ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

যুদ্ধবিরতির পর আকাশসীমা খুললেও পাকিস্তানে ফ্লাইট বিপর্যয়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • / 462

ছবি: সংগৃহীত

 

ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পর শনিবার সন্ধ্যায় পাকিস্তান তার আকাশসীমা পুনরায় চালু করলেও অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ চলাচলে দেখা দিয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা।

ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার দিনভর অন্তত ৩০টি নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, যার মধ্যে ২৫টি ছিল আন্তর্জাতিক রুটের। এই অবস্থার ফলে যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন  নেতানিয়াহুকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের, আলোচনায় যুদ্ধবিরতি

একই চিত্র দেখা গেছে করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও লাহোরের আল্লামা ইকবাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও। শুধু বড় শহরেই নয়, মুলতান, পেশোয়ার, কোয়েটা, সিয়ালকোট এবং ফয়সালাবাদসহ অন্যান্য ছোট আকারের বিমানবন্দরেও বিলম্ব ও ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা ঘটেছে।

বিশেষ করে সৌদি আরবে হজযাত্রী পরিবহনকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলোতে বিলম্ব ও বাতিলের সংখ্যা আরও বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

দুই দশকের বেশি সময় ধরে জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থায় কাজ করা বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞ কাসির আনসারি বলেন, “এই বাতিলগুলো কেবল রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাব নয়, বরং একাধিক কারিগরি এবং পরিচালনাগত জটিলতার ফল।”

তিনি আরও জানান, বিমানবন্দরগুলোর সমন্বয় ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং বিমান সংস্থাগুলোর প্রস্তুতির ঘাটতির কারণেও এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য, যুদ্ধবিরতির পর আকাশসীমা চালু হলেও পূর্ণমাত্রায় বিমান চলাচল স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

যাত্রীদের অনেকেই জানান, ফ্লাইট বাতিলের পূর্বঘোষণা না থাকায় তারা বিমানবন্দরে গিয়েই বিপাকে পড়েছেন। কেউ কেউ বিকল্প ফ্লাইটের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সঠিক তথ্য পাচ্ছেন না।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে যাত্রী তথ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও জোরদার করা হচ্ছে এবং বিকল্প ফ্লাইট ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শুধু সাময়িক সমাধান নয় পাকিস্তানের বিমান চলাচল খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার এবং আধুনিকায়ন জরুরি হয়ে পড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুদ্ধবিরতির পর আকাশসীমা খুললেও পাকিস্তানে ফ্লাইট বিপর্যয়

আপডেট সময় ০২:৫০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

 

ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পর শনিবার সন্ধ্যায় পাকিস্তান তার আকাশসীমা পুনরায় চালু করলেও অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ চলাচলে দেখা দিয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা।

ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার দিনভর অন্তত ৩০টি নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, যার মধ্যে ২৫টি ছিল আন্তর্জাতিক রুটের। এই অবস্থার ফলে যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন  ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার নিন্দা চীনের, প্রকৃত যুদ্ধবিরতির আহ্বান

একই চিত্র দেখা গেছে করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও লাহোরের আল্লামা ইকবাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও। শুধু বড় শহরেই নয়, মুলতান, পেশোয়ার, কোয়েটা, সিয়ালকোট এবং ফয়সালাবাদসহ অন্যান্য ছোট আকারের বিমানবন্দরেও বিলম্ব ও ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা ঘটেছে।

বিশেষ করে সৌদি আরবে হজযাত্রী পরিবহনকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলোতে বিলম্ব ও বাতিলের সংখ্যা আরও বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

দুই দশকের বেশি সময় ধরে জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থায় কাজ করা বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞ কাসির আনসারি বলেন, “এই বাতিলগুলো কেবল রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাব নয়, বরং একাধিক কারিগরি এবং পরিচালনাগত জটিলতার ফল।”

তিনি আরও জানান, বিমানবন্দরগুলোর সমন্বয় ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং বিমান সংস্থাগুলোর প্রস্তুতির ঘাটতির কারণেও এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য, যুদ্ধবিরতির পর আকাশসীমা চালু হলেও পূর্ণমাত্রায় বিমান চলাচল স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

যাত্রীদের অনেকেই জানান, ফ্লাইট বাতিলের পূর্বঘোষণা না থাকায় তারা বিমানবন্দরে গিয়েই বিপাকে পড়েছেন। কেউ কেউ বিকল্প ফ্লাইটের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সঠিক তথ্য পাচ্ছেন না।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে যাত্রী তথ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও জোরদার করা হচ্ছে এবং বিকল্প ফ্লাইট ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শুধু সাময়িক সমাধান নয় পাকিস্তানের বিমান চলাচল খাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার এবং আধুনিকায়ন জরুরি হয়ে পড়েছে।