ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

রাজনৈতিক সমর্থন ব্যালটে, অফিসে নয়: প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • / 18

ছবি: সংগৃহীত

সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সমর্থন থাকলেও তার প্রতিফলন সরকারি দপ্তরের কাজে হওয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক সমর্থন প্রকাশ করতে হবে ব্যালট বাক্সে, সরকারি অফিসে নয়। জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রধান পরিচয় তারা জনগণের সেবক। তাই দায়িত্ব পালনে রাজনৈতিক পক্ষপাতের পরিবর্তে সততা, দক্ষতা ও মানবিকতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

রোববার (৮ নভেম্বর) রাতে সাভারের বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) ৮১তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগতভাবে যেকোনো রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাস কিংবা কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি সমর্থন থাকতে পারে। এতে দোষের কিছু নেই। তবে সরকারি পদ ও দায়িত্ব ব্যবহার করে ব্যক্তিগত রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের সুযোগ নেই। রাজনৈতিক সমর্থনের প্রতিফলন ঘটাতে হবে ভোটের মাধ্যমে, সরকারি অফিসে নয়।

আরও পড়ুন  জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সরকারের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে প্রশাসনের ভূমিকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে এবং তা সরকারি প্রশাসনের মাধ্যমেই করছে। তবে এর পেছনে রয়েছে জনগণের নির্বাচনি ম্যান্ডেট।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণের সামনে নির্বাচনি ইশতেহার তুলে ধরা হয়েছিল। জনগণ ভোটের মাধ্যমে সেই ইশতেহারের পক্ষে রায় দিয়ে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিয়েছে। ফলে নির্বাচনি ইশতেহার এখন আর শুধু কোনো রাজনৈতিক দলের দলিল নয়; এটি জনগণের ম্যান্ডেট ও সরকারের নীতিতে পরিণত হয়েছে। সেই ইশতেহার বাস্তবায়ন করাই সরকারের দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে তারা জীবনের নতুন একটি অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন। একাডেমিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি ব্যবহারিক জীবনে সেই জ্ঞান প্রয়োগের কলাকৌশলও শিখেছেন তারা। এখন রাষ্ট্রের জনপ্রশাসনে যে দায়িত্বই অর্পিত হোক, অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তা যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে বর্তমানে ২৬টি ক্যাডার রয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে কেউ প্রশাসন, কেউ পররাষ্ট্র, কেউ কৃষি, শিক্ষা, কর কিংবা তথ্য ক্যাডারে যোগ দেবেন। কাজের ধরন ও কর্মস্থল আলাদা হলেও সবার প্রথম ও প্রধান পরিচয় তারা জনপ্রশাসনের কর্মকর্তা। তাদের মূল দায়িত্ব জনগণের সেবা করা।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইউ আর দেয়ার টু সার্ভ দ্য পিপল’—আপনারা জনগণের সেবা করার জন্যই নিয়োজিত।

সরকারি সেবা নিতে এসে কোনো নাগরিক যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, যেকোনো বয়সের কোনো নাগরিক সহযোগিতার জন্য সরকারি দপ্তরে এলে তার সঙ্গে এমন আচরণ করতে হবে, যেমন আচরণ নিজের জন্য প্রত্যাশা করেন।

এ প্রসঙ্গে একটি নীতিবাক্য স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘অন্যের সঙ্গে তেমন আচরণ করুন, যেমন আচরণ আপনি নিজের জন্য প্রত্যাশা করেন।’

