ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

র‍্যাব পরিচয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর দেড় কেজি স্বর্ণ লুটের চেষ্টা, গ্রেফতার ৭

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 40

ছবি : সংগৃহীত

 

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে র‍্যাব সদস্য পরিচয়ে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় দেড় কেজি স্বর্ণালংকার লুটের পরিকল্পনার অভিযোগে সাতজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে চাকরিচ্যুত দুই সেনাসদস্যও রয়েছেন।

রোববার দুপুরে শ্রীনগর উপজেলার হরিবাড়ী ব্রিজের পূর্ব পাশে অভিযান চালিয়ে একটি মাইক্রোবাস ও একটি মোটরসাইকেলসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় র‍্যাবের পোশাক, ওয়াকিটকি, হ্যান্ডকাফ, লোগোযুক্ত আইডি কার্ড, খেলনা পিস্তল, ইলেকট্রিক শক মেশিনসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন  আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে: র‍্যাব

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মুন্সিগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন শরীয়তপুরের ফরহাদ হোসেন (৪০), নওগাঁর চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য নাদিম মাহমুদ শান্ত ওরফে রায়হান হোসেন (৩০), রাজবাড়ীর চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য সার্জেন্ট মিজানুর রহমান (৪১), বরগুনার আব্দুল আলীম (৩২), মাগুরার সাকিবুর জামান মেহেদী (২৬), ভোলার মেহেদী হাসান সুজন (৩৫) এবং বরগুনার মাইক্রোবাসচালক আবু হানিফ (৩২)।

পুলিশ সুপার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাদের গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেফতার ব্যক্তিরা র‍্যাব সদস্য পরিচয়ে শ্রীনগর বাজারের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে আটক করে তার কাছ থেকে প্রায় দেড় কেজি স্বর্ণালংকার লুটের পরিকল্পনা করেছিলেন। ওই ব্যবসায়ী স্বর্ণ নিয়ে মুন্সিগঞ্জ সদরের দিকে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানতে পেরে তাকে লক্ষ্যবস্তু বানায় চক্রটি।

তিনি আরও জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও আশপাশের এলাকায় একই কৌশলে ডাকাতি করে আসছিলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে বাস ও মাইক্রোবাসের যাত্রীদের নিজেদের গাড়িতে তুলে মারধর করে টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করতেন তারা।

গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

র‍্যাব পরিচয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর দেড় কেজি স্বর্ণ লুটের চেষ্টা, গ্রেফতার ৭

আপডেট সময় ০১:০৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে র‍্যাব সদস্য পরিচয়ে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় দেড় কেজি স্বর্ণালংকার লুটের পরিকল্পনার অভিযোগে সাতজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে চাকরিচ্যুত দুই সেনাসদস্যও রয়েছেন।

রোববার দুপুরে শ্রীনগর উপজেলার হরিবাড়ী ব্রিজের পূর্ব পাশে অভিযান চালিয়ে একটি মাইক্রোবাস ও একটি মোটরসাইকেলসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় র‍্যাবের পোশাক, ওয়াকিটকি, হ্যান্ডকাফ, লোগোযুক্ত আইডি কার্ড, খেলনা পিস্তল, ইলেকট্রিক শক মেশিনসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন  টেলিগ্রামের অন্ধকার জগতে র‍্যাবের হানা; দেড় লাখ নগ্ন ছবি ও ভিডিওসহ গ্রেপ্তার ৫

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মুন্সিগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন শরীয়তপুরের ফরহাদ হোসেন (৪০), নওগাঁর চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য নাদিম মাহমুদ শান্ত ওরফে রায়হান হোসেন (৩০), রাজবাড়ীর চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য সার্জেন্ট মিজানুর রহমান (৪১), বরগুনার আব্দুল আলীম (৩২), মাগুরার সাকিবুর জামান মেহেদী (২৬), ভোলার মেহেদী হাসান সুজন (৩৫) এবং বরগুনার মাইক্রোবাসচালক আবু হানিফ (৩২)।

পুলিশ সুপার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাদের গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেফতার ব্যক্তিরা র‍্যাব সদস্য পরিচয়ে শ্রীনগর বাজারের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে আটক করে তার কাছ থেকে প্রায় দেড় কেজি স্বর্ণালংকার লুটের পরিকল্পনা করেছিলেন। ওই ব্যবসায়ী স্বর্ণ নিয়ে মুন্সিগঞ্জ সদরের দিকে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানতে পেরে তাকে লক্ষ্যবস্তু বানায় চক্রটি।

তিনি আরও জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও আশপাশের এলাকায় একই কৌশলে ডাকাতি করে আসছিলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে বাস ও মাইক্রোবাসের যাত্রীদের নিজেদের গাড়িতে তুলে মারধর করে টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করতেন তারা।

গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।