ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

ঈদের আগেই রেমিট্যান্সে রেকর্ড প্রবাহ, ১৯ দিনে এসেছে ২২৫ কোটি ডলার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:২২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫
  • / 364

ছবি সংগৃহীত

 

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে লেগেছে ঈদের আগাম উত্তাপ। মার্চ মাসের প্রথম ১৯ দিনেই দেশে এসেছে ২২৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার, যা স্থানীয় মুদ্রায় প্রায় ২৭ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এই সময়ে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ৮৫ লাখ ডলারের বেশি রেমিট্যান্স। তুলনামূলকভাবে গত বছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল মাত্র ১২৬ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় ৭৮.৪ শতাংশ।

আরও পড়ুন  ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্সের রেকর্ড, যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে প্রবাসীরা পরিবারের জন্য অতিরিক্ত অর্থ পাঠাচ্ছেন। এতে রেমিট্যান্স প্রবাহে চাঙাভাব দেখা যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হুন্ডি রোধে সরকারের কঠোর নজরদারি, বৈধ চ্যানেলে প্রেরণ উৎসাহিত করতে নগদ প্রণোদনা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতির কারণে প্রবাসীরা এখন নিয়মিত ও বড় অঙ্কে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে মার্চ মাস শেষে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হতে পারে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় সহায়তা দেবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও রেমিট্যান্স প্রবাহের এ ঊর্ধ্বগতি দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেশি হচ্ছে।

অর্থনীতিবিদরা আরও বলছেন, এই প্রবাহ ধরে রাখতে ব্যাংকিং চ্যানেলের আরও আধুনিকায়ন, ট্রান্সফার চার্জ কমানো এবং প্রবাসীদের আস্থা বৃদ্ধির পদক্ষেপ জোরদার করতে হবে।

দেশের অর্থনীতির রক্ষাকবচ হিসেবে বিবেচিত রেমিট্যান্সের এই ইতিবাচক ধারা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈদের আগেই রেমিট্যান্সে রেকর্ড প্রবাহ, ১৯ দিনে এসেছে ২২৫ কোটি ডলার

আপডেট সময় ০৫:২২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

 

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে লেগেছে ঈদের আগাম উত্তাপ। মার্চ মাসের প্রথম ১৯ দিনেই দেশে এসেছে ২২৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার, যা স্থানীয় মুদ্রায় প্রায় ২৭ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এই সময়ে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ৮৫ লাখ ডলারের বেশি রেমিট্যান্স। তুলনামূলকভাবে গত বছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল মাত্র ১২৬ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় ৭৮.৪ শতাংশ।

আরও পড়ুন  মার্চে রেমিট্যান্সের গতি চাঙা, ২২ দিনেই এসেছে প্রায় ২৪৪ কোটি ডলার

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে প্রবাসীরা পরিবারের জন্য অতিরিক্ত অর্থ পাঠাচ্ছেন। এতে রেমিট্যান্স প্রবাহে চাঙাভাব দেখা যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হুন্ডি রোধে সরকারের কঠোর নজরদারি, বৈধ চ্যানেলে প্রেরণ উৎসাহিত করতে নগদ প্রণোদনা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতির কারণে প্রবাসীরা এখন নিয়মিত ও বড় অঙ্কে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে মার্চ মাস শেষে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হতে পারে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় সহায়তা দেবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও রেমিট্যান্স প্রবাহের এ ঊর্ধ্বগতি দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেশি হচ্ছে।

অর্থনীতিবিদরা আরও বলছেন, এই প্রবাহ ধরে রাখতে ব্যাংকিং চ্যানেলের আরও আধুনিকায়ন, ট্রান্সফার চার্জ কমানো এবং প্রবাসীদের আস্থা বৃদ্ধির পদক্ষেপ জোরদার করতে হবে।

দেশের অর্থনীতির রক্ষাকবচ হিসেবে বিবেচিত রেমিট্যান্সের এই ইতিবাচক ধারা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।