ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
‘২৯ বছর বয়সেই রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের জন্য ব্যাকুল কেউ কেউ’: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী সালমান শাহ হ/ত্যা মা/ম/লায় গ্রে/প্তার ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ কলকাতায় মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল, অল্পের জন্য রক্ষা পাওয়ার দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চু*রির মা*ম*লায় তদন্ত প্রতিবেদন ৯৭ বার পেছাল হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বাবুনগর মাদ্রাসায় প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হ/ত্যা মা*ম*লা, ডন আ*টক সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের ১০ নেতাকর্মীকে পি*টি*য়ে হাসপাতালে পাঠাল নি/ষি/দ্ধ ছাত্রলীগ ‘বিভ্রান্ত করে জনগণের শান্তি নষ্ট করবেন না’: প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুরে হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সিভিল সার্জনকে বদলির নির্দেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ

রাশিয়ার যুদ্ধ প্রস্তুতি নাটোর চেয়ে বহুগুণ দ্রুত: হুঁশিয়ারি নাটো প্রধানের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 486

ছবি সংগৃহীত

 

রাশিয়ার যুদ্ধ প্রস্তুতি নাটোর তুলনায় অনেক দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন নাটো প্রধান মার্ক রুটে। তিনি জানান, মাত্র তিন মাসে রাশিয়া প্রায় ১,৫০০ ট্যাংক, ৩,০০০ সামরিক যান এবং ২০০টি ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে যা একই পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে নাটোর সময় লাগে প্রায় এক বছর।

বেলজিয়ামে এক নিরাপত্তা সম্মেলনে রুটে বলেন, “এই হারে চলতে থাকলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই রাশিয়া সরাসরি নাটোর ওপর হামলার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।” তিনি ইউরোপীয় নেতাদের আরও সক্রিয় এবং সজাগ হওয়ার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  ভারতের সম্ভাব্য সামরিক হামলার আশঙ্কা, পাল্টা হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের।

নাটো প্রধান আরও উল্লেখ করেন, রাশিয়ার হাইপারসনিক অস্ত্র ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য একটি নতুন মাত্রার হুমকি হয়ে উঠেছে। এসব অস্ত্র ইউরোপকে রাশিয়ার মাত্র “কয়েক মিনিটের দূরত্বে” নিয়ে এসেছে, যা প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে চরমভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

রাশিয়ার এমন অগ্রগতির ফলে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। ইউক্রেন যুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়া নিজেদের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়ার সামরিক শিল্প এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে তারা প্রতিমাসে অসংখ্য যুদ্ধ সরঞ্জাম তৈরি করতে পারছে, যা পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় অনেক দ্রুত।

নাটোর অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। রুটে বলেন, “নাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে এখনই তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে হবে এবং শিল্প উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে হবে, নয়তো আমরা বিপদের মুখে পড়ব।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপ যদি এখনই সমন্বিত উদ্যোগ না নেয়, তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হতে পারে, যা রাশিয়ার পক্ষে কৌশলগত সুবিধা হয়ে দাঁড়াবে।

রাশিয়ার এই উন্নয়ন এবং নাটো প্রধানের হুঁশিয়ারি এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিটি নিরাপত্তা সভার প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাশিয়ার যুদ্ধ প্রস্তুতি নাটোর চেয়ে বহুগুণ দ্রুত: হুঁশিয়ারি নাটো প্রধানের

আপডেট সময় ০১:৪৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

রাশিয়ার যুদ্ধ প্রস্তুতি নাটোর তুলনায় অনেক দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন নাটো প্রধান মার্ক রুটে। তিনি জানান, মাত্র তিন মাসে রাশিয়া প্রায় ১,৫০০ ট্যাংক, ৩,০০০ সামরিক যান এবং ২০০টি ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে যা একই পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে নাটোর সময় লাগে প্রায় এক বছর।

বেলজিয়ামে এক নিরাপত্তা সম্মেলনে রুটে বলেন, “এই হারে চলতে থাকলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই রাশিয়া সরাসরি নাটোর ওপর হামলার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।” তিনি ইউরোপীয় নেতাদের আরও সক্রিয় এবং সজাগ হওয়ার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  সচিবালয়ে আজ তালা ঝোলানোর হুঁশিয়ারি

নাটো প্রধান আরও উল্লেখ করেন, রাশিয়ার হাইপারসনিক অস্ত্র ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য একটি নতুন মাত্রার হুমকি হয়ে উঠেছে। এসব অস্ত্র ইউরোপকে রাশিয়ার মাত্র “কয়েক মিনিটের দূরত্বে” নিয়ে এসেছে, যা প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে চরমভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

রাশিয়ার এমন অগ্রগতির ফলে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। ইউক্রেন যুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়া নিজেদের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়ার সামরিক শিল্প এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে তারা প্রতিমাসে অসংখ্য যুদ্ধ সরঞ্জাম তৈরি করতে পারছে, যা পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় অনেক দ্রুত।

নাটোর অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। রুটে বলেন, “নাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে এখনই তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে হবে এবং শিল্প উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে হবে, নয়তো আমরা বিপদের মুখে পড়ব।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপ যদি এখনই সমন্বিত উদ্যোগ না নেয়, তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হতে পারে, যা রাশিয়ার পক্ষে কৌশলগত সুবিধা হয়ে দাঁড়াবে।

রাশিয়ার এই উন্নয়ন এবং নাটো প্রধানের হুঁশিয়ারি এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিটি নিরাপত্তা সভার প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।