদি ও শি পশ্চিমা চাপ মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ অবস্থান দেখাতে চাইছেন।

মোদি জানান, ২০২০ সালে সংঘর্ষের পর বিতর্কিত হিমালয় সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরেছে। সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে, তবে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।

গত বছর রাশিয়ায় বৈঠকের সময় দুই দেশ সীমান্ত টহল নিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছায়, যার ফলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অচলাবস্থা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। মোদি বৈঠকে জানান, ২০২০ সালের পর বন্ধ থাকা সরাসরি ফ্লাইট চালু হতে যাচ্ছে।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ভারতে সফরকালে বিরল খনিজ, সার ও টানেল বোরিং মেশিনের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার ঘোষণা দেন।
বেঙ্গালুরুর তাকশশিলা ইনস্টিটিউশনের বিশেষজ্ঞ মনোজ কেওয়ালরামানি বলেন, “ভারত ও চীন একটি নতুন ভারসাম্য খুঁজে বের করার প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছে, যা দীর্ঘ ও জটিল হতে পারে।”