ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্বীকৃতি নিয়ে গুঞ্জনে ট্রাম্প, যাচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্য সফরে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • / 553

ছবি: সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী সপ্তাহে চার দিনের সফরে মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি শীর্ষ উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ভ্রমণ করবেন। এ সফর ঘিরে কূটনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, সফর চলাকালীন ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা আসতে পারে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম মিডিয়া লাইন জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের এক কূটনৈতিক সূত্র বলেছে, “ট্রাম্প এমন এক ঘোষণা দিতে পারেন, যেখানে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে, তবে সেখানে হামাসের কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক ভূমিকা থাকবে না।”

আরও পড়ুন  সুইজারল্যান্ড সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

সূত্র অনুযায়ী, সফরের শুরুতে আগামী মঙ্গলবার সৌদি আরব যাবেন ট্রাম্প। রিয়াদে অনুষ্ঠেয় উপসাগরীয়-মার্কিন শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, এই সম্মেলনেই ফিলিস্তিন স্বীকৃতি ইস্যুতে কোনো বড় ঘোষণা আসতে পারে।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ৬ তারিখে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে বৈঠক শেষে ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমি শিগগিরই একটি বড় ঘোষণা দেব।” এই বক্তব্যের পর থেকেই তার মধ্যপ্রাচ্য সফর ঘিরে নানা জল্পনার জন্ম হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলে তা হবে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে বড় ধরনের মোড় পরিবর্তন। বিশেষ করে ২০২০ সালে সই হওয়া আব্রাহাম চুক্তির আওতায় ইসরায়েল ও আরব দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ প্রক্রিয়া নতুন গতি পেতে পারে।

তবে এ বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত মাইক হুকাবি। তিনি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, “ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক।”

ট্রাম্পের সৌদি সফর শেষে তিনি কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করবেন। সফরের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি এবং বাণিজ্য খাতে একাধিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ সফরকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ও কৌতূহল উভয়ই বেড়ে চলেছে। এখন শুধু অপেক্ষা ট্রাম্পের ‘বড় ঘোষণার’ বাস্তবায়নের।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্বীকৃতি নিয়ে গুঞ্জনে ট্রাম্প, যাচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্য সফরে

আপডেট সময় ০১:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী সপ্তাহে চার দিনের সফরে মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি শীর্ষ উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ভ্রমণ করবেন। এ সফর ঘিরে কূটনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, সফর চলাকালীন ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা আসতে পারে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম মিডিয়া লাইন জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের এক কূটনৈতিক সূত্র বলেছে, “ট্রাম্প এমন এক ঘোষণা দিতে পারেন, যেখানে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে, তবে সেখানে হামাসের কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক ভূমিকা থাকবে না।”

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র সফরের অনুমতি চাইলেন ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ

সূত্র অনুযায়ী, সফরের শুরুতে আগামী মঙ্গলবার সৌদি আরব যাবেন ট্রাম্প। রিয়াদে অনুষ্ঠেয় উপসাগরীয়-মার্কিন শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, এই সম্মেলনেই ফিলিস্তিন স্বীকৃতি ইস্যুতে কোনো বড় ঘোষণা আসতে পারে।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ৬ তারিখে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে বৈঠক শেষে ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমি শিগগিরই একটি বড় ঘোষণা দেব।” এই বক্তব্যের পর থেকেই তার মধ্যপ্রাচ্য সফর ঘিরে নানা জল্পনার জন্ম হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলে তা হবে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে বড় ধরনের মোড় পরিবর্তন। বিশেষ করে ২০২০ সালে সই হওয়া আব্রাহাম চুক্তির আওতায় ইসরায়েল ও আরব দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ প্রক্রিয়া নতুন গতি পেতে পারে।

তবে এ বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত মাইক হুকাবি। তিনি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, “ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক।”

ট্রাম্পের সৌদি সফর শেষে তিনি কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করবেন। সফরের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি এবং বাণিজ্য খাতে একাধিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ সফরকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ও কৌতূহল উভয়ই বেড়ে চলেছে। এখন শুধু অপেক্ষা ট্রাম্পের ‘বড় ঘোষণার’ বাস্তবায়নের।