ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

যুক্তরাষ্ট্রে পৃথক বন্দুক হামলায় ২ জন নিহত, আহত অন্তত ১২

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • / 391

ছবি সংগৃহীত

 

 

যুক্তরাষ্ট্রে পৃথক দুটি বন্দুক হামলায় ২ জন নিহত ও অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে ও রোববার (২৫ মে) রাতে সাউথ ক্যারোলাইনায় এসব ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ২২৪, আহত সহস্রাধিক

লস অ্যাঞ্জেলেসে শনিবার সন্ধ্যায় ফ্লোরেন্স এভিনিউয়ের কাছাকাছি গোলাগুলির খবর পায় পুলিশ। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কয়েকজনকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এদের মধ্যে দু’জন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

হামলার পরপরই এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ এবং শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। এ সময় দুটি পৃথক স্থান থেকে সন্দেহভাজন কয়েকজনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে এখনো হামলার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও প্রকৃত হামলাকারী সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

এদিকে, রোববার রাতে সাউথ ক্যারোলাইনার লিটল রিভার শহরের একটি আবাসিক এলাকায় বন্দুকধারীর গুলিতে অন্তত ১১ জন আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, এক ব্যক্তি এলাকা জুড়ে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করলে মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

গোলাগুলির খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ। তবে হামলার পরপরই অস্ত্রধারী পালিয়ে যায়। হামলাকারীকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ, তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

নানা পদক্ষেপের পরও যুক্তরাষ্ট্রে নিয়মিতভাবে বন্দুক সহিংসতা বেড়েই চলেছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করলেও বন্দুক হামলার প্রবণতা কমছে না। এতে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়তই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্ত্র আইন কঠোর না হওয়ায় এবং অস্ত্র সহজলভ্য হওয়ায় এ ধরনের সহিংসতার ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। সমাজে এর প্রভাব পড়ছে গভীরভাবে, যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেও।

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক সহিংসতা যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এমন উদ্বেগও প্রকাশ করছেন অনেকে। নতুন করে এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে পৃথক বন্দুক হামলায় ২ জন নিহত, আহত অন্তত ১২

আপডেট সময় ০৭:১১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

 

 

যুক্তরাষ্ট্রে পৃথক দুটি বন্দুক হামলায় ২ জন নিহত ও অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে ও রোববার (২৫ মে) রাতে সাউথ ক্যারোলাইনায় এসব ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন  ন্যাটো সম্মেলনের আগে ইউক্রেনে রাশিয়ার ব্যাপক হামলা, নিহত অন্তত ২০

লস অ্যাঞ্জেলেসে শনিবার সন্ধ্যায় ফ্লোরেন্স এভিনিউয়ের কাছাকাছি গোলাগুলির খবর পায় পুলিশ। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কয়েকজনকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এদের মধ্যে দু’জন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

হামলার পরপরই এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ এবং শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। এ সময় দুটি পৃথক স্থান থেকে সন্দেহভাজন কয়েকজনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে এখনো হামলার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও প্রকৃত হামলাকারী সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

এদিকে, রোববার রাতে সাউথ ক্যারোলাইনার লিটল রিভার শহরের একটি আবাসিক এলাকায় বন্দুকধারীর গুলিতে অন্তত ১১ জন আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, এক ব্যক্তি এলাকা জুড়ে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করলে মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

গোলাগুলির খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ। তবে হামলার পরপরই অস্ত্রধারী পালিয়ে যায়। হামলাকারীকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ, তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

নানা পদক্ষেপের পরও যুক্তরাষ্ট্রে নিয়মিতভাবে বন্দুক সহিংসতা বেড়েই চলেছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করলেও বন্দুক হামলার প্রবণতা কমছে না। এতে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়তই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্ত্র আইন কঠোর না হওয়ায় এবং অস্ত্র সহজলভ্য হওয়ায় এ ধরনের সহিংসতার ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। সমাজে এর প্রভাব পড়ছে গভীরভাবে, যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেও।

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক সহিংসতা যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এমন উদ্বেগও প্রকাশ করছেন অনেকে। নতুন করে এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।