ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

রাশিয়ার যুদ্ধ প্রস্তুতি নাটোর চেয়ে বহুগুণ দ্রুত: হুঁশিয়ারি নাটো প্রধানের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 322

ছবি সংগৃহীত

 

রাশিয়ার যুদ্ধ প্রস্তুতি নাটোর তুলনায় অনেক দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন নাটো প্রধান মার্ক রুটে। তিনি জানান, মাত্র তিন মাসে রাশিয়া প্রায় ১,৫০০ ট্যাংক, ৩,০০০ সামরিক যান এবং ২০০টি ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে যা একই পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে নাটোর সময় লাগে প্রায় এক বছর।

বেলজিয়ামে এক নিরাপত্তা সম্মেলনে রুটে বলেন, “এই হারে চলতে থাকলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই রাশিয়া সরাসরি নাটোর ওপর হামলার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।” তিনি ইউরোপীয় নেতাদের আরও সক্রিয় এবং সজাগ হওয়ার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  শুধু চোর ও কাপুরুষরাই রাতে হামলা চালায়”: ভারতকে বিলাওয়ালের হুঁশিয়ারি

নাটো প্রধান আরও উল্লেখ করেন, রাশিয়ার হাইপারসনিক অস্ত্র ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য একটি নতুন মাত্রার হুমকি হয়ে উঠেছে। এসব অস্ত্র ইউরোপকে রাশিয়ার মাত্র “কয়েক মিনিটের দূরত্বে” নিয়ে এসেছে, যা প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে চরমভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

রাশিয়ার এমন অগ্রগতির ফলে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। ইউক্রেন যুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়া নিজেদের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়ার সামরিক শিল্প এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে তারা প্রতিমাসে অসংখ্য যুদ্ধ সরঞ্জাম তৈরি করতে পারছে, যা পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় অনেক দ্রুত।

নাটোর অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। রুটে বলেন, “নাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে এখনই তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে হবে এবং শিল্প উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে হবে, নয়তো আমরা বিপদের মুখে পড়ব।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপ যদি এখনই সমন্বিত উদ্যোগ না নেয়, তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হতে পারে, যা রাশিয়ার পক্ষে কৌশলগত সুবিধা হয়ে দাঁড়াবে।

রাশিয়ার এই উন্নয়ন এবং নাটো প্রধানের হুঁশিয়ারি এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিটি নিরাপত্তা সভার প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাশিয়ার যুদ্ধ প্রস্তুতি নাটোর চেয়ে বহুগুণ দ্রুত: হুঁশিয়ারি নাটো প্রধানের

আপডেট সময় ০১:৪৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

রাশিয়ার যুদ্ধ প্রস্তুতি নাটোর তুলনায় অনেক দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন নাটো প্রধান মার্ক রুটে। তিনি জানান, মাত্র তিন মাসে রাশিয়া প্রায় ১,৫০০ ট্যাংক, ৩,০০০ সামরিক যান এবং ২০০টি ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে যা একই পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে নাটোর সময় লাগে প্রায় এক বছর।

বেলজিয়ামে এক নিরাপত্তা সম্মেলনে রুটে বলেন, “এই হারে চলতে থাকলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই রাশিয়া সরাসরি নাটোর ওপর হামলার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।” তিনি ইউরোপীয় নেতাদের আরও সক্রিয় এবং সজাগ হওয়ার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  ক্ষমতার সময় ফুরিয়ে এসেছে: হুঁশিয়ারি শাজাহান খান

নাটো প্রধান আরও উল্লেখ করেন, রাশিয়ার হাইপারসনিক অস্ত্র ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য একটি নতুন মাত্রার হুমকি হয়ে উঠেছে। এসব অস্ত্র ইউরোপকে রাশিয়ার মাত্র “কয়েক মিনিটের দূরত্বে” নিয়ে এসেছে, যা প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে চরমভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

রাশিয়ার এমন অগ্রগতির ফলে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। ইউক্রেন যুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়া নিজেদের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়ার সামরিক শিল্প এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে তারা প্রতিমাসে অসংখ্য যুদ্ধ সরঞ্জাম তৈরি করতে পারছে, যা পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় অনেক দ্রুত।

নাটোর অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। রুটে বলেন, “নাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে এখনই তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে হবে এবং শিল্প উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে হবে, নয়তো আমরা বিপদের মুখে পড়ব।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপ যদি এখনই সমন্বিত উদ্যোগ না নেয়, তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হতে পারে, যা রাশিয়ার পক্ষে কৌশলগত সুবিধা হয়ে দাঁড়াবে।

রাশিয়ার এই উন্নয়ন এবং নাটো প্রধানের হুঁশিয়ারি এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিটি নিরাপত্তা সভার প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।