আইন ও বিধিবিধান মেনে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক আচরণের ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একজন কর্মকর্তাকে অবশ্যই বিধিবদ্ধ নিয়মের মধ্যে থেকে কাজ করতে হবে। আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। তবে দায়িত্ব পালনের সময় সংশ্লিষ্ট নাগরিকের সঙ্গে কতটা মানবিক ও আন্তরিক আচরণ করা হচ্ছে, সেটিও আধুনিক প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো নাগরিক আবেদনপত্র নিয়ে এলে তাতে ভুল থাকলে তাকে সংশোধন করে আনতে বলা অন্যায় নয়। তবে কোথায় ভুল হয়েছে, তা সুনির্দিষ্টভাবে দেখিয়ে দেওয়া এবং কোথায় গিয়ে সংশোধন করতে হবে, সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়াই মানবিকতা ও আন্তরিকতার পরিচয়। জনগণ সরকারি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে শুধু আদেশ-নির্দেশ নয়, মানবিক আচরণও প্রত্যাশা করে।

পছন্দের পদে পদায়ন ও পদোন্নতির জন্য পেশাগত দক্ষতা ও সততার সঙ্গে আপস না করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, জনপ্রশাসনের প্রতিটি পদই রাষ্ট্র ও সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দেশের যেকোনো স্থানে, যেকোনো পদে দায়িত্ব পালনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকাই প্রকৃত পেশাদারত্বের পরিচয়।

তিনি বলেন, একটি সরকার যেমন চিরস্থায়ী নয়, জনপ্রশাসনের কোনো পদও কারও জন্য চিরস্থায়ী নয়।

প্রশাসনিক কাজে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে সরকারি সেবা আরও সহজ ও নাগরিকবান্ধব করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ ক্ষেত্রে শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ইতিবাচক মানসিকতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। নবীন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন সরকারপ্রধান।

পরিবেশ সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়েও নবীন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ঘরবাড়ি, অফিস-আদালত ও চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। পরিবেশ দূষণমুক্ত ও সুস্থ রাখা কোনো দলীয় বিষয় নয়; বরং ব্যক্তি, পরিবার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্যের স্বার্থে এটি জাতীয় দায়িত্ব।

অনুষ্ঠানে চার মাসব্যাপী ৮১তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ নেওয়া কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রশিক্ষণে সেরা ১০ কর্মকর্তার হাতে সনদ তুলে দেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজনৈতিক সমর্থন ব্যালটে, অফিসে নয়: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সমর্থন থাকলেও তার প্রতিফলন সরকারি দপ্তরের কাজে হওয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক সমর্থন প্রকাশ করতে হবে ব্যালট বাক্সে, সরকারি অফিসে নয়। জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রধান পরিচয় তারা জনগণের সেবক। তাই দায়িত্ব পালনে রাজনৈতিক পক্ষপাতের পরিবর্তে সততা, দক্ষতা ও মানবিকতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

রোববার (৮ নভেম্বর) রাতে সাভারের বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) ৮১তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগতভাবে যেকোনো রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাস কিংবা কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি সমর্থন থাকতে পারে। এতে দোষের কিছু নেই। তবে সরকারি পদ ও দায়িত্ব ব্যবহার করে ব্যক্তিগত রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের সুযোগ নেই। রাজনৈতিক সমর্থনের প্রতিফলন ঘটাতে হবে ভোটের মাধ্যমে, সরকারি অফিসে নয়।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে জাতীয় সংসদের দেয়ালে কালেমা তাইয়্যেবা

