ঢাকা ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

হোয়াইট হাউসের সামনে গাজা ও ইরানে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • / 646

ছবি সংগৃহীত

 

গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা ও ইরানে সামরিক হামলার বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সম্পৃক্ততার আশঙ্কা বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, যার প্রতিবাদেই এই গণজমায়েত ঘটে।

বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ফিলিস্তিন ও ইরানের জাতীয় পতাকা হাতে তুলে নেন এবং ইসরায়েলের সামরিক অভিযান, বিশেষ করে গাজা উপত্যকায় নির্বিচারে হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। তাঁরা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কড়া সমালোচনা করেন এবং যুদ্ধকে “অন্যায্য ও বিপজ্জনক” বলে আখ্যা দেন।

আরও পড়ুন  ফ্রান্সে শিক্ষার্থী বিক্ষোভে উত্তেজনা, আটক ২ হাজার

বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অনেকেই প্ল্যাকার্ডে “গাজায় গণহত্যা বন্ধ করো” এবং “ইরানের ওপর আগ্রাসন বন্ধ করো”– এমন বার্তা ধারণ করেন। তাঁদের দাবি, এই সংঘাতে মার্কিন হস্তক্ষেপ শুধু পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। তাই যুক্তরাষ্ট্রকে এই সংঘাতে সম্পৃক্ত না হওয়ার জন্য স্পষ্টভাবে আহ্বান জানান তাঁরা। যদিও বিক্ষোভে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম উল্লেখ করে তাঁকে আহ্বান জানানো হয়েছে, বাস্তবে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনই ক্ষমতায় রয়েছে।

গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, একই ইস্যুতে লস অ্যাঞ্জেলেস ও ক্যালিফোর্নিয়া সহ যুক্তরাষ্ট্রের আরও কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে বিক্ষোভ হয়েছে। সাধারণ মানুষ, মানবাধিকারকর্মী ও বিভিন্ন প্রবাসী সংগঠনের সদস্যরা এই বিক্ষোভে অংশ নেন।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, যুদ্ধের আগুনে জ্বলে উঠেছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য। নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী। গাজা উপত্যকায় অবরোধ ও বিমান হামলায় ইতিমধ্যেই শত শত মানুষ নিহত হয়েছে। একইসঙ্গে ইরানের ওপর হামলার মাধ্যমে অঞ্চলজুড়ে নতুন করে সংঘাত উসকে দেওয়া হচ্ছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো এ অবস্থায় বিশ্ব সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় হতে আহ্বান জানিয়েছে। তারা মনে করছে, আন্তর্জাতিক চাপই কেবল এই সহিংসতা বন্ধ করতে পারে।

সূত্র: টিআরটি গ্লোবাল

নিউজটি শেয়ার করুন

হোয়াইট হাউসের সামনে গাজা ও ইরানে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

আপডেট সময় ১২:২২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

 

গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা ও ইরানে সামরিক হামলার বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সম্পৃক্ততার আশঙ্কা বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, যার প্রতিবাদেই এই গণজমায়েত ঘটে।

বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ফিলিস্তিন ও ইরানের জাতীয় পতাকা হাতে তুলে নেন এবং ইসরায়েলের সামরিক অভিযান, বিশেষ করে গাজা উপত্যকায় নির্বিচারে হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। তাঁরা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কড়া সমালোচনা করেন এবং যুদ্ধকে “অন্যায্য ও বিপজ্জনক” বলে আখ্যা দেন।

আরও পড়ুন  দিল্লিতে বিক্ষোভের ডাক ‘ইন্ডিয়া’ জোটের

বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অনেকেই প্ল্যাকার্ডে “গাজায় গণহত্যা বন্ধ করো” এবং “ইরানের ওপর আগ্রাসন বন্ধ করো”– এমন বার্তা ধারণ করেন। তাঁদের দাবি, এই সংঘাতে মার্কিন হস্তক্ষেপ শুধু পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। তাই যুক্তরাষ্ট্রকে এই সংঘাতে সম্পৃক্ত না হওয়ার জন্য স্পষ্টভাবে আহ্বান জানান তাঁরা। যদিও বিক্ষোভে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম উল্লেখ করে তাঁকে আহ্বান জানানো হয়েছে, বাস্তবে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনই ক্ষমতায় রয়েছে।

গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, একই ইস্যুতে লস অ্যাঞ্জেলেস ও ক্যালিফোর্নিয়া সহ যুক্তরাষ্ট্রের আরও কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে বিক্ষোভ হয়েছে। সাধারণ মানুষ, মানবাধিকারকর্মী ও বিভিন্ন প্রবাসী সংগঠনের সদস্যরা এই বিক্ষোভে অংশ নেন।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, যুদ্ধের আগুনে জ্বলে উঠেছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য। নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী। গাজা উপত্যকায় অবরোধ ও বিমান হামলায় ইতিমধ্যেই শত শত মানুষ নিহত হয়েছে। একইসঙ্গে ইরানের ওপর হামলার মাধ্যমে অঞ্চলজুড়ে নতুন করে সংঘাত উসকে দেওয়া হচ্ছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো এ অবস্থায় বিশ্ব সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় হতে আহ্বান জানিয়েছে। তারা মনে করছে, আন্তর্জাতিক চাপই কেবল এই সহিংসতা বন্ধ করতে পারে।

সূত্র: টিআরটি গ্লোবাল