ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

শ্যামপুরে আরআরএম স্টিল মিলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, দুই শ্রমিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 131

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শ্যামপুর এলাকায় একটি স্টিল মিলে লোহা গলানোর সময় বয়লার বিস্ফোরণে আটজন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে ‘ঢাকা মেস আরআরএম স্টিল মিল’-এ এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়েছে।

দগ্ধ শ্রমিকরা জানান, সকালে তারা কারখানার বয়লারে লোহা গলানোর কাজ করছিলেন। তাদের ধারণা, ভালো লোহার স্তূপের সাথে কোনো ত্রুটিপূর্ণ বা পরিত্যক্ত লোহা বয়লারে দেওয়ার কারণে হঠাৎ বিস্ফোরণের সৃষ্টি হয়। এতে বয়লারের ভেতরে থাকা উত্তপ্ত তরল লোহা ছিটকে তাদের শরীরে পড়লে তারা দগ্ধ হন। কারখানার অন্য শ্রমিকরা তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

বিস্ফোরণে দগ্ধ শ্রমিকরা হলেন— মো. হিরা (৩৫), মানিক মিয়া (৪৫), খলিলুর রহমান (৫৬), রজব আলী (২৯), মতিউর রহমান (২২), এরশাদ মিয়া (৪৫), লিটন (৩২) ও ইউসুফ (৪০)। তারা সবাই ওই স্টিল মিলের নিয়মিত শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আরও পড়ুন  পাকিস্তানে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ, ১২ শ্রমিক আটকা

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আহতদের মধ্যে মানিকের শরীরের ৪০ শতাংশ এবং হিরার ১৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। মানিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং হিরাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বাকিদের শরীরের ৪ থেকে ১১ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কারখানাটি পরিদর্শন করেছে। কারখানায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বয়লার পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্টিল মিল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

শ্যামপুরে আরআরএম স্টিল মিলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, দুই শ্রমিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক

আপডেট সময় ০৪:৩৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর শ্যামপুর এলাকায় একটি স্টিল মিলে লোহা গলানোর সময় বয়লার বিস্ফোরণে আটজন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে ‘ঢাকা মেস আরআরএম স্টিল মিল’-এ এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়েছে।

দগ্ধ শ্রমিকরা জানান, সকালে তারা কারখানার বয়লারে লোহা গলানোর কাজ করছিলেন। তাদের ধারণা, ভালো লোহার স্তূপের সাথে কোনো ত্রুটিপূর্ণ বা পরিত্যক্ত লোহা বয়লারে দেওয়ার কারণে হঠাৎ বিস্ফোরণের সৃষ্টি হয়। এতে বয়লারের ভেতরে থাকা উত্তপ্ত তরল লোহা ছিটকে তাদের শরীরে পড়লে তারা দগ্ধ হন। কারখানার অন্য শ্রমিকরা তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

বিস্ফোরণে দগ্ধ শ্রমিকরা হলেন— মো. হিরা (৩৫), মানিক মিয়া (৪৫), খলিলুর রহমান (৫৬), রজব আলী (২৯), মতিউর রহমান (২২), এরশাদ মিয়া (৪৫), লিটন (৩২) ও ইউসুফ (৪০)। তারা সবাই ওই স্টিল মিলের নিয়মিত শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আরও পড়ুন  "গ্রিসে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশির প্রাণহানি"

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আহতদের মধ্যে মানিকের শরীরের ৪০ শতাংশ এবং হিরার ১৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। মানিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং হিরাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বাকিদের শরীরের ৪ থেকে ১১ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কারখানাটি পরিদর্শন করেছে। কারখানায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বয়লার পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্টিল মিল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।