ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
‘আপনি দয়া করে সাবধান থাকবেন’, তারেক রহমানকে মির্জা আব্বাস স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৬ ইরান যুদ্ধের তথ্য ফাঁস, পেন্টাগনে ৫০ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা ‘মায়ের মূর্ত প্রতীক’ খালেদা জিয়া: ভূমিমন্ত্রী কবর থেকে মরদেহ তুলে অন্যত্র দাফন, শামীমের মরদেহ দাফন হলো তিনবার কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা পাঁয়তারা চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সিডনিতে শাবনূর-তাসকিনের জমজমাট বারবিকিউ আড্ডা এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ; মেয়ের বিয়ের টাকা নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন ইসমাইল রংপুর মেডিকেলে এক মাসে কাটবে আইসিইউ সংকট: ত্রাণমন্ত্রী নৌকা থেকে পড়া ছেলেকে উদ্ধার করতে গিয়ে বাবার মৃত্যু

২০২৫ সালে শিল্পের সঙ্গে শিল্পোউদ্যোক্তাদেরও মেরে ফেলা হচ্ছে: বিটিএমএ সভাপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
  • / 634

ছবি সংগৃহীত

 

১৯৭১ সালে পরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল, শিল্পোদ্যোক্তাদের মেরে ফেলা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বস্ত্রকলের মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।

রবিবার গুলশান ক্লাবে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই উদ্বেগ জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্প সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা।

আরও পড়ুন  ডিসেম্বরে আমদানির রেকর্ড: ব্যবসায় চাঙাভাবের ইঙ্গিত

বিটিএমএ সভাপতি বলেন, “শিল্পে এখন গ্যাস নেই। একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অথচ উপদেষ্টারা মনে হচ্ছে উটপাখির মতো বালুর মধ্যে মাথা গুঁজে আছেন। দেশের পরিস্থিতি তারা বুঝতেই পারছেন না।”

তিনি আরও বলেন, “গ্যাস সংকটে আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। চলতি মূলধন সংকুচিত হয়ে গেছে। সামনে ঈদে অনেক কারখানা বেতন–ভাতা দিতে পারবে কি না, সে সংশয় তৈরি হয়েছে।”

শওকত আজিজ রাসেল সতর্ক করে বলেন, “শিল্প যদি বাঁচে না, তাহলে দেশেও দুর্ভিক্ষ নেমে আসবে। মানুষ তখন রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে।”

এ সময় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রির (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ। তিনি জানান, “গ্যাস সংকটে অধিকাংশ কারখানায় উৎপাদন ৬০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে ব্যাংকঋণের সুদের হার বেড়েছে। তিন মাস সুদ দিতে না পারলেই ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করছে ব্যাংক। অথচ সরকার নির্ধারিত সময়েই বেতন পরিশোধের জন্য চাপ দিচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই), বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ), ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ (আইসিসিবি) এবং বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিপিজিএমইএ)-এর নেতারা।

শিল্প উদ্যোক্তারা জানান, গ্যাস সংকট এবং উচ্চ সুদের চাপে দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পখাত মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই সঙ্কট জাতীয় অর্থনীতির ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

২০২৫ সালে শিল্পের সঙ্গে শিল্পোউদ্যোক্তাদেরও মেরে ফেলা হচ্ছে: বিটিএমএ সভাপতি

আপডেট সময় ০৬:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫

 

১৯৭১ সালে পরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল, শিল্পোদ্যোক্তাদের মেরে ফেলা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বস্ত্রকলের মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।

রবিবার গুলশান ক্লাবে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই উদ্বেগ জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্প সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানি বাড়াতে আগ্রহী বিটিএমএ, স্থায়ী শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি

বিটিএমএ সভাপতি বলেন, “শিল্পে এখন গ্যাস নেই। একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অথচ উপদেষ্টারা মনে হচ্ছে উটপাখির মতো বালুর মধ্যে মাথা গুঁজে আছেন। দেশের পরিস্থিতি তারা বুঝতেই পারছেন না।”

তিনি আরও বলেন, “গ্যাস সংকটে আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। চলতি মূলধন সংকুচিত হয়ে গেছে। সামনে ঈদে অনেক কারখানা বেতন–ভাতা দিতে পারবে কি না, সে সংশয় তৈরি হয়েছে।”

শওকত আজিজ রাসেল সতর্ক করে বলেন, “শিল্প যদি বাঁচে না, তাহলে দেশেও দুর্ভিক্ষ নেমে আসবে। মানুষ তখন রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে।”

এ সময় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রির (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ। তিনি জানান, “গ্যাস সংকটে অধিকাংশ কারখানায় উৎপাদন ৬০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে ব্যাংকঋণের সুদের হার বেড়েছে। তিন মাস সুদ দিতে না পারলেই ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করছে ব্যাংক। অথচ সরকার নির্ধারিত সময়েই বেতন পরিশোধের জন্য চাপ দিচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই), বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ), ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ (আইসিসিবি) এবং বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিপিজিএমইএ)-এর নেতারা।

শিল্প উদ্যোক্তারা জানান, গ্যাস সংকট এবং উচ্চ সুদের চাপে দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পখাত মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই সঙ্কট জাতীয় অর্থনীতির ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলতে পারে।