সরকারের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে প্রশাসনের ভূমিকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে এবং তা সরকারি প্রশাসনের মাধ্যমেই করছে। তবে এর পেছনে রয়েছে জনগণের নির্বাচনি ম্যান্ডেট।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণের সামনে নির্বাচনি ইশতেহার তুলে ধরা হয়েছিল। জনগণ ভোটের মাধ্যমে সেই ইশতেহারের পক্ষে রায় দিয়ে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিয়েছে। ফলে নির্বাচনি ইশতেহার এখন আর শুধু কোনো রাজনৈতিক দলের দলিল নয়; এটি জনগণের ম্যান্ডেট ও সরকারের নীতিতে পরিণত হয়েছে। সেই ইশতেহার বাস্তবায়ন করাই সরকারের দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে তারা জীবনের নতুন একটি অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন। একাডেমিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি ব্যবহারিক জীবনে সেই জ্ঞান প্রয়োগের কলাকৌশলও শিখেছেন তারা। এখন রাষ্ট্রের জনপ্রশাসনে যে দায়িত্বই অর্পিত হোক, অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তা যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে বর্তমানে ২৬টি ক্যাডার রয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে কেউ প্রশাসন, কেউ পররাষ্ট্র, কেউ কৃষি, শিক্ষা, কর কিংবা তথ্য ক্যাডারে যোগ দেবেন। কাজের ধরন ও কর্মস্থল আলাদা হলেও সবার প্রথম ও প্রধান পরিচয় তারা জনপ্রশাসনের কর্মকর্তা। তাদের মূল দায়িত্ব জনগণের সেবা করা।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইউ আর দেয়ার টু সার্ভ দ্য পিপল’—আপনারা জনগণের সেবা করার জন্যই নিয়োজিত।

সরকারি সেবা নিতে এসে কোনো নাগরিক যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, যেকোনো বয়সের কোনো নাগরিক সহযোগিতার জন্য সরকারি দপ্তরে এলে তার সঙ্গে এমন আচরণ করতে হবে, যেমন আচরণ নিজের জন্য প্রত্যাশা করেন।

এ প্রসঙ্গে একটি নীতিবাক্য স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘অন্যের সঙ্গে তেমন আচরণ করুন, যেমন আচরণ আপনি নিজের জন্য প্রত্যাশা করেন।’

আইন ও বিধিবিধান মেনে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক আচরণের ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একজন কর্মকর্তাকে অবশ্যই বিধিবদ্ধ নিয়মের মধ্যে থেকে কাজ করতে হবে। আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। তবে দায়িত্ব পালনের সময় সংশ্লিষ্ট নাগরিকের সঙ্গে কতটা মানবিক ও আন্তরিক আচরণ করা হচ্ছে, সেটিও আধুনিক প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো নাগরিক আবেদনপত্র নিয়ে এলে তাতে ভুল থাকলে তাকে সংশোধন করে আনতে বলা অন্যায় নয়। তবে কোথায় ভুল হয়েছে, তা সুনির্দিষ্টভাবে দেখিয়ে দেওয়া এবং কোথায় গিয়ে সংশোধন করতে হবে, সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়াই মানবিকতা ও আন্তরিকতার পরিচয়। জনগণ সরকারি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে শুধু আদেশ-নির্দেশ নয়, মানবিক আচরণও প্রত্যাশা করে।

পছন্দের পদে পদায়ন ও পদোন্নতির জন্য পেশাগত দক্ষতা ও সততার সঙ্গে আপস না করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, জনপ্রশাসনের প্রতিটি পদই রাষ্ট্র ও সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দেশের যেকোনো স্থানে, যেকোনো পদে দায়িত্ব পালনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকাই প্রকৃত পেশাদারত্বের পরিচয়।

তিনি বলেন, একটি সরকার যেমন চিরস্থায়ী নয়, জনপ্রশাসনের কোনো পদও কারও জন্য চিরস্থায়ী নয়।

প্রশাসনিক কাজে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে সরকারি সেবা আরও সহজ ও নাগরিকবান্ধব করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ ক্ষেত্রে শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ইতিবাচক মানসিকতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। নবীন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন সরকারপ্রধান।

পরিবেশ সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়েও নবীন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ঘরবাড়ি, অফিস-আদালত ও চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। পরিবেশ দূষণমুক্ত ও সুস্থ রাখা কোনো দলীয় বিষয় নয়; বরং ব্যক্তি, পরিবার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্যের স্বার্থে এটি জাতীয় দায়িত্ব।

অনুষ্ঠানে চার মাসব্যাপী ৮১তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ নেওয়া কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রশিক্ষণে সেরা ১০ কর্মকর্তার হাতে সনদ তুলে দেন তিনি।