ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

পর্যাপ্ত ডলার আছে, রমজানে পণ্য সংকটের শঙ্কা নেই: গভর্নর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / 1426

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন ব্যাংকিং খাতে ডলারের কোনো সংকট নেই । তিনি বলেন আসন্ন রমজানে পণ্য সংকটের কোনো শঙ্কা দেখা যাচ্ছে না।

শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকায় চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

গভর্নর বলেন, আমরা মনে করি যে, আমাদের এক্সটার্নাল সেক্টরটা স্টেবিলাইজড হয়েছে, সেখানে কোনো ভালনারেবিলিটি নাই। আমরা যত ইচ্ছা আমদানি করতে পারবো। যদি কেউ বলেন যে আমদানি করতে পারছেন না, সেটা আপনার সমস্যা। আমাদের কোনো সমস্যা নাই। ব্যাংকিং খাতে ডলারের কোনো অভাব, নাই যেকোনো পরিমাণ ডলার আপনারা কিনতে পারবেন, যদি আপনি বাংলাদেশি টাকা নিয়ে আসেন। টাকা নিয়ে আসার দায়িত্ব আপনার, আমরা কোনো মার্জিন রিকোয়ারমেন্টও দিচ্ছি না। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সব মার্জিন রিকোয়ারমেন্ট তুলে ফেলা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, আপনারা যে যেভাবে পারেন আপনারা ক্লায়েন্ট অ্যান্ড ব্যাংক রিলেশনশিপের ভিত্তিতে আপনাদের বিজনেস করবেন। এদিক থেকে আমরা একটা স্বস্তির জায়গায় আছি।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের পবিত্র রমজানে বিশেষ কর্মসূচি

আহসান এইচ মনসুর বলেন, আমাদের এক্সচেঞ্জ আমি যেদিন গভর্নর হিসেবে জয়েন করলাম সেদিন ছিল ১২০ টাকা ডলারের, এখন আছে ১২২ টাকা ৫০ পয়সা। আপনারা হয়তো খেয়াল করে দেখবেন যে, একটু বেশি স্টেবল হয়ে যাচ্ছে জিনিসটা। কারণ আমি খেয়াল করে দেখলাম যে, আমি যেদিন জয়েন করলাম ইন্ডিয়াতে তখন ছিল ৮৪ টাকা, এখন সেটা ৮৯ টাকা।

ওভার স্টেবিলাইজেশন খুব ভালো নয় উল্লেখ করে মনসুর বলেন, যদিও আমি বলবো যে, আমরা ফুললি মার্কেট বেসড। কোনো ইন্টারভেনশন হচ্ছে না এবং হবেও না আশা করি।

তিনি আরও বলেন, এই বছরের রমজানে আমি এখনই বলতে পারি, আমরা কোনো ধরনের শঙ্কা দেখছি না। রমজানের যেসব পণ্য আমদানি হয়, ইতোমধ্যে এলসি (ঋণপত্র) চালু হয়ে গেছে এবং গতবারের তুলনায় বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ বেশি। আমদানি বাড়লেও ডলারের ওপর চাপ পড়ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

পর্যাপ্ত ডলার আছে, রমজানে পণ্য সংকটের শঙ্কা নেই: গভর্নর

আপডেট সময় ০৬:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন ব্যাংকিং খাতে ডলারের কোনো সংকট নেই । তিনি বলেন আসন্ন রমজানে পণ্য সংকটের কোনো শঙ্কা দেখা যাচ্ছে না।

শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকায় চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

গভর্নর বলেন, আমরা মনে করি যে, আমাদের এক্সটার্নাল সেক্টরটা স্টেবিলাইজড হয়েছে, সেখানে কোনো ভালনারেবিলিটি নাই। আমরা যত ইচ্ছা আমদানি করতে পারবো। যদি কেউ বলেন যে আমদানি করতে পারছেন না, সেটা আপনার সমস্যা। আমাদের কোনো সমস্যা নাই। ব্যাংকিং খাতে ডলারের কোনো অভাব, নাই যেকোনো পরিমাণ ডলার আপনারা কিনতে পারবেন, যদি আপনি বাংলাদেশি টাকা নিয়ে আসেন। টাকা নিয়ে আসার দায়িত্ব আপনার, আমরা কোনো মার্জিন রিকোয়ারমেন্টও দিচ্ছি না। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সব মার্জিন রিকোয়ারমেন্ট তুলে ফেলা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, আপনারা যে যেভাবে পারেন আপনারা ক্লায়েন্ট অ্যান্ড ব্যাংক রিলেশনশিপের ভিত্তিতে আপনাদের বিজনেস করবেন। এদিক থেকে আমরা একটা স্বস্তির জায়গায় আছি।

আরও পড়ুন  রাজনৈতিক পরিবর্তন ছাড়া কোনো নীতিই ব্যাংক খাতকে শক্তিশালী করতে পারবে না: গভর্নর

আহসান এইচ মনসুর বলেন, আমাদের এক্সচেঞ্জ আমি যেদিন গভর্নর হিসেবে জয়েন করলাম সেদিন ছিল ১২০ টাকা ডলারের, এখন আছে ১২২ টাকা ৫০ পয়সা। আপনারা হয়তো খেয়াল করে দেখবেন যে, একটু বেশি স্টেবল হয়ে যাচ্ছে জিনিসটা। কারণ আমি খেয়াল করে দেখলাম যে, আমি যেদিন জয়েন করলাম ইন্ডিয়াতে তখন ছিল ৮৪ টাকা, এখন সেটা ৮৯ টাকা।

ওভার স্টেবিলাইজেশন খুব ভালো নয় উল্লেখ করে মনসুর বলেন, যদিও আমি বলবো যে, আমরা ফুললি মার্কেট বেসড। কোনো ইন্টারভেনশন হচ্ছে না এবং হবেও না আশা করি।

তিনি আরও বলেন, এই বছরের রমজানে আমি এখনই বলতে পারি, আমরা কোনো ধরনের শঙ্কা দেখছি না। রমজানের যেসব পণ্য আমদানি হয়, ইতোমধ্যে এলসি (ঋণপত্র) চালু হয়ে গেছে এবং গতবারের তুলনায় বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ বেশি। আমদানি বাড়লেও ডলারের ওপর চাপ পড়ছে না।