০৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান: কাল রাজধানীতে যান চলাচলে ডিএমপির বিশেষ নির্দেশনা রমজানে সাধারণের স্বস্তি: কাল থেকে টিসিবির ট্রাকে মিলবে ছোলা ও খেজুর সৌদিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: প্রাণ হারালেন একই পরিবারের ৪ জনসহ ৫ বাংলাদেশি ওমারজাইয়ের অলরাউন্ড দাপট: আমিরাতকে হারিয়ে প্রথম জয় আফগানদের ছায়া মন্ত্রিসভা ঘোষণাকে ইতিবাচক বলল বিএনপি মালয়েশিয়া নেওয়ার প্রলোভনে গুদামে বন্দি: টেকনাফে নারী-শিশুসহ ১৫ জন উদ্ধার ‘জুলাই সনদ’-এ স্বাক্ষর করছে এনসিপি: সন্ধ্যায় যমুনায় যাচ্ছেন নাহিদরা সংসদ সদস্য থেকে সংস্কার পরিষদ: মঙ্গলবার দুই শপথ শপথের পর সংসদীয় দলের সভা ডেকেছে বিএনপি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পর্যাপ্ত ডলার আছে, রমজানে পণ্য সংকটের শঙ্কা নেই: গভর্নর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / 167

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন ব্যাংকিং খাতে ডলারের কোনো সংকট নেই । তিনি বলেন আসন্ন রমজানে পণ্য সংকটের কোনো শঙ্কা দেখা যাচ্ছে না।

শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকায় চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

গভর্নর বলেন, আমরা মনে করি যে, আমাদের এক্সটার্নাল সেক্টরটা স্টেবিলাইজড হয়েছে, সেখানে কোনো ভালনারেবিলিটি নাই। আমরা যত ইচ্ছা আমদানি করতে পারবো। যদি কেউ বলেন যে আমদানি করতে পারছেন না, সেটা আপনার সমস্যা। আমাদের কোনো সমস্যা নাই। ব্যাংকিং খাতে ডলারের কোনো অভাব, নাই যেকোনো পরিমাণ ডলার আপনারা কিনতে পারবেন, যদি আপনি বাংলাদেশি টাকা নিয়ে আসেন। টাকা নিয়ে আসার দায়িত্ব আপনার, আমরা কোনো মার্জিন রিকোয়ারমেন্টও দিচ্ছি না। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সব মার্জিন রিকোয়ারমেন্ট তুলে ফেলা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, আপনারা যে যেভাবে পারেন আপনারা ক্লায়েন্ট অ্যান্ড ব্যাংক রিলেশনশিপের ভিত্তিতে আপনাদের বিজনেস করবেন। এদিক থেকে আমরা একটা স্বস্তির জায়গায় আছি।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, আমাদের এক্সচেঞ্জ আমি যেদিন গভর্নর হিসেবে জয়েন করলাম সেদিন ছিল ১২০ টাকা ডলারের, এখন আছে ১২২ টাকা ৫০ পয়সা। আপনারা হয়তো খেয়াল করে দেখবেন যে, একটু বেশি স্টেবল হয়ে যাচ্ছে জিনিসটা। কারণ আমি খেয়াল করে দেখলাম যে, আমি যেদিন জয়েন করলাম ইন্ডিয়াতে তখন ছিল ৮৪ টাকা, এখন সেটা ৮৯ টাকা।

ওভার স্টেবিলাইজেশন খুব ভালো নয় উল্লেখ করে মনসুর বলেন, যদিও আমি বলবো যে, আমরা ফুললি মার্কেট বেসড। কোনো ইন্টারভেনশন হচ্ছে না এবং হবেও না আশা করি।

তিনি আরও বলেন, এই বছরের রমজানে আমি এখনই বলতে পারি, আমরা কোনো ধরনের শঙ্কা দেখছি না। রমজানের যেসব পণ্য আমদানি হয়, ইতোমধ্যে এলসি (ঋণপত্র) চালু হয়ে গেছে এবং গতবারের তুলনায় বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ বেশি। আমদানি বাড়লেও ডলারের ওপর চাপ পড়ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

পর্যাপ্ত ডলার আছে, রমজানে পণ্য সংকটের শঙ্কা নেই: গভর্নর

আপডেট সময় ০৬:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন ব্যাংকিং খাতে ডলারের কোনো সংকট নেই । তিনি বলেন আসন্ন রমজানে পণ্য সংকটের কোনো শঙ্কা দেখা যাচ্ছে না।

শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকায় চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

গভর্নর বলেন, আমরা মনে করি যে, আমাদের এক্সটার্নাল সেক্টরটা স্টেবিলাইজড হয়েছে, সেখানে কোনো ভালনারেবিলিটি নাই। আমরা যত ইচ্ছা আমদানি করতে পারবো। যদি কেউ বলেন যে আমদানি করতে পারছেন না, সেটা আপনার সমস্যা। আমাদের কোনো সমস্যা নাই। ব্যাংকিং খাতে ডলারের কোনো অভাব, নাই যেকোনো পরিমাণ ডলার আপনারা কিনতে পারবেন, যদি আপনি বাংলাদেশি টাকা নিয়ে আসেন। টাকা নিয়ে আসার দায়িত্ব আপনার, আমরা কোনো মার্জিন রিকোয়ারমেন্টও দিচ্ছি না। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সব মার্জিন রিকোয়ারমেন্ট তুলে ফেলা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, আপনারা যে যেভাবে পারেন আপনারা ক্লায়েন্ট অ্যান্ড ব্যাংক রিলেশনশিপের ভিত্তিতে আপনাদের বিজনেস করবেন। এদিক থেকে আমরা একটা স্বস্তির জায়গায় আছি।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, আমাদের এক্সচেঞ্জ আমি যেদিন গভর্নর হিসেবে জয়েন করলাম সেদিন ছিল ১২০ টাকা ডলারের, এখন আছে ১২২ টাকা ৫০ পয়সা। আপনারা হয়তো খেয়াল করে দেখবেন যে, একটু বেশি স্টেবল হয়ে যাচ্ছে জিনিসটা। কারণ আমি খেয়াল করে দেখলাম যে, আমি যেদিন জয়েন করলাম ইন্ডিয়াতে তখন ছিল ৮৪ টাকা, এখন সেটা ৮৯ টাকা।

ওভার স্টেবিলাইজেশন খুব ভালো নয় উল্লেখ করে মনসুর বলেন, যদিও আমি বলবো যে, আমরা ফুললি মার্কেট বেসড। কোনো ইন্টারভেনশন হচ্ছে না এবং হবেও না আশা করি।

তিনি আরও বলেন, এই বছরের রমজানে আমি এখনই বলতে পারি, আমরা কোনো ধরনের শঙ্কা দেখছি না। রমজানের যেসব পণ্য আমদানি হয়, ইতোমধ্যে এলসি (ঋণপত্র) চালু হয়ে গেছে এবং গতবারের তুলনায় বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ বেশি। আমদানি বাড়লেও ডলারের ওপর চাপ পড়ছে না।