মানহানি ও ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ: তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ
- আপডেট সময় ১০:৩২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
- / 31
অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি শাড়ি সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি মানহানি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর তথ্য ও ছবি প্রচারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা করা হয়েছে। সানায়া আনাম ওয়াফিকা চৌধুরী নামের এক ব্যক্তি ঢাকার আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তা তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন।
রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল হোসেনের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায় গণমাধ্যমকে জানান, বাদীর জবানবন্দি শোনার পর বিচারক অভিযোগটি পিবিআইকে তদন্ত করতে বলেছেন এবং আগামী ২১ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগে গত ২৮ অক্টোবর অভিনেত্রীকে একটি আইনি নোটিশও পাঠানো হয়েছিল।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী ও তানজিন তিশার মধ্যকার দুটি মামলা ইতোমধ্যে বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলাগুলোর জেরে গত ২৭ অক্টোবর তানজিন তিশা তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে বাদীকে নিয়ে মানহানিকর ছবি এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য শেয়ার করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমেও বাদী সম্পর্কে ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, গত বছরের ৭ নভেম্বর তানজিন তিশা ফেসবুক মেসেঞ্জারে বাদীকে কল করে হুমকি দিয়েছিলেন। ওই সময় তাকে উদ্দেশ করে বলা হয়েছিল, ‘ফেমাস হইলে বইলো, আমি তোমার ছবি আপলোড করে দিবো নে।’
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২৭ অক্টোবর বাদীর অনুমতি ছাড়াই এক নারীর চুম্বনের একটি ছবি এবং দুটি শিশুর ছবি ফেসবুকে পোস্ট করা হয়। পাশাপাশি বাদীকে নিয়ে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্যও প্রকাশ করা হয়। ওই পোস্টে লেখা হয়েছিল, ‘সেখানে এ দুজন এক কেন? এই দুই বোনের মিলিত হয়ে এত ঘৃণা কেন? একজনকে তো মামলা আগে দেখিওনি।’
বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৭ অক্টোবর রাতে বিষয়টি তার নজরে আসার পরদিন আইনজীবীর মাধ্যমে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে তানজিন তিশাকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে দুই দিনের মধ্যে ওই পোস্ট ও ছবি সরিয়ে ফেলতে বলা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে তা অপসারণ করা হয়নি।
বাদী আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন মহলে তাকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করা হয়েছে এবং তানজিন তিশা নিজের জনপ্রিয়তার প্রভাব খাটিয়ে তাকে হেয় করার চেষ্টা করেছেন। এসব ঘটনার কারণে তার সামাজিক সম্মান ও সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
























