ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

নতুন হামলায় গাজায় নিহত ৭৭ ফিলিস্তিনি: নিরাপত্তাহীনতা চরমে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • / 775

ছবি সংগৃহীত

 

 

 

আরও পড়ুন  গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতিবাদ: আজ মাঠে নামছে নেতাকর্মীরা

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান ও স্থল হামলায় একদিনে আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, এর মধ্যে গাজা শহরেই ৪৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন ছিলেন খাদ্যসহায়তা সংগ্রহের লাইনে দাঁড়িয়ে।

সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইসরায়েলের বোমাবর্ষণ ও জোরপূর্বক উচ্ছেদের কারণে গাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এলাকা ছাড়ছেন। তারা হাতে গোনা সামান্য মালপত্র ট্রাক, ভ্যানে ও গাধার গাড়িতে নিয়ে পালাচ্ছেন।

নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের পশ্চিমে দেইর আল-বালাহ এলাকায় বহু পরিবার খোলা আকাশের নিচে অস্থায়ী তাঁবু ফেলতে শুরু করেছে, এবং তাদের অধিকাংশই এর আগেও একাধিকবার ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

৫০ বছর বয়সী বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি মোহাম্মদ মারুফ বলেন, “আমরা রাস্তায় পড়ে আছি। কী বলব? কুকুরের মতো? না, কুকুরের চেয়েও খারাপ অবস্থায় আছি।” তিনি জানান, নয় সদস্যের পরিবার নিয়ে তারা উত্তর গাজার বেইত লাহিয়া থেকে পালিয়ে এসেছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শনিবার গাজায় নিহত হয়েছেন ৭৭ জন, যাদের মধ্যে ৪৭ জন গাজা নগরীতে। হামলায় প্রাণ হারানোদের মধ্যে অন্তত ১১ জন ছিলেন রুটি সংগ্রহের লাইনে। এছাড়া, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আবাসিক ভবনে হামলায় আরও সাতজন নিহত হন। ধ্বংসস্তূপ থেকে হতাহতদের উদ্ধারে কাজ করছেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ বলেন, গাজা নগরীতে হামলার তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে। ঘরবাড়ি, কমিউনিটি সেন্টারসহ সাধারণ মানুষের জীবনধারণের মূলভিত্তি একে একে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় মানুষ দুর্ভিক্ষ, অনাহার ও পানিশূন্যতার মধ্যে রয়েছে। পুরো পরিস্থিতি এখন মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন হামলায় গাজায় নিহত ৭৭ ফিলিস্তিনি: নিরাপত্তাহীনতা চরমে

আপডেট সময় ১২:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

 

 

 

আরও পড়ুন  গাজার অবরোধ: ইসরায়েলি হামলায় ৬২ ফিলিস্তিনির প্রাণহানী

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান ও স্থল হামলায় একদিনে আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, এর মধ্যে গাজা শহরেই ৪৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন ছিলেন খাদ্যসহায়তা সংগ্রহের লাইনে দাঁড়িয়ে।

সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইসরায়েলের বোমাবর্ষণ ও জোরপূর্বক উচ্ছেদের কারণে গাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এলাকা ছাড়ছেন। তারা হাতে গোনা সামান্য মালপত্র ট্রাক, ভ্যানে ও গাধার গাড়িতে নিয়ে পালাচ্ছেন।

নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের পশ্চিমে দেইর আল-বালাহ এলাকায় বহু পরিবার খোলা আকাশের নিচে অস্থায়ী তাঁবু ফেলতে শুরু করেছে, এবং তাদের অধিকাংশই এর আগেও একাধিকবার ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

৫০ বছর বয়সী বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি মোহাম্মদ মারুফ বলেন, “আমরা রাস্তায় পড়ে আছি। কী বলব? কুকুরের মতো? না, কুকুরের চেয়েও খারাপ অবস্থায় আছি।” তিনি জানান, নয় সদস্যের পরিবার নিয়ে তারা উত্তর গাজার বেইত লাহিয়া থেকে পালিয়ে এসেছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শনিবার গাজায় নিহত হয়েছেন ৭৭ জন, যাদের মধ্যে ৪৭ জন গাজা নগরীতে। হামলায় প্রাণ হারানোদের মধ্যে অন্তত ১১ জন ছিলেন রুটি সংগ্রহের লাইনে। এছাড়া, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আবাসিক ভবনে হামলায় আরও সাতজন নিহত হন। ধ্বংসস্তূপ থেকে হতাহতদের উদ্ধারে কাজ করছেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ বলেন, গাজা নগরীতে হামলার তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে। ঘরবাড়ি, কমিউনিটি সেন্টারসহ সাধারণ মানুষের জীবনধারণের মূলভিত্তি একে একে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় মানুষ দুর্ভিক্ষ, অনাহার ও পানিশূন্যতার মধ্যে রয়েছে। পুরো পরিস্থিতি এখন মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিচ্ছে।